প্রবা প্রতিবেদক
প্রকাশ : ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৩ ১৯:০৯ পিএম
আপডেট : ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৩ ২২:৩৫ পিএম
শ্রীলঙ্কার ব্যাটিংয়ের শুরুটা ছিল দুর্দান্ত। মাঝে তাসকিন-শরিফুল-মাহমুদের তোপে চাপে পড়েছিল শ্রীলঙ্কার ব্যাটাররা। তবে শেষ দিকে বাংলাদেশের বোলিং দাপট সামলে ফের ব্যাট হাতে জ্বলে উঠে স্বাগতিকরা। সাদিরা সামারাবিক্রমা বলতে গেলে বাংলাদেশের বোলিং তোপ একাই সামাল দিয়ে ব্যাট হাতে লড়াই করে গেছেন। কিন্তু ৭ রানের জন্য সেঞ্চুরির দেখা পাননি।তার সঙ্গে কুশল মেন্ডিস ও পাথুম নিসানকাও জ্বলেছেন ব্যাট হাতে। ত্রয়ীর দুরন্ত ব্যাটিংয়ের ওপর ভর করে ৯ উইকেট হারিয়ে ২৫৭ রানের পুঁজি গড়েছে লঙ্কানরা। এশিয়া কাপের ফাইনালে খেলার আশা বাঁচিয়ে রাখতে হলে যে করেই হোক আজ জিততে হবে সাকিবদের। বাঁচা-মরার ম্যাচে লাল-সবুজের প্রতিনিধিদের জয়ের জন্য ছুঁতে হবে ২৫৮ রানের লক্ষ্যটা। কলম্বোর আর প্রেমাদাসার স্লো উইকেটে যেটা রীতিমতো চ্যালেঞ্জিং।
আরও পড়ুন - ধনাঞ্জয়াকে ফেরালেন হাসান মাহমুদ
চেষ্টার কোনো ত্রুটি রাখেননি। কিন্তু সাদিরা সামারাবিক্রমার হাতে জাদুকরী তিন অঙ্কটা ধরা দেয়নি। ৯৩ রানের দুর্বার এক ইনিংস খেলে ইনিংসের শেষ বলে তাসকিন আহমেদের হাতে ক্যাচ তুলে দেন সাদিরা। ৭২ রানের দারুণ এই ইনিংসটি সাজান তিনি ৮ বাউন্ডারি ও ২ ছক্কায়। শেষ দিকে ক্যাপ্টেন দাসুন শানাকার ব্যাট থেকে আসে ২৪ রান।
তাসকিন আহমেদের করা বল উড়িয়ে মারার চেষ্টা করেছিলেন শ্রীলঙ্কান ব্যাটার চারিথ আশালাঙ্কা। সাকিব আল হাসান বল ধরতে ভুল করেননি। তাতেই আউট হয়ে প্যাভিলিয়নের পথ ধরেন চারিথ আশালাঙ্কা। প্যাভিলিয়নে ফেরার আগে আউট হয়েছেন ১০ রানে।
শরিফুলের দ্বিতীয় আঘাতে প্যাভিলিয়নে ফিরেছেন তিনে নামা কুশল মেন্ডিস। কুশল মেন্ডিস আউট হয়েছেন ব্যক্তিগত ৫০ রানে। এর আগে শ্রীলঙ্কার ইনিংসের ভিত গড়ে দেন পাথুম নিসানকা ও কুশল মেন্ডিস। ওপেনিংয়ে নামা কুশল মেন্ডিসকে দলীয় ১০৮ রানের মাথায় আউট করেন শরিফুল ইসলাম। তাকে লেগ বিফোরে ফাঁদে ফেলেন তিনি। ওপেনার পাথুম নিসানকা দলীয় স্কোরে যোগ করেন ৪০ রান। ৬০ বলের এ ইনিংসে ছিল ৫টি বাউন্ডারি।
হাসান মাহমুদের বলে উইকেটের পেছনে ক্যাচ দিয়ে প্যাভিলিয়নে ফিরেছেন শ্রীলঙ্কার ব্যাটার দিমুথ করুণারত্নে। ইনিংসের ৬ষ্ঠ ওভারের তৃতীয় বলে উইকেটের পেছনে দাঁড়ানো মুশফিকুর রহিমের হাতে ক্যাচ তুলে দেন করুণারত্নে। ব্যক্তিগত ১৮ রানে প্যাভিলিয়নে ফেরেন করুণারত্নে।
তাসকিন আহমেদ ছাড়া উইকেট নিয়েছেন হাসান মাহমুদ ও শরিফুল ইসলাম। তাসকিন ও হাসান মাহমুদ নিয়েছেন ৩টি করে উইকেট। বাঁহাতি পেসার শরিফুল পেয়েছেন দুটি উইকেট।