প্রবা প্রতিবেদক
প্রকাশ : ০৭ আগস্ট ২০২৩ ১৫:৫৬ পিএম
আপডেট : ০৭ আগস্ট ২০২৩ ১৬:০৩ পিএম
দুই ব্রাজিলিয়ান ব্রুনো মাতোস আর জনাথন রেইস— আ. ই. আলীম
রবিবার আবাহনী লিমিটেডের অনুশীলনে যেতেই চোখ পড়ল খানিকটা অচেনা দুই খেলোয়াড়ের ওপর। পাঁচ বিদেশি আগেই ছিলেন দলটিতে, তার সঙ্গে ওই দুজন কে? কোচ মারিও লেমোসই এরপর পরিচয় করিয়ে দিলেন দলে যোগ দেওয়া দুই ব্রাজিলিয়ান ব্রুনো মাতোস আর জনাথন রেইসের সঙ্গে।
দানিয়েল কলিনদ্রেস, পিটার নোরাহ, রাফায়েল আগুস্তোদের পাবে না আবাহনী। তাদের অভাবটা পূরণের চেষ্টা ক্লাবটি করেছিল শেখ জামাল থেকে স্টুয়ার্ট কর্নেলিয়াস, মোহামেডান থেকে মুজাফফর মুজাফফরভ, চট্টগ্রাম আবাহনী থেকে ডেভিড ও মোস্তফা কাহারবা, ফর্টিস থেকে দানিলো আগুস্তোকে নিয়ে। তবে এএফসি এবার নিয়ম করেছে ৬ বিদেশি নামতে পারবে মাঠে, দলে ভেড়ানো যাবে ইচ্ছেমতো বিদেশি খেলোয়াড়। ব্রুনো আর জনাথনকে ভিড়িয়ে সে সুযোগটাই নিতে চাচ্ছে ক্লাবটি।
আরও পড়ুন:
দুই নতুন বিদেশিই আক্রমণভাগের খেলোয়াড়। ব্রুনো রাইট উইঙ্গার, আর জনাথন সেন্টার ফরোয়ার্ড, তবে প্রয়োজনে উইংয়েও খেলতে পারেন। তাদের নিয়েই আশায় বুক বাঁধছেন কোচ লেমোস।
দুই নতুন বিদেশিই আক্রমণভাগের খেলোয়াড়। ব্রুনো রাইট উইঙ্গার, আর জনাথন সেন্টার ফরোয়ার্ড, তবে প্রয়োজনে উইংয়েও খেলতে পারেন।
প্রতিদিনের বাংলাদেশকে তিনি বলেন, ‘প্রথম দিনে দুজন ভালোই অনুশীলন করেছে। ব্রুনো এমন একজন, যে অ্যাটাকিং থার্ডে পার্থক্য গড়ে দিতে পারে। আর জনাথন টেকনিক্যাল খেলোয়াড়; তার পাসিং ভালো, ফিনিশিংও।’ ব্রুনো আবাহনীতে এসেছেন সৌদি দ্বিতীয় বিভাগের ক্লাব আল জিল থেকে। আর জনাথন এসেছেন থাই ক্লাব নংবুয়া পিচায়া থেকে।
এএফসি কাপের আগে খুব বেশি সময় বাকি নেই আর। আগামী ১৬ আগস্টই তো নেমে পড়তে হবে লড়াইয়ে। তার আগেই তাদের দলের সঙ্গে মানিয়ে নেওয়ার চ্যালেঞ্জ এখন কোচ মারিও লেমোসের সামনে।