প্রবা প্রতিবেদক
প্রকাশ : ৩০ আগস্ট ২০২৩ ২৩:০০ পিএম
আপডেট : ৩০ আগস্ট ২০২৩ ২৩:০৭ পিএম
‘আমাদের লক্ষ্য শিরোপা জয়’- কথাটা দৃপ্তকণ্ঠেই বললেন কোচ সাইফুর রহমান মনি। সে কথাটাই প্রতিধ্বনিত হলো অধিনায়ক নাজমুল হুদা ফয়সাল, সহ-অধিনায়ক আশিকুর রহমান আর সহকারী কোচ আবুল হোসেনের কণ্ঠেও। সে লক্ষ্য নিয়েই আসন্ন অনূর্ধ্ব-১৬ সাফে খেলতে আজ ঢাকা ছেড়ে ভুটানে পৌঁছেছে বাংলাদেশ দল।
আরও পড়ুন : নেপালকে ধসিয়ে এশিয়া কাপ শুরু পাকিস্তানের
টুর্নামেন্ট শুরুর দিন তিন বাকি। সূচি একদিন পিছিয়ে সেপ্টেম্বরের দ্বিতীয় দিন মাঠে গড়াবে প্রথম ম্যাচ, যাতে বাংলাদেশের প্রতিপক্ষ ভারত। সেই ম্যাচের এক দিন আগে ভুটান যাত্রা করবে অনূর্ধ্ব-১৬ দল। এক দিনে ভুটানের কন্ডিশনের সঙ্গে কতটা মানিয়ে নিতে পারবে দল, তা নিয়ে প্রশ্নটা থেকেই যাচ্ছে। বাংলাদেশের সঙ্গে স্বাগতিক ভুটানের তাপমাত্রার পার্থক্য যে ১২ ডিগ্রির। ঢাকায় গতকাল তাপমাত্রা ছিল ৩৩ ডিগ্রি, আর ভুটানের থিম্পুতে ২১ ডিগ্রি; রাতে যা নেমে আসে ১৪-১৫-তে। কোচ সাইফুর জানালেন, মানসিক প্রস্তুতিটা আছে দলের।
প্রস্তুতি আছে চ্যাম্পিয়নশিপেরও। গেল আসরে ফাইনালের খুব কাছাকাছিই ছিল বাংলাদেশ। সেমিফাইনালে প্রতিপক্ষ ছিল ভারত, তাদের বিপক্ষে ৮ মিনিটের ঝড়ে লণ্ডভণ্ড হয়ে গিয়েছিল বাংলাদেশের সাফ স্বপ্ন। সেই ভারতের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়েই শুরু হচ্ছে দলের যাত্রা। সে ম্যাচ জিতেই টুর্নামেন্ট শুরুর বিষয়ে আশাবাদী কোচ। তার কথা, ‘আমরা ম্যাচ ধরে ধরে এগোতে চাই। ভারতের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে শুরু। ম্যাচটা বেশ গুরুত্বপূর্ণ। এই ম্যাচটা জিততে পারলে সেমিফাইনালের পথটা অনেকটাই পরিষ্কার হয়ে যাবে।’
২ সেপ্টেম্বর প্রথম ম্যাচ খেলার পর বাংলাদেশ পরের ম্যাচ খেলবে দুই দিন পরই। ৪ সেপ্টেম্বর দলের প্রতিপক্ষ নেপাল। সেখান থেকে উতরে গেলে সেমিফাইনাল হবে ৮ সেপ্টেম্বর। ১০ সেপ্টেম্বর হবে টুর্নামেন্টের ফাইনাল। সব ম্যাচ হবে থিম্পুর চাংলিমিথাং স্টেডিয়ামে।
এই টুর্নামেন্টের ঠিক দুই সপ্তাহ আগে কোচ সাইফুর দলের সঙ্গে যোগ দিয়েছেন। তার অধীনে দল কোচিং করেছে এরপর থেকে। তবে দলের রসদ যা আছে, তা নিয়েই আশায় বুক বাঁধছেন কোচ। তিনি বলেন, ‘আমি দলের সঙ্গে যোগ দিয়েছি দুই সপ্তাহ হলো। কিন্তু দলের অধিকাংশ খেলোয়াড়কেই আমি ব্যক্তিগতভাবে চিনি। দলের খেলোয়াড়দের যা ক্ষমতা আছে, তাতে আমি আশাবাদী শিরোপার বিষয়ে।’
টিম লিডার পদে একাধিক বাফুফে কর্মকর্তা দলের সঙ্গে গিয়ে থাকেন সাফের বিভিন্ন সফরে। কিন্তু এবারের সাফে টিম লিডার হিসেবে রাখা হয়নি একজনকেও। টিম ম্যানেজার হিসেবে আছেন মহিদুর রহমান মিরাজ। তিনি জানালেন, তাতে পার্থক্য হবে না খুব একটা। তার কথা, ‘পদটা মূলত অলংকারিক। বাফুফে বিভিন্ন সময় বিভিন্নজনকে এসব পদে পাঠিয়ে সম্মানিত করেন। তবে এটা না থাকায় খুব একটা সমস্যা হবে না। টিম ম্যানেজারই বাকি সব করতে পারেন।’