প্রবা প্রতিবেদক
প্রকাশ : ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৩ ১৮:০৭ পিএম
আপডেট : ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৩ ১৮:৪২ পিএম
বাংলাদেশ দলের সাফজয়ী অধিনায়ক রজনী কান্ত বর্মণ এখন বিস্মৃতপ্রায়। দুর্ঘটনায় পা হারাতে বসেছিলেন রীতিমতো। সে যাত্রায় পা খোয়াতে না হলেও কর্মক্ষমতা হারিয়ে ফেলেছেন তিনি। এখন তার দিন কাটছে প্রায় দীনহীন অবস্থায়।
বাংলাদেশ ফুটবলের সাবেক তারকার এমন পরিণতিতে দুঃখ প্রকাশ করেছেন তার সাফজয়ী দলের সতীর্থ আলফাজ আহমেদ, ‘তার ক্যারিয়ারের পুরোটা সময়ই ছিল সাফল্যের। সাফ জিতেছেন, সেই দলের অধিনায়কও ছিলেন তিনি। দেশকে ইতিহাসের সবচেয়ে বড় সাফল্যটা এনে দিয়েছেন তিনি। সেই তার এমন অবস্থা সত্যিই দুঃখজনক।’
তবে তার এই নীরবে নিভৃতে ধুঁকতে থাকাকে আলফাজ দেখছেন যোগাযোগের অভাব হিসেবে। বললেন, ‘তিনি আসলে নিজেকে লুকিয়ে রাখতেন। প্রচারের বাইরে থাকতেন। ছিলেনও ভারতে। দুর্ঘটনার পর তিনি চলে আসেন দেশে। এর দুই মাস পর স্ত্রীকে হারান। এরপর থেকে যোগাযোগটা তেমন ছিল না, তার যে এ অবস্থা, সেটা কেউ জানত না। এখানে আসলে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের দোষও নেই, তারও নেই। পরিস্থিতিটা এমন হয়ে গেছে আরকি।’
আরও পড়ুন-
এই পরিস্থিতিতে রজনী কান্তর জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পক্ষ থেকে সাহায্য কামনা করেছেন আলফাজ। বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী খেলাধুলার বিষয়ে বেশ যত্নবান। অতীতেও অনেককে সাহায্য করেছেন, করে চলেছেন। হয়তো তার কাছে গেলে তার সমস্যাটার সমাধান মিলতে পারে।’
খেলোয়াড় কল্যাণ সমিতি থেকে একটা সাহায্য পাওয়া সম্ভব ছিল রজনী কান্তর। তবে সে সমিতির পুরোনো কমিটি নিষ্ক্রিয় হয়ে আছে, জানালেন আলফাজ। নতুন কমিটি হচ্ছে না অনেকদিন ধরেই। এমনকি আগের ফান্ডও আটকে আছে এখনও।
তিনি বলেন, ‘খেলোয়াড় কল্যাণ সমিতি আগে দেখা যেত দলবদল না হলে সোচ্চার হতো। দলবদলের জন্য চাপ দিত। কিন্তু এখন সেটা নিষ্ক্রিয় হয়ে আছে বহুদিন ধরে। এটা আগেও আর্থিকভাবে সচ্ছল ছিল না। এখন তো নয়ই। যদি এখানে শক্ত নেতৃত্ব আসত, তাহলে হয়তো পরিস্থিতিটা বদলাতে পারত।’
এক্ষেত্রে নতুন প্রজন্মের খেলোয়াড়দের নিষ্ক্রিয়তাকেই বেশি দায় দিলেন তিনি, ‘বর্তমান খেলোয়াড় যারা আছে, তাদের বহুবার বলা হয়েছে সমিতিতে আসার জন্য। তারা আসে না। তো কমিটিটাও থমকে আছে।’