যাপিত জীবন ডেস্ক
প্রকাশ : ১৫ আগস্ট ২০২২ ১১:৫০ এএম
আপডেট : ১৫ আগস্ট ২০২২ ১২:৩৪ পিএম
আমরা কেন খাবার খাই? এমন প্রশ্নে প্রথম উত্তর শরীরের প্রয়োজনীয়তা। আর দ্বিতীয়ত খাবার আমাদের এক তৃপ্তি এনে দেয়। কিন্তু সব খাবারে রয়েছে নানা ভাগ। যেমন কোনটি প্রোটিন জোগায়, আবার কোনটি ফ্যাট বা কার্বোহাইড্রেটে ভেঙে ফেলছে। এত হিসাব-নিকাশ করে কি খাওয়া য়ায়? তখন কিন্তু খাবার আর আপনার কাছে খাবার হিসেবে থাকছে না। শরীরে গিয়ে তা কী প্রভাব ফেলবে সেটাই বড় হয়ে দাঁড়াচ্ছে। শরীরে কত কিলো ওজন অতিরিক্ত রয়েছে সেটাও যেমন গুরুত্বপূর্ণ, তেমনই আপনি কোন খাবার খেতে অভ্যস্ত এবং কীভাবে সেটা খেতে অভ্যস্ত সেটাও মাথায় রাখতে হবে।
সুস্থ থাকা এবং ওজন কমানো এই দুটো কিন্তু এক নয়। বিকাল হলেই গরম চায়ের সঙ্গে হালকা ভাজাভুজি খাওয়া মানেই যে গুরুতর অপরাধ, তা তো নয়। খাওয়াদাওয়ার সঙ্গে ভালো থাকার একটা সম্পর্ক রয়েছে। সেটাকেও গুরুত্ব দিন। আমরা সুস্থ থাকার থেকেও ওজন কমানোর দিকে বেশি নজর দিই। এ কারণেই ওজনও কমে না, এবং ফ্যাটও ফ্যাটের জায়গা থেকে নড়ে না। এ চিন্তাধারায় বদল আনা প্রয়োজন।
স্বাস্থ্যের দিকে খেয়াল রাখুন। তবে জিভকেও একেবারে অবহেলা করবেন না। নিয়মিত এক্সারসাইজ করুন। তবে অতিরিক্ত এক্সারসাইজ করলেই যে তা শরীরের পক্ষে ভালো হবে, তা কিন্তু নয়।
শরীরের জন্য পর্যাপ্ত বিশ্রাম প্রয়োজন। অনেকেই বলেন, দুপুরে ঘুমানো নাকি ভালো নয়। এতে মোটা হওয়ার প্রবণতা দেখা দেয়। কখনোই নয়। সুস্থ থাকার জন্য ভাল ঘুমের কোনো বিকল্প হয় না। ভালো ঘুম মানে শুধু রাতের ঘুম নয়, দুপুরের ঘুমও একইরকম গুরুত্বপূর্ণ।
দুপুরে ২০-৩০ মিনিটের বিশ্রাম নিলে তা শরীরে এনার্জি ফিরিয়ে আনে, হরমোনের মাত্রাও স্বাভাবিক করে। ফলে দিনের বাকি অর্ধেকটাও শরীর একইরকম চনমনে থাকে।
সর্বোপরি ওজন কমানো নয়, সুস্থ থাকাকে লক্ষ্য করুন। এতে আপনার সামগ্রিক স্বাস্থ্যের উন্নতি হবে।
প্রবা/টিআই/এসআর