প্রবা প্রতিবেদক
প্রকাশ : ২৯ এপ্রিল ২০২৩ ২১:২৮ পিএম
আপডেট : ২৯ এপ্রিল ২০২৩ ২৩:৩৮ পিএম
কোচ বদলে ভাগ্যটাও যেন রীতিমতো বদলে ফেলল মোহামেডান। মাঝ মৌসুমে আলফাজ আহমেদকে আনা হলো কোচ করে, এরপর থেকেই মোহামেডান রীতিমতো অপ্রতিরোধ্য। হারেনি একটি ম্যাচেও। সুলেমান দিয়াবাতের জোড়া গোলে সবশেষ হারাল চট্টগ্রাম আবাহনীকে। আজকের ২-১ গোলের এই জয়ের মাহাত্ম্যটা আছে বেশ। জয়টা যে তাদের নিয়ে এসেছে বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের তৃতীয় স্থানে!
ঈদের আগে শেষ ম্যাচেও চট্টগ্রাম আবাহনীকে হারিয়েছিল মোহামেডান। ফেডারেশন কাপের কোয়ার্টার ফাইনালে সেই জয়ের পর এবার লিগেও তাদের হারিয়েছে আলফাজ আহমেদের দল।
লিগে নিজেদের সবশেষ ম্যাচে ড্র করেছিল সাদা-কালোরা। পুলিশ এফসি ১-১ গোলে রুখে দিয়েছিল তাদের। লিগে জয়ে ফেরার দিনেও দাপুটে ফুটবলটা ঠিক খেলতে পারেনি দলটি। মুন্সীগঞ্জের শহীদ বীরশ্রেষ্ঠ ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমান স্টেডিয়ামে স্বাভাবিক খেলাটাও খানিকটা ব্যাহত হয়েছিল তাদের।
আরও পড়ুন:
শুরুর অর্ধে গোল পায়নি মোহামেডান। দ্বিতীয়ার্ধেও অপেক্ষা করতে হয়েছে ৬০ মিনিট পর্যন্ত। প্রতিপক্ষ বিপৎসীমায় ফাউলের শিকার হলে পেনাল্টি পায় দলটি। পেনাল্টি থেকে গোল করে দলকে এগিয়ে দেন সুলেমান দিয়াবাতে।
সেই এক গোলের পর দ্বিতীয় গোলটা শিগগিরই পেয়েছে সাদা-কালোরা৷ ৭৪ মিনিটে ব্যবধান দ্বিগুণ করল মোহামেডান। এবারও গোলদাতা সেই সুলেমানই। হ্যাটট্রিকটাও হয়ে যেত তার, সেটা যে হয়নি তাতে দায় আছে তার দুর্ভাগ্যেরও। একাধিকবার যে তার শট লেগেছে ক্রসবারে! না হয় তার হ্যাটট্রিক তো বটেই, রীতিমতো গোলোৎসবই হতো মোহামেডানের।
সেটা হয়নি বলেই মোহামেডানকে ধুঁকতে হয়েছে খানিকটা। ৮১ মিনিটে ব্যবধান কমায় চট্টগ্রাম আবাহনী। আর একটা গোল হলেই যে ম্যাচটা ড্র করতে হতো দিয়াবাতেদের। চোখরাঙানি দিচ্ছিল আলোক স্বল্পতাও। তবে এই দুই রক্তচক্ষু এড়িয়ে মোহামেডান শেষমেশ ঠিকই মাঠ ছেড়েছে ২-১ গোলের জয় নিয়ে।
এই জয়ের ফলে ১৩ ম্যাচ শেষে ১৯ পয়েন্ট নিয়ে মোহামেডান চলে এসেছে লিগ তালিকার তৃতীয় স্থানে। তাদের ওপরে এখন কেবল আবাহনী ও বসুন্ধরা কিংস। চারে থাকা শেখ জামাল ধানমন্ডি ক্লাবের পয়েন্টও সমান, তবে গোল ব্যবধানে মোহামেডান আছে তাদের ওপরে। পাঁচে থাকা শেখ রাসেল ক্রীড়া চক্র এক ম্যাচ কম খেলে অর্জন করেছে ১৮ পয়েন্ট। তবে পরের ম্যাচেই তারা মুখোমুখি মোহামেডানের, সেই ম্যাচের ফলই গড়ে দিতে পারে লিগের শীর্ষ চারের চূড়ান্ত ভাগ্য।