প্রবা প্রতিবেদক
প্রকাশ : ১৩ জুলাই ২০২৩ ২৩:৩২ পিএম
বাংলাদেশ এগিয়ে ছিল ১-০ গোলে, ঠিক তখনই ঘটল অঘটনটা। নেপাল ফেরাল সমতা। নিশ্চিত জয়টা হাতছাড়াই হয়ে গেল সঙ্গে সঙ্গে।
আরও পড়ুন : ওয়ানডে সিরিজেও নেই জাহানারা-রুমানা
দুই দলের পরিস্থিতির কথা বিচারে অবশ্য ড্রটাকেও মন্দ ফল বলে ঠাহর হওয়ার কথা নয়। নেপাল শেষ কিছু দিনে বেশ কিছু প্রস্তুতি ম্যাচ খেলেছে, প্রাণভোমরা সাবিত্রা ভাণ্ডারিও ছিলেন দারুণ ফর্মে। আর বাংলাদেশ? সাফের পর থেকে প্রায় এক বছর ধরে নেই খেলায়, দলের সব সাফল্যের কান্ডারি কোচ গোলাম রাব্বানী ছোটনও নেই এখন আর। সব মিলিয়ে এক মাঠটা ছাড়া আর কিছুই তো নিজেদের অনুকূলে ছিল না সাবিনা খাতুনদের।
এতসব সমস্যার ছাপটা ফলাফলে তেমন না পড়লেও মাঠের ফুটবলে পড়েছে বৈকি। শুরু থেকেই দল ছিল নিজেদের ছায়া হয়ে। মাঝমাঠের দখল ছিল না, আক্রমণও হচ্ছিল না তেমন। তাও সাবিত্রার জন্য রক্ষণভাগের বাড়তি মনোযোগ ছিল, তাই বাঁচোয়া; না হলে যে গোল হজম করে বসাটাও অসম্ভব ছিল না বাংলাদেশের! সাবিত্রাকে অকেজো করে দেওয়ার ফলেই মূলত নেপাল আক্রমণে উঠতে পারেনি তেমন।
পরিস্থিতিটা বদলায় দ্বিতীয়ার্ধে আক্রমণে শাহিদা আক্তার রিপাকে আনার পর। বয়সভিত্তিক ফুটবলে আলো ছড়িয়ে অবশেষে জাতীয় দলে আসা রিপাই এনে দেন দলের একমাত্র গোলটা। প্রতিপক্ষ বিপদসীমার সামনে থেকে তার দারুণ পাস খুঁজে পায় সাবিনা খাতুনকে। সাবিনা দারুণভাবে প্রতিপক্ষ গোলরক্ষককে পরাস্ত করে বল জড়ান জালে।
৭৩ মিনিটে সফরকারীরা সমতা ফিরিয়েই ফেলেছিল প্রায়। সেটা শেষমেশ হয়নি রুপনা চাকমার দারুণ এক সেভের কারণে। তবে শেষ রক্ষা হয়নি। শেষ মিনিটে বাংলাদেশ রক্ষণের ভুলে বক্সে ফাঁকায় বল পেয়ে যান সাবিত্রা। তার একমাত্র গোলটাই সমতায় ফেরায় নেপালকে। এই ড্রয়ের ফলে সিরিজের নিষ্পত্তি হবে শেষ ম্যাচে। আগামী ১৬ জুলাই কমলাপুরের শহীদ বীরশ্রেষ্ঠ সিপাহি মোস্তফা কামাল স্টেডিয়ামে দুই দল মুখোমুখি হবে সে লড়াইয়ে।