প্রবা প্রতিবেদন
প্রকাশ : ৩০ আগস্ট ২০২৩ ২২:০৫ পিএম
আপডেট : ৩০ আগস্ট ২০২৩ ২২:৪৩ পিএম
নেপাল সাহসী ব্যাটিং দেখিয়ে যাচ্ছিল। কিন্তু শেষ পর্যন্ত পেরে উঠেনি নবাগত দলটি। উদ্বোধনী ম্যাচে তাদের ২৩৮ রানের বড় ব্যবধানে হারিয়ে এশিয়া কাপ মিশন শুরু করল পাকিস্তান।
আরও পড়ুন : বাবরের পর ইফতিখারের সেঞ্চুরি, নেপালের লক্ষ্য ৩৪৩
হিমালয়সম লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে নেপালের ব্যাটিংয়ের শুরুটা হয়েছিল টানা দুই বাউন্ডারিতে। তা আবার শাহিন শাহ আফ্রিদির বলে। তাতেই আভাস মিলেছিল ম্যাচ হারলেও নিজেদের ব্যাটিং সার্মথ্য দেখাবে তারা। কিন্তু ১৪ রানে তিন উইকেট হারিয়ে ধুঁকতে থাকা নেপাল একটা সময় বিপদ কাটিয়ে উঠার আভাস দেয়।
দলীয় ৭৪ রানে ফের খেই হারিয়ে ফেলে নেপাল। আরিফ শেখ ২৮ রান নিয়ে উইকেট থেকে বিদায় নিলে আবার মড়ক লাগে তাদের ব্যাটিং লাইন আপেল। শাদাব খান স্পিন জাদুতে চার উইকেট শিকার করলে নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারাতে থাকে নেপাল। শেষমেশ লড়াই জমিয়ে তুলতে না পেরে ২৩.৪ ওভারে মাত্র ১০৪ রানেই গুটিয়ে যায় অভিষিক্ত দলটি।
নেপালের হয়ে ব্যক্তিগত সর্বোচ্চ ২৮ রান করেন সমপাল কামিজ। ২৬ রান আসে আরিফ শেখের ব্যাট থেকে। দলীয় স্কোরে ১৩ রান যোগ করেন গুলশান ঝা। বাকি কোনো ব্যাটার দুই অঙ্কও ছুঁতে পারেননি।
পাকিস্তানের হয়ে শাদাব খান শিকার করেন ৪ উইকেট। দুটি করে উইকেট নেন হারিস রউফ ও শাহ আফ্রিদি।
পাকিস্তানের ব্যাটিংয়ের শুরুটা হয়েছিল ধীরগতিতে। দলকে সেই বাজে অবস্থা থেকে টেনে তোলেন বাবর আজম আর ইফতিখার আহমেদ। দুজনের ডাবল সেঞ্চুরির পার্টনারশিপে এশিয়া কাপের নেপালের সামনে ৩৪৩ রানের চ্যালেঞ্জিং লক্ষ্য ছুঁড়ে দেয় পাকিস্তান।
নেপালের বোলিং দাপটের খোলস ভেঙে ব্যাটিং ঝলক দেখান বাবর আজম। দুরন্ত ব্যাটিংয়ের পসরা সাজিয়ে আদায় করে নেন দারুণ এক সেঞ্চুরি। ওয়ানডে ক্যারিয়ারে এটি তার ১৯তম সেঞ্চুরি। ১০৯ বলে ১০ বাউন্ডারিতে জাদুকরী তিন অঙ্কের দেখা পান পাকিস্তান ক্যাপ্টেন। তবে সাজঘরে ফেরার আগে ১৩১ বলে ১৪ বাউন্ডারি ও ৪ ছক্কায় খেলেন ১৫১ রানের দুর্বার এক ক্রিকেটীয় ইনিংস।
সেঞ্চুরি হাঁকান ইখতিখার আহমেদও। ৭১ বলে ১০৯* রানের হার না মানা দুরন্ত ইনিংস খেলে অপরাজিত থেকে যান তিনি। ইফতিখারের এ ইনিংসে ছিল ১১ বাউন্ডারি ও ৪ ছক্কা। পঞ্চম উইকেটে বাবর আজমের সঙ্গে ১৩১ বলে ২১৪ রানের জুটি গড়েন ইফতিখার। মোহাম্মদ রিজওয়ান ৬ রানের জন্য ফিফটি মিস করেন। দলীয় স্কোরে যোগ করেন তিনি ৪৪ রান। ত্রয়ীর ব্যাটিংয়ের ওপর ভর করে ৬ উইকেটে ৩৪২ রানের পুঁজি গড়ে পাকিস্তান।
নেপালের জার্সি গায়ে দুটি উইকেট নেন সমপাল কামি। একটি করে উইকেট নেন কারান কেসি ও সন্দ্বীপ লামিচানে।
তার আগে এশিয়া কাপের উদ্বোধনী ম্যাচে টসে জিতে আগে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেন পাকিস্তান অধিনায়ক বাবর আজম। ম্যাচের আগের দিন রাতেই একাদশ ঘোষণা করায় একাদশ নিয়ে কৌতূহল ছিল না খুব একটা। অন্যদিকে এ ম্যাচ দিয়েই এশিয়া কাপে অভিষেক হলো নেপালের।