যাপিত জীবন ডেস্ক
প্রকাশ : ২৭ নভেম্বর ২০২২ ১৪:১৪ পিএম
আপডেট : ২৭ নভেম্বর ২০২২ ২০:৩৮ পিএম
শরীর সুস্থ আর ফিট রাখতে এক্সারসাইজের বিকল্প নেই। এক্সারসাইজের আগে ওয়ার্ম-আপ ও কুল ডাউনের দরকার আছে। চলুন জেনে নেওয়া যাক এর উপযোগিতা।
এক্সারসাইজ শরীরকে করে ফিট। মনকে রাখে প্রফুল্ল। অনেকে ফিট ও রোগমুক্ত থাকার জন্য নিয়মিত করেন শরীরচর্চা। কিন্তু সময়স্বল্পতা কিংবা আলসেমিতে অনেক সময় করা হয় না ওয়ার্ম-আপ। এক্সারসাইজের জন্য শরীরকে তৈরি করতে প্রয়োজন ওয়ার্ম-আপের। ওয়ার্ম-আপের গুরুত্বও এখানেই। তাই নিয়মিত এক্সারসাইজের পাশাপাশি ওয়ার্ম-আপ করতেও ভুলবেন না।
এক্সারসাইজ করতে শরীরের ওপর ধকল যায়। আর এ ধকলের জন্য শরীরকে প্রস্তুত করে তোলে ওয়ার্ম-আপ। এক্সারসাইজের সময় হার্টরেট ধীরে ধীরে বাড়ে। লাংসের কর্মক্ষমতা বাড়ে। এ ছাড়া মাংসপেশিদেরও দ্রুত কাজ করতে হয়। এসবের সঙ্গে রক্ত সঞ্চালনও ধীরে ধীরে বাড়া প্রয়োজন। লিগামেন্ট, জয়েন্ট, টেন্ডন— শরীরের সব অংশেরই ওয়ার্ম-আপ প্রয়োজন। তা হলেই এক্সারসাইজের সময় এরা নিজেদের ক্ষমতা অনুযায়ী কাজ করতে পারবে। মোটামুটি এক্সারসাইজ শুরুর আগে পাঁচ থেকে সাত মিনিট ওয়ার্ম-আপ করে নিন। হোল বডি মুভস, স্ট্রেচিং বা লিম্বারিং এক্সারসাইজ সবই করতে পারেন ওয়ার্ম-আপের সময়।

শুধু ওয়ার্ম-আপ করলেই হবে না। এক্সারসাইজের পরে কুল ডাউন করাও জরুরি। এটি হার্টরেটের মাত্রা কমায়। নিঃশ্বাস-প্রশ্বাসকেও ধীরে ধীরে স্বাভাবিকের কাছাকাছি নামিয়ে আনে কুলিং ডাউন প্রক্রিয়া। মানে যেখান থেকে এক্সারসাইজ শুরু করা হয়েছিল ঠিক সে অবস্থাতেই আপনাকে ফিরে যেতে হবে। স্ট্যাটিক, ফ্রোজেন বা হেল্ড স্ট্রেচ—সবই কুল ডাউন টেকনিকের মধ্যে পড়ে। এ ধরনের স্ট্রেচিং বাড়ায় নমনীয়তা। মাংসপেশির স্টিফনেসও প্রতিরোধ করে। শরীরের কোনো অংশে ব্যথা বা চোট লাগাও প্রতিহত করে এ স্ট্রেচিং। ওয়ার্কআউটের সময় ব্যবহৃত সবকটি মাংসপেশিই পুরোপুরি স্ট্রেচিং করতে হবে। প্রতিটি স্ট্রেচিং ১০-১২ সেকেন্ড পর্যন্ত করতে হবে। আর পুরো কুল ডাউনের প্রক্রিয়া চলবে আট থেকে দশ মিনিট। কুল ডাউন হয়ে গেলে চোখ বন্ধ করে এক মিনিট শুয়ে থাকুন। এটি বেশ উপকার দেবে।