প্রবা প্রতিবেদন
প্রকাশ : ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৩ ১৫:০০ পিএম
আপডেট : ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৩ ১৫:৪০ পিএম
রক্ষণভাগে দাপট দেখিয়েও যে মাঠের সুপারস্টার হওয়া যায়, তার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত রেখে গেছেন মোনেম মুন্না। দেশের ঘরোয়া ফুটবলে আলো ছড়িয়েছেন মুক্তিযোদ্ধা সংসদ, ব্রাদার্স ইউনিয়ন ও ঢাকা আবাহনীর হয়ে।
ফরোয়ার্ডরা যখন বল নিয়ে কারিকুরি করতেন, তখন মুন্না ক্যারিশমা দেখাতেন ডিফেন্সে। তার পারফরম্যান্সে মুগ্ধ আবাহনী ‘কিংব্যাক’ খ্যাত মোনেম মুন্নার সঙ্গে নতুন চুক্তি করে ২০ লাখ টাকায়।
১৯৯১ সালে এটাই ছিল দক্ষিণ এশিয়ান ফুটবলের ট্রান্সফার ফি’র রেকর্ড। সামনে থেকে নেতৃত্ব দিয়ে আবাহনীকে উপহার দেন টানা দুটি শিরোপা। মাঠের লড়াইয়ে চমক দেখিয়ে মুন্না নাম লেখান কলকাতার ইস্টবেঙ্গল ক্লাবে।
বাংলাদেশের দ্বিতীয় ফুটবলার হিসেবে দেশের বাইরে পেশাদার লিগে খেলার গৌরব অর্জন করেন। দেশের জার্সিতেও মাঠ দাপিয়ে বেড়িয়েছেন মুন্না। ১৯৯৫ সালে তার নেতৃত্বেই বাংলাদেশ জেতে প্রথম আন্তর্জাতিক শিরোপা। ঘরে তোলে মিয়ানমারের চারজাতি টাইগার ট্রফি।
আরও পড়ুন: