প্রবা প্রতিবেদন
প্রকাশ : ০৭ জুন ২০২৩ ১২:৩৭ পিএম
আপডেট : ০৭ জুন ২০২৩ ১৩:৩১ পিএম
পেসবান্ধব উইকেটে খেলতে অভ্যস্ত অস্ট্রেলিয়া। তাদের দেশের উইকেটগুলোই এমন। বাউন্সি উইকেটই তাদের ক্রিকেটের নিত্যসঙ্গী। এদিক থেকে ঠিক বিপরীত মেরুতে আছে ভারত। তারা উপমহাদেশের স্পিনবান্ধব উইকেটে খেলতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করে। কিন্তু বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালের ভেন্যুতে যে উইকেট দেখা যাচ্ছে, তাতে খুশি হতে পারে অজিরা। উল্টো দিকে মুখ ভারী হতে পারে ভারতীয়দের।
আরও পড়ুন : কে এগিয়ে ভারত-অস্ট্রেলিয়া দ্বৈরথে
শিরোপা নির্ধারণী ম্যাচে ভারত-অস্ট্রেলিয়া মুখোমুখি হলেও খেলা হচ্ছে নিরপেক্ষ ভেন্যুতে। লন্ডনের কেনিংটন ওভালে পাঁচ দিন চলবে লাল বলের শ্রেষ্ঠত্ব ছিনিয়ে নেওয়ার লড়াই। মাঠের সেই লড়াইয়ে কে শেষ হাসি হাসবেÑ উত্তরটা জানতে অপেক্ষায় থাকতে হচ্ছে। তার আগে হচ্ছে নানা হিসাবনিকাশ। ইংল্যান্ডের কন্ডিশন ও উইকেটে কার সুবিধা হবে, তা নিয়েই চলছে জোর আলোচনা।
দুটো জায়গাতেই এগিয়ে থাকবে অস্ট্রেলিয়া। কারণ লন্ডনের সঙ্গে তাদের উইকেট ও কন্ডিশনে অনেকটাই মিল রয়েছে। ম্যাচ মাঠে গড়ানোর আগের দিন পিচের ছবি বলে দিচ্ছে তা। পিচে এখন সবুজ ঘাস রয়েছে। লড়াই শুরুর আগে ঘাস ছাঁটা না হলে বিপদ হতে পারে রোহিত শর্মাদের জন্য। আর ভারতের সেই সর্বনাশে পৌষ মাস হতে পারে প্যাট কামিন্সদের জন্য।
সন্দেহ নেই, পেস-ঝড় তুলে ভারতীয় ব্যাটারদের বেকায়দায় ফেলতে চাইবে অজিরা। তাদের দলে রয়েছেন সাতজন পেসার। এ মাঠে যে কঠিন পরীক্ষায় পড়তে হবে ভারতকে। সেটা অকপটে স্বীকার করে নিয়েছেন ক্যাপ্টেন রোহিত শর্মা, ‘এ মাঠে আপনি কখনও রিল্যাক্স মুডে খেলতে পারবেন না।’ তবে ভয়ের কোনো কারণ নেই। ভারতের হাতেও রয়েছে দারুণ সব ফাস্ট বোলার। মোহাম্মদ শামি, মোহাম্মদ সিরাজরা যেকোনো সময় ভয়ানক হয়ে উঠতে পারেন প্রতিপক্ষ অস্ট্রেলিয়ার সামনে।
তার চেয়ে বড় চিন্তার বিষয়, কেনিংটন ওভালে ভারতের জয়ের রেকর্ড তেমন ভালো নয়। ১৪টি টেস্ট খেলে জয় পেয়েছে তারা মাত্র দুটিতে। হার মেনেছে পাঁচ ম্যাচে। ড্র করেছে সাতটিতে। অস্ট্রেলিয়া এ মাঠে খুব ভালো কিছু করতে না পারলেও ভারতের চেয়ে তাদের রেকর্ড ভালো। ৩৮ টেস্ট ম্যাচের বিপরীতে অস্ট্রেলিয়া জয় পেয়েছে সাত ম্যাচে। পরাজিত হয়েছে ১৭টিতে। বাকি ১৪ ম্যাচ থেকে গেছে অমীমাংসিত।
তাদের এ পরিসংখ্যান তো স্বাগতিক ইংল্যান্ডের বিপক্ষে। এবার দুই দলের প্রতিপক্ষ ভিন্ন। লড়াইটা অস্ট্রেলিয়া-ভারতের। এখন দেখার বিষয়, কে মাঠে আধিপত্য বিস্তার করতে পারে। তবে কাজটা কারও জন্যই সহজ হবে না। লড়াই হবে সমানে সমানে। খেলা হবে তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ আর জমজমাট।