প্রবা প্রতিবেদক
প্রকাশ : ০৫ জুন ২০২৩ ০৯:০৬ এএম
আপডেট : ০৫ জুন ২০২৩ ০৯:১৪ এএম
শাহাদাত দিপু ও মুশফিক হাসান
সিলেটে ‘এ’ দলের ম্যাচ চলাকালীন শাহাদাত দিপুর ব্যাটিং নিয়ে নির্বাচক হাবিবুল বাশার সুমন বলেছিলেন, ‘ওর ব্যাটিং বেশ ইম্প্রেসিভ।’ নির্বাচকদের নজরকাড়া দিপু এবার জাতীয় দলে। আফগানিস্তানের বিপক্ষে টেস্ট দলে প্রথমবারের মতো জায়গা পেয়েছেন। তার সঙ্গী আরেক তরুণ মুশফিক হাসান।
আরও পড়ুন : ‘শুভেচ্ছাদূত’ হয়ে ঢাকায় আসছেন মার্টিনেজ
ঘরোয়া ক্রিকেটে একরকম আধিপত্য দেখিয়েই জাতীয় দলে ডাক পেয়েছেন। দুইজন তরুণ ক্রিকেটারকে নিয়ে আশাবাদী প্রধান নির্বাচক মিনহাজুল আবেদীন নান্নু। দল ঘোষণার সময় দেওয়া বিবৃতিতে তিনি বলেন, ‘দুজনই অনূর্ধ্ব-১৯ পর্যায়ে খেলেছে। এরপর আমাদের হাই পারফরম্যান্স বিভাগে ছিল। ‘এ’ দলের হয়ে ওরা যথেষ্ট ভালো করেছে। আমরা আত্মবিশ্বাসী, সুযোগ পেলে ওরা ভালো করবে।’
প্রধান নির্বাচকের আস্থার জায়গাটা পরিষ্কার করেছে তাদের সাম্প্রতিক সময়ের ছন্দ। সিলেটে ‘এ’ দলের হয়ে দ্বিতীয় আনঅফিসিয়াল টেস্টে ৭৩ ও ৫০ রানের ইনিংস খেলেন দিপু। ওই টেস্ট চলাকালীন নির্বাচক হাবিবুল বাশার সুমন দিপুকে নিয়ে বলেন, ‘লঙ্গার ভার্সনে যেরকম ব্যাটিং করতে হয়, দিপুকে দেখে ওইরকম মনে হয়েছে। ভেরি অর্গানাইজড, টেকনিকেও বেশ ভালো।’
পাশাপাশি মনে করিয়ে দেন, কঠিন উইকেটেও দারুণ খেলেছেন দিপু। এই নিয়ে সুমন বলেন, ‘উইকেটটা কিন্তু অত সহজ ছিল না। কারণ, সিলেটে দুই ম্যাচেই ৬ মিলি গ্রাস রেখেছি। বেশ সিমিং কন্ডিশন। এই কন্ডিশনে কে কেমন ব্যাটিং করে দেখার বিষয় ছিল।’
শুধু ওয়েস্ট ইন্ডিজ ‘এ’ দলের বিপক্ষে সিরিজ নয়, ঘরোয়া প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে নিজেকে প্রমাণ করেছেন। ২০ প্রথম শ্রেণির ম্যাচে ২ সেঞ্চুরিতে ৩৬.১৪ গড়ে করেছেন ১২৬৫ রান। দিপুর এই পারফরম্যান্সও নির্বাচকদের নজরে পড়েছে। এরই ফলস্বরূপ জাতীয় দলে ডাক পেলেন তিনি। ২০২০ অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপজয়ী দলের সপ্তম সদস্য হিসেবে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অভিষেকের অপেক্ষায় এখন দিপু।
অন্যদিকে দলের আরেক নতুন মুখ মুশফিক হাসানও সাম্প্রতিক সময়ে নিজেকে প্রমাণ করেছেন। ২১ বছর বয়সি এই ডানহাতি পেসার ঘরোয়া ক্রিকেটে আছেন ফর্মের তুঙ্গে। ১৩ প্রথম শ্রেণির ম্যাচে তার শিকার ৪৯ উইকেট। এই সময়ে তিনবার ফাইফারের দেখা পেয়েছেন রংপুর বিভাগের হয়ে জাতীয় লিগে খেলা এই ক্রিকেটার।
সর্বশেষ জাতীয় লিগে ৬ ম্যাচে তার শিকার ছিল ২৫ উইকেট। সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশের পেস বোলিং ইউনিট আছে দারুণ ছন্দে। জাতীয় দলে সুযোগ না পাওয়া ক্রিকেটাররাও যে ভালো করছেন তার প্রমাণ এই মুশফিক। ফলে আফগানিস্তানকে হারাতে পেসারদের ওপরই ভরসা রাখছেন নির্বাচকরা।
মুশফিকসহ পাঁচ পেসারকে দলে ডেকেছেন নির্বাচকরা। যদিও প্রধান নির্বাচকের ব্যাখ্যা- গরমের কারণে পাঁচ পেসারকে নেওয়া হয়েছে, ‘অনেক গরম, সেজন্য দলেই বেশি পেসার রাখা হয়েছে।’