× ই-পেপার প্রচ্ছদ সর্বশেষ বাংলাদেশ রাজনীতি দেশজুড়ে বিশ্বজুড়ে বাণিজ্য খেলা বিনোদন মতামত চাকরি শিক্ষা আজকের কার্টুন ফিচার সকল বিভাগ ছবি ভিডিও লেখক আর্কাইভ কনভার্টার

নতুন অভিষেকের অপেক্ষায় চেমসফোর্ড

প্রবা প্রতিবেদক

প্রকাশ : ০৫ মে ২০২৩ ১৯:০৪ পিএম

আপডেট : ০৫ মে ২০২৩ ১৯:০৫ পিএম

নতুন অভিষেকের অপেক্ষায় চেমসফোর্ড

ইংল্যান্ডের ক্রিকেট মাঠগুলোর মধ্যে লর্ডস, ওভাল কিংবা ট্রেন্টব্রিজের নাম প্রায়শই শোনা যায়। ক্রিকেটপ্রেমীদের কাছে চেমসফোর্ডের নাম পরিচিত না হলেও দীর্ঘ সময় ধরেই এই মাঠে নিয়মিত হয় ক্রিকেট ম্যাচ। লন্ডন থেকে ৪০ মাইল দূরের এই মাঠ ইংলিশ কাউন্টি দল এসেক্স ব্যবহার করে নিজেদের হোম ভেন্যু হিসেবে। বাংলাদেশি দর্শকদের জন্য যেমন নতুন নাম চেমসফোর্ড, ঠিক তেমনই নতুন বাংলাদেশি ক্রিকেটারদের জন্য। নতুন হলেও এই মাঠে এর আগেও খেলার অভিজ্ঞতা আছে বাংলাদেশের। ১৯৯৯ সালের ওয়ানডে বিশ্বকাপের ওই ম্যাচে নিউজিল্যান্ডের কাছে হেরেছিল টাইগাররা। এটাই ছিল ওয়ানডে বিশ্বকাপে বাংলাদেশের প্রথম ম্যাচ। একই বছর বাংলাদেশ-নিউজিল্যান্ড লড়াইয়ের পর হয়েছে মাত্র এক ম্যাচ। এরপর আন্তর্জাতিক ম্যাচের জন্য এসেক্স কাউন্টি ক্রিকেট গ্রাউন্ডের অপেক্ষা প্রায় দুই যুগের। আগামী ৯ মে বাংলাদেশ-আয়ারল্যান্ড ম্যাচ দিয়ে ওই অপেক্ষার অবসান ঘটবে চেমসফোর্ড শহরের এই মাঠের।

আরও পড়ুন - পরিত্যক্ত বাংলাদেশের একমাত্র প্রস্তুতি ম্যাচ

মাত্র সাড়ে ছয় হাজার দর্শক ধারণক্ষমতার এসেক্স ক্লাউডি কাউন্টি ক্রিকেট গ্রাউন্ডের পাশ দিয়ে বয়ে গেছে চেমসফোর্ড শহরকে বিভক্ত করা নদী রিভার ক্যান। নদীর কারণে মাঝেমধ্যেই মাঠের ওপর দিয়ে বয়ে যায় জোরালো হাওয়া। খেলার সময় মেঘলা আকাশ আর জোরালো হাওয়ার সুবিধা পান পেসাররা। তাই এসেক্সের উইকেটকে বলা হয় পেসারদের জন্য স্বর্গ।

শুধু পেসার নয়, ব্যাটারদের জন্যও বাড়তি সুবিধা আছে এসেক্স কাউন্টি ক্রিকেট গ্রাউন্ডে। উইকেট থেকে সোজাসুজিভাবে সীমানার দূরত্ব বেশ কম। দুই প্রান্তের একপাশে ৫৫ মিটার আর অন্য পাশে ৬৪ মিটার। ফলে ছক্কাবৃষ্টি এই মাঠে নতুন কিছু নয়। টি-টোয়েন্টি ব্লাস্ট কিংবা ওয়ানডে ফরম্যাটে এই মাঠে হয় বড় বড় সংগ্রহ।

অন্য সাধারণ ক্রিকেট মাঠের মতো গোলাকার নয় এসেক্সের এই মাঠ। ইংল্যান্ডের বেশিরভাগ মাঠই অবশ্য এ রকম এবড়োখেবড়ো আকৃতির। একেক পাশে একেক আকৃতি হওয়ায় সীমানার দূরত্ব কিছু ক্ষেত্রে অনেকাংশেই কমেছে। তবে এই মাঠে ফাইন লেগ বা লং অফ অঞ্চলে রান করতে কিছুটা বেগ পেতে হবে ব্যাটারদের। দুই প্রান্ত থেকে ফাইন লেগ ও লং অফ অঞ্চলের দূরত্ব যথাক্রমে ৭৭ ও ৬৭ মিটার। সেটা অবশ্য পুষিয়ে দেবে সোজাসুজি থাকা ছোট সীমানা। এই সুবিধায় এসেক্সের মাঠে ব্যাটাররা তৈরি করেন রানবন্যা।

এসেক্স ক্লাউডি কাউন্টি ক্রিকেট গ্রাউন্ডের অভিষেক ১৯৮৩ বিশ্বকাপে। ভারত-অস্ট্রেলিয়ার ওই ম্যাচ ছিল এই মাঠের প্রথম ওয়ানডে। ১৬ বছর অপেক্ষার পর আরও দুই ওয়ানডে হয়েছে ওই মাঠে। ম্যাচ দুটি অনুষ্ঠিত হয় ১৯৯৯ বিশ্বকাপে। ওই বছর প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপ খেলতে যাওয়া বাংলাদেশ একটি ম্যাচ খেলেছিল এই মাঠে। নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ওই ম্যাচে ৬ উইকেটে হেরেছিল বাংলাদেশ। শেষ ২৩ বছরে ছেলেদের আন্তর্জাতিক ম্যাচ আয়োজন না করলেও নিয়মিতই মেয়েদের ম্যাচ হয় এই মাঠে। নারীদের ১৮টি আন্তর্জাতিক ম্যাচ আয়োজন করেছে এসেক্স কাউন্টি ক্রিকেট গ্রাউন্ড।

আন্তর্জাতিক ম্যাচ আয়োজনের জন্য এসেক্স কাউন্টি ক্রিকেট গ্রাউন্ডের অপেক্ষাটা চাতকপাখির মতো হলেও মাঠটি বেশ পুরোনো। ১৯৩৩ সাল থেকে নিয়মিত প্রথম শ্রেণি ও লিস্ট ‘এ’ ম্যাচ হচ্ছে এই মাঠে। শুরু থেকে এসেক্স কাউন্টি ক্লাব তাদের ঘরের মাঠ হিসেবে এই মাঠকেই ব্যবহার করছে।

শেয়ার করুন-

মন্তব্য করুন

Protidiner Bangladesh

সম্পাদক : মারুফ কামাল খান

প্রকাশক : কাউসার আহমেদ অপু

রংধনু কর্পোরেট, ক- ২৭১ (১০ম তলা) ব্লক-সি, প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড) ঢাকা -১২২৯

যোগাযোগ

প্রধান কার্যালয়: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৬৯৬ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (প্রিন্ট): +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮১০, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০ | ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (অনলাইন): +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০, +৮৮০১৭৯৯৪৪৯৫৫৯ । ই-মেইল: [email protected]

সার্কুলেশন: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮০৭, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৩৩২ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন মূল্য তালিকা