প্রবা প্রতিবেদন
প্রকাশ : ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৩ ২০:৪৫ পিএম
সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে টানা তিন ম্যাচ হারের পর জয়ের স্বাদ পেয়েছে পিএসজি। তবে ম্যাচে শঙ্কা ছিল, আরেকটি হার বুঝি দেখতে যাচ্ছে পিএসজি। খেলার রোমাঞ্চ ছড়িয়েছে শেষ সময়ে পর্যন্ত। যার শুরু করেছিলেন কিলিয়ান এমবাপে এবং যোগ করা সময়ের শেষ দিকে সমতা টেনেছেন লিওনেল মেসি।
পার্ক দে প্রিন্সেসে ক্রিস্তোফ গালতিয়ের আক্রমণভাগের তিন তারকাকে নিয়েই নেমেছিলেন। গোল পেয়েছেন তিনজনেই, মেসি ও নেইমারের একটি গোলের সঙ্গে এমবাপে করেছেন জোড়া গোল। শেষ বাশি বাজার পর স্কোরলাইন থেমেছে ৪:৩ গোলে। দুর্ভাবনাও সঙ্গী হয়েছে তাদের। চোট পেয়ে স্ট্রেচারে মাঠ ছেড়েছেন নেইমার।
রবিবার রাতে ঘরের মাঠে পিএসজি ধুঁকেছে বাকি প্রায় সব বিভাগে। খেলার ৮৭ মিনিট পর্যন্ত পিছিয়েও ছিল। একবার পিএসজি এগিয়ে যায় তো, পরের বার লিল। ৫৩ শতাংশ বল দখলে রেখে সফরকারীরা গোলে শট নিয়েছে ১৫বার, লক্ষ্যে রেখেছিল সাতবার। বিপরীতে ১১বারের ১০বার লক্ষ্যে রেখেছিল স্বাগতিকরা, গোল এসেছে চারটি।
আরও পড়ুন: বায়ার্ন কোচের ক্ষোভ
খেলার ১৭ মিনিটের মধ্যে লিলের জালে দুইবার বল পাঠায় পিএসজি। নেইমারের বাড়ানো বল থেকে ১১ মিনিটে দলকে এগিয়ে দেন এমবাপে। মিনিটপাঁচেক পর ভিতিনহার পাস ধরে লিড বাড়ায় নেইমার।
এরপর খেই হারিয়ে ফেলে দলটি। ৩ গোল হজম করে পড়ে যায় হারের শঙ্কায়। লিলের হয়ে প্রথম গোলটি আসে ২৪ মিনিটে। গোমেসের পাস ধরে দোন্নারুমাকে রীতিমত বোকা বানিয়ে বল জালে জড়ান লিলের রক্ষণ তারকা বেফোতে ডিকাইট। বিরতির পর ৫৮ মিনিটে পেনাল্টি থেকে গোল করে জোনাথন ডেভিড আনেন সমতা।
আরও পড়ুন: এই রোনালদো যেন সেই রোনালদো
২-২ স্কোরলাইন ২-৩ হয়ে যায় দশ মিনিট পর। ৬৯ মিনিটে জোনাথন বাম্বা এগিয়ে দেন লিলকে। পরের আধঘণ্টা আক্রমণ-প্রতিআক্রমণে কেটে গেলেও গোলের দেখা পায়নি কোনো দল। দলকে রক্ষা করা গোল বেরনাটের পাস ধরে আনেন এমবাপে। জোড়া গোলে ফ্রেঞ্চ তারকার রাঙানোর রাতে শেষ সময়ে সব আলো কেড়ে নেন মেসি। দুর্দান্ত এক ফ্রি কিকে গোল করে দলকে এনে দেন রোমাঞ্চকর জয়।
রোমাঞ্চকর জয়ে টেবিলের শীর্ষও মজবুত হয়েছে পিএসজির। ৫৭ পয়েন্ট নিয়ে তারা আছে এক নম্বরে। দুইয়ে থাকা অলিম্পিক মার্শেইর এক ম্যাচ কম খেলে ৪৯ পয়েন্ট। লিলে ৪১ পয়েন্ট নিয়ে নেমে গেছে একধাপ, রয়েছে তালিকার ছয় নম্বরে।