প্রবা প্রতিবেদন
প্রকাশ : ১৮ জুন ২০২৩ ১৭:১১ পিএম
আপডেট : ১৮ জুন ২০২৩ ১৭:১৮ পিএম
মিরপুরে সাড়ে তিন দিনে শেষ হওয়া একমাত্র টেস্টে আফগানিস্তানের বিপক্ষে রেকর্ড জয় পেয়েছে বাংলাদেশ। এ ছাড়া এই টেস্টে হয়েছে বেশকিছু রেকর্ড। সংখ্যায় সেসব রেকর্ড এক করার চেষ্টা।
আরও পড়ুন : বাংলাদেশের বিপক্ষে আফগানিস্তানের ওয়ানডে দলে রশিদ-মুজিব
৫৪৬ : ঢাকা টেস্টে ৫৪৬ রানের রেকর্ড জয় পেয়েছে বাংলাদেশ। টেস্ট ক্রিকেটের ইতিহাসে যা তৃতীয় সর্বোচ্চ। টেস্ট ক্রিকেটের সবচেয়ে বড় জয় ইংল্যান্ডের। ১৯২৮ সালে গাব্বাতে অস্ট্রেলিয়াকে ৬৭৫ রানে হারায় ইংল্যান্ড। ছয় বছর পর সেই হারের শোধ নেয় অস্ট্রেলিয়া। ইংল্যান্ডকে হারায় ৫৬২ রানে, যা ইতিহাসের দ্বিতীয় বড় জয়।
৬৬১ : আফগানিস্তানের বিপক্ষে দ্বিতীয় ইনিংসে বাংলাদেশের লিড ছিল ৬৬১। টেস্ট ইতিহাসে দ্বিতীয় ইনিংস শেষে মাত্র সাতবার এর বেশি লিড পেয়েছে কোনো দল। তবে পাঁচ দিনের টেস্টে দ্বিতীয় ইনিংসে এটিই সর্বোচ্চ লিড। এর আগে ২০১৮ সালে ক্রাইস্টচার্চ টেস্টে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ৬৫৯ রানের লিড পেয়েছিল নিউজিল্যান্ড।
১৪ : ঢাকা টেস্টে দুই ইনিংস মিলিয়ে মোট ১৪ উইকেট শিকার করেছেন বাংলাদেশের পেসাররা, যা টেস্টে উইকেট তোলায় বাংলাদেশি পেসারদের জন্য রেকর্ড। এর আগে মাউন্ট মঙ্গানুইয়ে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ১৩ উইকেট শিকার করেছিলেন বাংলাদেশি পেসাররা।
২ : টেস্টের দুই ইনিংসেই সেঞ্চুরি হাঁকিয়েছেন নাজমুল হোসেন শান্ত। বাংলাদেশের হয়ে যা দ্বিতীয়। এর আগে মুমিনুল হক প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে দুই ইনিংসেই সেঞ্চুরি হাঁকান। সেটি ছিল ২০১৮ সালে চট্টগ্রামে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে। এক টেস্টে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রান করেছেন শান্ত। মিরপুর টেস্টে তার রান ২৭০। এর আগের রেকর্ডটি মুমিনুলের। শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে সেবার ২৮১ রান করেছিলেন মুমিনুল।
৮২.৮২ : ঢাকা টেস্টে শান্তর স্ট্রাইক রেট ৮২.৮২। টেস্টে উভয় ইনিংসে সেঞ্চুরি হাঁকানো ব্যাটারদের মধ্যে যা চতুর্থ সর্বোচ্চ। এর আগে ২০১৪ সালে কেপটাউন টেস্টে দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে ১৩৫ ও ১৪৫ রানের সময় ডেভিড ওয়ার্নারের স্ট্রাইক রেট ছিল ৯০.৯০, যা টেস্টে সর্বোচ্চ।
১৫০ : ঢাকা টেস্টে তৃতীয় বাংলাদেশি বোলার হিসেবে ১৫০ টেস্ট উইকেটের মাইলফলক স্পর্শ করেছেন মেহেদি হাসান মিরাজ। টেস্টে সর্বোচ্চ ২৩৩ উইকেট সাকিব আল হাসানের। পরের অবস্থানে থাকা তাইজুলের উইকেটসংখ্যা ১৭৭।