× ই-পেপার প্রচ্ছদ সর্বশেষ বাংলাদেশ রাজনীতি দেশজুড়ে বিশ্বজুড়ে বাণিজ্য খেলা বিনোদন মতামত চাকরি শিক্ষা আজকের কার্টুন ফিচার সকল বিভাগ ছবি ভিডিও লেখক আর্কাইভ কনভার্টার

বড় দল হওয়ার পথেই বাংলাদেশ

প্রবা প্রতিবেদক

প্রকাশ : ১৮ জুন ২০২৩ ১২:৩৬ পিএম

আপডেট : ১৮ জুন ২০২৩ ১২:৫১ পিএম

বড় দল হওয়ার পথেই বাংলাদেশ

আফগানিস্তানের বিপক্ষে একমাত্র টেস্টটা বাংলাদেশ শেষ করেছে রেকর্ড গড়া এক জয় দিয়ে, যা আবার ছিল অধিনায়ক হিসেবে লিটন দাসের অভিষেকও। ঢাকা টেস্টের নানা দিক নিয়ে লিটন কথা বলেছেন সংবাদ সম্মেলনে। জানিয়েছেন দলের বিভিন্ন বিভাগ, উইকেট, টেস্ট ক্রিকেট, অধিনায়কত্ব নিয়ে নিজের ভাবনা। তার চুম্বকাংশ প্রতিদিনের বাংলাদেশের পাঠকদের জন্য তুলে ধরা হলো-

আরও পড়ুন : মিরপুরে ‘পেসবিপ্লব’

ক্যাপ্টেন্সি কেমন উপভোগ করলেন?

অধিনায়কত্ব খুব উপভোগ করেছি। বোলাররা যেভাবে আমাকে সহায়তা করেছে। বিহাইন্ড দ্য বল দেখছি যে বোলাররা বল ক্যারি করাচ্ছে। কিপিং করতেও মজা। অধিনায়কত্ব তখন ভালো লাগে যখন উইকেট পাওয়ার সুযোগ থাকে।

রেকর্ড ব্যবধানে জয়। এ বিষয়টাকে কীভাবে দেখছেন?

যখন প্রথম ইনিংসে শান্ত ও জয়ের ভিত্তিতে আমরা ভালো স্কোর করলাম তখন থেকে আমরা বিশ্বাস করছিলাম প্রথম ইনিংসের ওপর অনেক কিছু নির্ভর করছে। তাদের আমরা দেড়শর আগে অল আউট করেছি। কাজেই ব্যবধানটা তখনই বোঝা গেছে কোন পথে যেতে পারি। কিন্তু কঠিন উইকেট ছিল। এ জয়ের সম্পূর্ণ কৃতিত্ব আমাদের ব্যাটার ও বোলারসহ পুরো দলের।

পেসারদের পারফরম্যান্স নিয়ে আপনার মূল্যায়ন কী? 

আমরা কখনও তিন পেসার নিয়ে খেলি না। মিরপুরে তো খেলিই না। যেহেতু উইকেটের আচরণটাই এমন ছিল, তিন পেসার নিয়ে খেলার মতো। উইকেটে যথেষ্টই পেসারদের রসদ ছিল। তারা তাদের দায়িত্ব পালন করেছে। আমি অধিনায়ক হিসেবে খুব খুশি।

রেকর্ড ব্যবধানে জেতার তৃপ্তিটা কেমন?

অবশ্যই এটা তো যখন চাইবেন তখনই হবে, এ রকম একটা ব্যবধান। এটার জন্য কৃতিত্ব ব্যাটারদের, কারণ উইকেটটা এত সহজ ছিল না। প্রতিটা ব্যাটারকে কৃতিত্ব দিতে হবে। সত্য কথা, আমাদের বোলাররাও খুবই ভালো বল করেছে। লাইন-লেন্থ মেনে বল করেছে। এটা টেস্ট ক্রিকেটে বড় অর্জন। 

শান্ত দারুণ ছন্দে আছেন। তার ব্যাটিংয়ে কোনো বদল এসেছে? 

দেখেন, শান্তর জায়গায় আমিও ছিলাম কিছুদিন আগে। এসব নিয়ে শান্তর সঙ্গে আমার কথাবার্তাও হয়েছে। জানি না কতটুকু তাকে সাহায্য করেছে। তার হয়তো অনুশীলনের মেথড একটু বদল করেছে। আগে যেভাবে অনুশীলন করত, এখন অনেক গোছানো। আপনি যখন আন্তর্জাতিক ক্রিকেট খেলতে থাকবেন, নিয়মিত আপনি কিন্তু জানবেন আপনার ঘাটতি কী। কোন জায়গায় আপনি শক্তিশালী, কোন জায়গায় আপনি দুর্বল। সে তার জিনিসটা খুব ভালোভাবে খুঁজে পেয়েছে। ওভাবেই অনুশীলন করেছে। খারাপ সময় আসবে-যাবে। ও যদি ধরে রাখতে পারে, কীভাবে সফল হয়েছে মনে রাখে, তাহলে সাফল্য পাবে।

পেসবান্ধব উইকেটে সাফল্য এসেছে। ভবিষ্যতেও এমন উইকেট চাইবেন কি?

এটা নির্ভর করছে আমরা কার সঙ্গে খেলছি। যার সঙ্গে খেলব তাদের শক্তি, দুর্বলতা সবকিছু পর্যালোচনা করে… যেটা মানুষ করে হোম অ্যাডভান্টেজ নেয়। এটাই করব।

প্রতিপক্ষের ওপর নির্ভর করে উইকেট হলে পেসারদের সুযোগ দেওয়া হবে কী করে?

সুযোগই যদি না পায়, বোলাররা কীভাবে তাদের ক্যারেক্টার শো করবে! অবশ্যই, অনেক কিছু আছে। আপনি যখন চ্যাম্পিয়নশিপে ঢুকে যাবেন, তখন আপনি অনেক সুযোগ নিতে চাইবেন। স্টিল নাউ, আমরা চাইব ভালো উইকেটে খেলতে, যেন দুই দিকেই সুবিধা থাকে; এমন নয় যে শুধু স্পিনার বা পেসাররা একচেটিয়া আধিপত্য দেখাবে। এই উইকেটে দেখেন, স্পিনাররাও কিন্তু সাহায্য পেয়েছে। দেখা যাক ভবিষ্যতে কী হয়। 

তরুণ খেলোয়াড়দের সবাই পারফর্ম করেছেন। বিষয়টা কীভাবে দেখছেন?

আপনি যদি বড় দল হতে চান, পাঁচ দিন ক্রিকেট খেলতে চান, আমি অনুভব করি, আমার কাছে খুব ভালো লাগে। আমাদের বোলিংও যদি দেখেন। অফস্পিনার, বাঁহাতি স্পিনার, পেসাররা… সবাই ভালো করছে। পাইপলাইনে চার-পাঁচজন পেসার আছে যাদের যেকোনো সময় নামিয়ে দেওয়া যায়। এদিক থেকে বলব আমাদের বোলিং খুবই শক্তিশালী।

এই টেস্টে আফগানরা কি দুর্বল ছিল?

খেলাটা সব সময়ই কষ্টকর। প্রত্যেকটা খেলোয়াড়কে কষ্ট করেই খেলতে হয়। লাইফে কোনো কিছু সহজ নয়, আপনাকে সবকিছু অর্জন করে নিতে হয়। বড় দল হলেও যে পরিশ্রম করে খেলা লাগে, ছোট দল হলেও একই জিনিস অনুসরণ করা লাগে। রুটিনের কোনো ভিন্নতা হওয়া যাবে না।

২০১৯ সালের হার আফগানদের ফিরিয়ে দেওয়ার বিষয়টা মনে ছিল?

২০১৯ আমাদের জন্য অন্যরকম ছিল। তারা যে লেভেলে খেলত আর আমরা যেমন খেলতাম, হয়তো একটু ম্যাচিংয়ে গরমিল ছিল। ২০২৩ সালে এসে অনেক টেস্ট খেলেছি, সেদিক থেকে পাকাপোক্তভাবে জানি কীভাবে খেলতে হয়। আরেকটা জিনিস- ২০১৯ সালে হয়তো আমাদের পেস আক্রমণ এতটা ভালো ছিল না, ২০২৩ সালে যতটা হয়েছে। তুলনা করলে অনেক ভিন্নতা পাবেন। এই ম্যাচ জেতায় আমরা খুশি সবাই।

ব্যাটারদের ভালোর জন্য কেমন উইকেটে খেলা উচিত?

আমরা যদি ইভেন উইকেটে খেলি, যেখানে ব্যাটাররা বড় রান পায়, সিমার-স্পিনাররাও উইকেট পায়… এখানে বড় রান হয়েছে, দুই-তিনটা সিমার, স্পিনাররাও উইকেট নিয়েছে। আজকের এই উইকেট নিয়ে কোনো অভিযোগ নেই। আমরা যা পারি, তাদের হয়তো আমরা ওটা করতে দিইনি। আমাদের ব্যাটাররা যে আগ্রাসী ব্যাটিংটা করেছে, তার মুখোমুখি আমরা হইনি। অবশ্যই ভালো উইকেট মানে এসব উইকেট।

শেয়ার করুন-

মন্তব্য করুন

Protidiner Bangladesh

সম্পাদক : মারুফ কামাল খান

প্রকাশক : কাউসার আহমেদ অপু

রংধনু কর্পোরেট, ক- ২৭১ (১০ম তলা) ব্লক-সি, প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড) ঢাকা -১২২৯

যোগাযোগ

প্রধান কার্যালয়: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৬৯৬ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (প্রিন্ট): +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮১০, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০ | ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (অনলাইন): +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০, +৮৮০১৭৯৯৪৪৯৫৫৯ । ই-মেইল: [email protected]

সার্কুলেশন: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮০৭, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৩৩২ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন মূল্য তালিকা