প্রবা প্রতিবেদন
প্রকাশ : ০৯ জুলাই ২০২৩ ২১:২৩ পিএম
বন্ধুত্বের শুরুটা হয়েছিল বার্সায় থাকাকালীন। দিনে দিনে সেই সম্পর্কটা আরও পোক্ত হয়েছে। ২০২১ সালে বার্সা ছাড়ার পর বন্ধু নেইমারের কারণেই অন্য কোনো ক্লাবে না গিয়ে মেসি খুঁটি পুঁতে ছিলেন প্যারিসে। যদিও অভিজ্ঞতা মোটেও সুখকর হয়নি তার। দুই মৌসুম পরই ছাড়তে হয়েছে ক্লাব। নেইমার নিজেও আছেন বেশ চাপে। ক্লাব সমর্থকদের রোষানলে নিয়মিতই পড়তে হচ্ছে তাকে। কদিন আগেই নেইমারের বাড়ির সামনে ব্রাজিলিয়ান তারকাকে দেখতে চায় না বলে মিছিল করেছে পিএসজির ক্ষুব্ধ সমর্থকরা। মেসির মতো পিএসজির ওপর থেকে মন উঠে গেছে নেইমারেরও। যদিও চুক্তির বেড়াজালে আটকা পড়ে ২০২৫ সালের আগে ক্লাব ছাড়তে পারছেন না তিনি। তবে এর মধ্যেই নেইমারকে নিয়ে গুঞ্জন, মেসির পর পিএসজি ছেড়ে যুক্তরাষ্ট্রের মেজর সকার লিগের দলে নাম লেখাচ্ছেন তিনিও; স্প্যানিশ গণমাধ্যম মুন্ডো দেপোর্তিভো জানিয়েছে এমনটিই।
আরও পড়ুন - ব্রুকসে জিইয়ে রইল ইংল্যান্ডের অ্যাশেজ জয়ের স্বপ্ন
নেইমারকে নিতে আগ্রহী ছিল ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগের বেশ কিছু ক্লাব। তবে পিএসজির সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ থাকায় তাকে দলে নিতে মোটা অঙ্কের রিলিজ ক্লজ দিতে হবে ক্লাবগুলোকে। সেটা নিয়েই যত সমস্যা। আর এই সুযোগেই নেইমারকে দলে ভেড়াতে চায় এমএলএসের ক্লাব নিউইয়র্ক সিটি এফসি। মুন্ডো দেপোর্তিভোর দাবি, এমএলএসের ক্লাব নিউইয়র্ক সিটি এফসিতে যোগ দিতে পারেন নেইমার। সিটি ফুটবল ক্লাবের অধীনে থাকা এই দলটি ব্রাজিলিয়ান এই ফুটবলারকে কেনার জন্য আগ্রহ প্রকাশ করেছে। নেইমারকে দলে ভেড়ানোর মতো সামর্থ্যও রয়েছে ক্লাবটির। তা ছাড়া মেসির পর নেইমারকে লিগে ভেড়ানো গেলে এই লিগের মান বাড়বে আরও কয়েকগুণ। সেই কাজটিই করতে চায় ক্লাবটি।
এর আগেও বেশ কিছু তারকা ফুটবলারকে দলে ভেড়ানোর অভিজ্ঞতা রয়েছে ক্লাবটির। নিউইয়র্ক সিটির হয়ে খেলেছেন ডেভিড ভিয়া, আন্দ্রেয়া পিরলো ও ফ্রাঙ্ক ল্যাম্পার্ডের মতো তারকারা। কাজেই নেইমারকে দলে ভেড়ালে অবাক হওয়ার কিছু থাকবে না।
এদিকে এমএলএসের ক্লাব ইন্টার মিয়ামি তো একের পর এক চমক দিয়েই যাচ্ছে। মেসিকে দলে ভেড়ানোর পর বার্সা অধিনায়ক সার্জিও বুসকেটসকেও দলে ভিড়িয়েছে তারা। শোনা যাচ্ছে দলে যুক্ত হতে পারেন জর্ডি আলবা ও আন্দ্রেস ইনিয়েস্তার মতো বার্সার তারকা ফুটবলাররাও। আর এখন নেইমার যদি এমএলএসের অন্য একটি ক্লাবে যান তাহলে মেসির সঙ্গে নিয়মিতই দেখা হবে নেইমারের। এখন দেখার বিষয় শেষ পর্যন্ত এই গুঞ্জনটি সত্যি হয় কি না।