কলম্বো টেস্ট
প্রবা প্রতিবেদন
প্রকাশ : ২৫ জুলাই ২০২৩ ১৭:০২ পিএম
আপডেট : ২৫ জুলাই ২০২৩ ১৭:৪৫ পিএম
বৃষ্টির পেটেই গেছে কলম্বো টেস্টের প্রায় পুরো দিন। ছবি : টুইটার
বেরসিক বৃষ্টি যেন পণ করে বসেছিল। এই থামে তো এই নামে, শেষ পর্যন্ত কলম্বো টেস্টের দ্বিতীয় দিনটাই পণ্ড করে দিয়েছে বৃষ্টি। অবশ্য একটু আগেভাগে খেলা শুরু করা দিনে মাঠে বল গড়িয়েছে মোটে ১০ ওভার। শ্রীলঙ্কার থেমে থেমে করা বোলিংয়ে পাকিস্তান তুলেছে আরও ৩৩ রান। বৃষ্টির পেটে যাওয়া দিনে তারা লিড পেয়েছে ১২ রানের।
সিনহালেস স্পোর্টস ক্লাব গ্রাউন্ডে এদিন ৯৮ ওভার খেলার কথা ছিল। কিন্তু বৃষ্টি এবং মাঠের অবস্থা বিবেচনায় খেলা বন্ধ হয়েছে দিনের অন্তত তিন ঘণ্টা আগে। পুরো দিনে খেলা হয়েছে ১০ ওভার। দিনের খেলা শেষ ঘোষণার আগে আগের দিন অবিচ্ছিন্ন থাকা শফিক-বাবর ১৭৮ রান পর্যন্ত টেনে নেন দলকে। বড় রানের লক্ষ্য নিয়ে নামা পাকিস্তানের জন্য দিনটি হতাশার বটে! বাবর-জয়সুরিয়ার লড়াইও বেশি সময় দেখা সম্ভব হয়নি কলম্বোর দর্শকদের।
আরও পড়ুন :
আগের দিন দুপুরের মাঝে শ্রীলঙ্কাকে গুড়িয়ে দিয়ে পাকিস্তান খেলে ২৮.৩ ওভার, দুই ফিফটিতে নিজেদের প্রথম ইনিংসে পাকিস্তান স্কোরবোর্ডে জমা করে ১৪৫ রান। ২ উইকেট হারিয়ে দিন শেষে সফরকারীরা ২১ রান পেছনে ছিল। দাপুটে দিনের পর আজ অবশ্য দাপট দেখানো হয়নি সফরকারীদের। বৃষ্টির পেটেই গেছে প্রায় পুরোটা দিন।
দ্বিতীয় দিনে ১০ ওভারে শফিক-বাবর দুজনে তুলেছেন ৩৩ রান, আক্ষেপ আছে নিশ্চয়ই তাদের!
আজ ৭৪ রানে ব্যাট করতে নামা শফিক যোগ করেন আরও ১৩ রান। আগামীকাল টেস্টের তৃতীয় দিন শুরু করবেন ৮৭ রান থেকে, ৮ রানে দিন শেষ করা পাকিস্তানের অধিনায়ক ব্যাট করছেন ২৮ রানে। পাকিস্তান ৮ উইকেট হাতে নিয়ে তৃতীয় দিনে ১৭৮ রান থেকে বাড়াবেন লিড।
এর আগে, বোলিংয়ে ৩ উইকেট নেওয়া নাসিম শাহ দেখান গতির ঝলক, ৪ উইকেট তোলা আবরার ফেলেন ঘূর্ণির তোপে—পাকিস্তানের দুই বোলারের দ্বিমুখী তোপে প্রথম ইনিংসে কোনোমতে দেড়শ রান ছাড়ায় শ্রীলঙ্কা। কলম্বোতে এদিন পিচের পুরো ফায়দা তোলেন বাবর আজমরা। স্বাগতিকদের কাউকেই দেননি তেমন করে থিতু হতে। লঙ্কানদের হয়ে দলীয় সর্বোচ্চ ৫৭ রান এসেছে ডি সিলভার ব্যাটে। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ চান্দিমাল করেছেন ৩৪ রান।
সংক্ষিপ্ত স্কোর : (দ্বিতীয় দিন শেষে)
শ্রীলঙ্কা: প্রথম ইনিংস—১৬৬/১০ (ডি সিলভা ৫৭, চান্দিমাল ৩৪, আবরার ৬৯/৪, নাসিম ৪১/৩)
পাকিস্তান : প্রথম ইনিংস—১৭৮/২ (শফিক ৮৭*, মাসুদ ৫১, বাবর ২৮*, আশিথা ৫১/২, জয়সুরিয়া ৪৮/০)