× ই-পেপার প্রচ্ছদ সর্বশেষ বাংলাদেশ রাজনীতি দেশজুড়ে বিশ্বজুড়ে বাণিজ্য খেলা বিনোদন মতামত চাকরি শিক্ষা আজকের কার্টুন ফিচার সকল বিভাগ ছবি ভিডিও লেখক আর্কাইভ কনভার্টার

ব্যাংক খাত

ভার্চুয়াল আর্থিক প্রতিষ্ঠান কঠোর নিয়ন্ত্রণের প্রয়োজন

নিরঞ্জন রায়

প্রকাশ : ৩০ জানুয়ারি ২০২৬ ১০:৪৫ এএম

আপডেট : ৩০ জানুয়ারি ২০২৬ ১০:৪৯ এএম

নিরঞ্জন রায়, সার্টিফাইড অ্যান্টি-মানি লন্ডারিং স্পেশালিস্ট ও ব্যাংকার, টরন্টো, কানাডা।

নিরঞ্জন রায়, সার্টিফাইড অ্যান্টি-মানি লন্ডারিং স্পেশালিস্ট ও ব্যাংকার, টরন্টো, কানাডা।

সম্প্রতি প্রতিদিনের বাংলাদেশ পত্রিকায় মোবাইল আর্থিক সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান, বিকাশের মাধ্যমে ব্যাপক অনিয়ম এবং মানি লন্ডারিং অপরাধ সংঘটনের ওপর এক বিস্তারিত প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে। বাংলাদেশ ফিন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিটের (বিএফআইইউ) এক অনুসন্ধানী প্রতিবেদনের ওপর ভিত্তি করে সংবাদটি প্রকাশিত হয়েছে, যেখানে অর্থ পাচার এবং মানি লন্ডারিং সংক্রান্ত অনেক উদ্বেগজনক তথ্য উঠে এসেছে। বিকাশের আর্থিক সেবা ব্যবহার করে একটি ডিস্ট্রিবিউটরের মাধ্যমে প্রায় ২২ হাজার কোটি টাকার সন্দেহভাজন লেনদেন সংঘটিত হয়েছে। শুধু তাই নয়, এই বিশাল অঙ্কের সন্দেহভাজন লেনদেনের পিছনে ১১৮টি এজেন্ট জড়িত ছিল বলে অভিযোগ উঠেছে। এমনকি রাতের নির্দিষ্ট একটি সময়ে বিশেষ কিছু অঞ্চলে এসব লেনদেন সম্পন্ন হয়েছে। সন্দেহভাজন লেনদেন বা মানি লন্ডারিং অপরাধের যেসব আলামত থাকে, তার সবই এই অস্বাভাবিক লেনদেনের ক্ষেত্রে বিদ্যমান আছে। এ কারণেই বিএফআইইউ বিষয়টি অনুসন্ধান করে বিশেষ প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে এবং ক্রিমিনাল ইনভেস্টিগেশন ডিপার্টমেন্ট (সিআইডি) অধিকতর তদন্ত শুরু করেছে। 

বেশ কয়েক বছর আগে যখন ব্যাংক-বহির্ভূত ভার্চুয়াল লেনদেনকে বাংলাদেশে জনপ্রিয় এবং সহজ করে তোলার উদ্দেশ্যে বিকাশ এবং নগদের কার্যক্রম ব্যাপক প্রসারিত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়, তখন আমি স্থানীয় বাংলা এবং ইংরেজি পত্রিকায় একাধিক কলাম লিখেছিলাম। আমার লেখায় এই ধরনের ভার্চুয়াল লেনদেনের সঙ্গে জড়িত ঝুঁকি এবং সেই ঝুঁকি লাঘবের উপায়গুলো সুস্পষ্টভাবে উল্লেখ করেছিলাম, যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে; ১. আর্থিক জালিয়াতি এবং সাধারণ গ্রাহকদের ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার সম্ভাবনা, ২. বিদেশে অর্থ পাচার এবং মানি লন্ডারিং অপরাধের সুযোগ অবারিত হওয়া এবং ৩. দেশের আর্থিক খাতের সুনাম ক্ষুণ্ন এবং ঝুঁকির মধ্যে পড়া। এতদিন পরে এসে এখন এসব অনিয়মের খবর প্রকাশ পেতে শুরু করেছে। আসলে মোবাইল আর্থিক সেবাপ্রদানকারী প্রতিষ্ঠান, বিকাশ এবং নগদের কার্যক্রম বিস্তৃতি লাভ করার সঙ্গে সঙ্গেই এর মাধ্যমে দেশ থেকে অর্থ পাচার এবং মানি লন্ডারিং অপরাধের মাত্রা বেড়ে গেছে। সব ঘটনা নিশ্চয়ই চিহ্নিত হয় না এবং কর্তৃপক্ষের দৃষ্টিতেও আসে না। যখন সংঘবদ্ধভাবে বিশাল অঙ্কের ঘটনা ঘটে, তখনই বিষয়টি নিয়ে তদন্ত হয়।  আরও পড়ুন... বিকাশ

আমার এমন মন্তব্যের সঙ্গে অনেকেই একমত হবেন না এবং এমনকি মোবাইল আর্থিক সেবাপ্রদানকারী প্রতিষ্ঠান তো মানতেই চাইবে না। তাদের জ্ঞাতার্থে বিষয়টি স্পষ্ট করে উল্লেখ করছি। প্রবাস থেকে যখন দেশে অর্থ প্রেরণের জন্য কোনো মানি চেঞ্জার অথবা বিকাশ বা নগদ এজেন্টের কাছে যেয়ে ব্যাংকের মাধ্যমে অর্থ প্রেরণের কথা বলা হয়, তখন তারা সরাসরি অস্বীকার না করে প্রবাসীদের বলার চেষ্টা করে যে ব্যাংকের মাধ্যমে পাঠালে সাত থেকে দশ দিন সময় লাগবে, অথচ বিকাশের মাধ্যমে পাঠালে কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই টাকা প্রাপকের কাছে পৌঁছে যাবে। অধিকাংশ প্রবাসী ব্যাংকের মাধ্যমে এবং বিকাশের মাধ্যমে অর্থ প্রেরণের মধ্যকার মৌলিক পার্থক্য, অর্থাৎ তাদের কষ্টার্জিত অর্থ দেশে পৌঁছার গুরুত্ব সেভাবে বুঝতে চায় না এবং তাদের বোঝার কথাও নয়। তাদের কাছে প্রেরিত অর্থ দ্রুত নিকটজনের কাছে পৌঁছাই মূল কথা। এই যে ব্যাংকের মাধ্যমে না পাঠিয়ে বিকাশের মাধ্যমে কয়েক ঘণ্টার মধ্যে প্রাপ্রকের কাছে অর্থ পাঠানোর সুযোগ, তার মধ্যেই লুকিয়ে আছে হুন্ডি, যার মাধ্যমে অর্থ পাচারের ঘটনা ঘটে, যা মূলত মানি লন্ডারিং। 

প্রবাসীদের প্রেরিত অর্থ সত্যিকারভাবে দেশে প্রত্যাবাসন হবে তখনই, যখন সেই অর্থ দেশের কোনো একটি ব্যাংক বা বাংলাদেশ ব্যাংকের হিসাবে জমা করার বিপরীতে প্রাপককে অর্থ প্রদান করা হবে, তা সে ব্যাংকের মাধ্যমেই হোক বা বিকাশের মতো ভার্চুয়াল সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমেই হোক। এই পদ্ধতিতে লেনদেন সম্পন্ন হতে কমপক্ষে দুই থেকে তিন দিন সময় লাগে। এর আগে কোনোভাবেই সম্ভব নয়। কেননা দুই থেকে তিনটি ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠানের সংশ্লিষ্টতা থাকে। তাই কয়েক ঘণ্টার মাধ্যমে দেশে যে অর্থ প্রেরণের সুযোগ বিভিন্ন এক্সচেঞ্জ হাউস বা অর্থ প্রেরণকারী প্রতিষ্ঠান থেকে দেওয়া হয়, তা মূলত হুন্ডি। এই ব্যবস্থার মাধ্যমে যারা দেশ থেকে অর্থ পাচার করতে আগ্রহী, তাদের অর্থ দেশীয় টাকায় গ্রহণ করে প্রবাস থেকে বিকাশ বা মোবাইল আর্থিক সেবাপ্রদানকারী প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রেরিত অর্থের বিনিময়ে পরিশোধ করে দেওয়া হয়। আর এই রেমিট্যান্সের জন্য প্রদত্ত ডলার বিদেশে রেখে দিয়ে দেশ থেকে পাচারকারীকে কমিশন বা লাভ রেখে প্রদান করা হয়। 

এই ধরনের লেনদেন ব্যাংকের মাধ্যমে সম্পন্ন করা এখন বেশ কঠিন বা বলা চলে প্রায় অসম্ভব। ফলে এই কাজের সঙ্গে জড়িত ব্যক্ত বা প্রতিষ্ঠান বিকাশের মতো ভার্চুয়াল আর্থিক সেবাপ্রদানকারী প্রতিষ্ঠানকে বেছে নেয়। কারণ এখানে কমপ্লায়েন্সের মান খুবই দুর্বল। নামমাত্র একটি আইডি বা শুধুমাত্র জাতীয় পরিচয়পত্র দিয়েই মুহূর্তের মধ্যে হিসাব খুলে ইচ্ছামতো লেনদেন করা যায়, বিশেষ করে অর্থ প্রেরণের মতো জটিল লেনদেন খুব সহজে করা যায়। এসব ভার্চুয়াল আর্থিক সেবাপ্রদানকারী প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে লেনদেন করার সময় ‘তোমার গ্রাহককে জান’ অর্থাৎ কেওয়াইসি বা ‘নো ইউর কাস্টমার’, ‘তোমার গ্রাহকের গ্রাহককে জান’ অর্থাৎ কেওয়াইসিসি বা ‘নো ইউর কাস্টমারস কাস্টমার’, ডিউ ডিলিজেন্স, ইনহ্যান্সড ডিউ ডিলিজেন্সের মতো গুরুত্বপূর্ণ কোনোকিছুই সেভাবে অনুসরণ করা হয় না। অথচ এসব বিষয় ব্যাংকিং লেনদেনের ক্ষেত্রে বাধ্যতামূলক এবং কঠোরভাবে অনুসরণ করা হয়। শুধু তাই নয়, ব্যাংকের ক্ষেত্রে যেমন নগদ লেনদেন প্রতিবেদন বা সিটিআর (ক্যাশ ট্রানজেকশন রিপোর্ট) এবং সন্দেহভাজন লেনদেন প্রতিবেদন বা এসটিআর (সাসপিসিয়াস ট্রানজেকশন রিপোর্ট) যেভাবে দাখিল এবং পর্যালোচনা করা হয়, বিকাশের মতো ভার্চুয়াল আর্থিক সেবাপ্রদানকারী প্রতিষ্ঠানের লেনদেনের ক্ষেত্রে সেভাবে পরিপালন করা হয় না নিশ্চয়ই। এ কারণেই উন্নত বিশ্ব তো বটেই, অনেক উন্নয়নশীল দেশের ব্যাংকের কাছে একচেঞ্জ হাউস এবং ভার্চুয়াল আর্থিক সেবাপ্রদানকারী প্রতিষ্ঠান সর্বোচ্চ ঝুঁকির গ্রাহক হিসেবে চিহ্নিত।

সম্প্রতি বাংলাদেশ ফিন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট বিকাশের মাধ্যমে সংঘটিত হওয়া বিশাল অঙ্কের যে সন্দেহভাজন লেনদেন চিহ্নিত করেছে এবং সিআইডি যে বিষয়টি নিয়ে তদন্ত শুরু করেছে, সেটি নিঃসন্দেহে একটি প্রশংসনীয় উদ্যোগ। কিন্তু এভাবে ঘটনা ঘটার পর তদন্ত করে অর্থ পাচার এবং মানি লন্ডারিং অপরাধ কতটা বন্ধ করা যাবে, তা নিয়ে যথেষ্ট সন্দেহ আছে। কেননা ভার্চুয়াল আর্থিক সেবাপ্রদানকারী প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে খুব সহজে অর্থ লেনদেন বা স্থানান্তরের সুযোগ অব্যাহত থাকলে, এই ধরনের আর্থিক অনিয়ম চলতেই থাকবে। কোনো অবস্থাতেই বন্ধ করা সম্ভব হবে না। এসব আর্থিক অপরাধ বা অর্থ পাচারের মতো মানি লন্ডারিং অপরাধ বন্ধ করতে হলে, বিকাশ এবং নগদের মতো ভার্চুয়াল আর্থিক সেবাপ্রদানকারী প্রতিষ্ঠানকে কঠোর নিয়ন্ত্রণের মধ্যে নিয়ে আসতে হবে।

কঠোর নিয়ন্ত্রণের মধ্যে যে বিষয়গুলো উল্লেখযোগ্যভাবে থাকা প্রয়োজন, তা হচ্ছে ১. যে সকল গ্রাহকের আর্থিক লেনদেন মাসে দশ হাজার টাকার অধিক হবে, তাদের হিসাব খোলার সময় অতিরিক্ত কঠোরতা বা ডিউ ডিলিজেন্স মেনে চলার বাধ্যবাধকতা, ২. সরকারি সংস্থা বা প্রতিষ্ঠিত কোম্পানির পক্ষে অর্থ প্রদানের ক্ষেত্রে বিধিনিষেধ শিথিল থাকলেও অপ্রতিষ্ঠিত কোম্পানি বা সংস্থার পক্ষে অর্থ প্রদানের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ সীমা কোনো অবস্থাতেই দশ হাজার টাকা এবং মাসে দুইবারের বেশি হওয়ার সুযোগ না রাখা, ৩. ব্যক্তিকে নগদ অর্থ প্রদানের সীমা দশ হাজারের বেশি এবং মাসে দুবারের বেশি হওয়া উচিত নয়, ৪. দশ হাজার টাকর বেশি বা মাসে দুইবারের অধিক লেনদেন প্রাপকের ব্যাংক হিসাবের মাধ্যমে প্রদানের বাধ্যবাধকতা থাকা, ৫. বিকাশ এবং নগদসহ যেসব ভার্চুয়াল আর্থিক সেবাপ্রদানকারী প্রতিষ্ঠান কার্যক্রম পরিচালনা করছে, তাদের প্রত্যেককে কেন্দ্রীয় ক্লিয়ারিং হিসাবের মাধ্যমে লেনদেন সম্পন্ন করার বাধ্যবাধকতা এবং ৫. বিদেশ থেকে প্রেরিত রেমিট্যান্সের বিপরীতে অর্থ প্রদানের ক্ষেত্রে তার বিপরীতে নির্দিষ্ট পরিমাণ ডলার বা বৈদেশিক মুদ্রা দেশের কোনো একটি বাণিজ্যিক ব্যাংক বা বাংলাদেশ ব্যাংকে জমা হওয়ার প্রমাণ নিশ্চিত করা। এ ছাড়া ব্যাংকের মতো নগদ লেনদেন প্রতিবেদন বা সিটিআর এবং সন্দেহভাজন লেনদেন প্রতিবেদন বা এসটিআর দাখিল এবং পর্যালোচনা করার বাধ্যবাধকতা নিশ্চিত করা প্রয়োজন। এসব নিয়ন্ত্রণমূলক ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে সম্পূর্ণ ডিজিটাল পদ্ধতিতে। বিষয়গুলো কীভাবে কাজ করে এবং কীভাবে এসব নিয়ন্ত্রণ প্যারামিটার প্রয়োগ করা সম্ভব, তা ব্যাখ্যা করতে গেলে বিস্তারিত আলোচনার প্রয়োজন, যার সুযোগ এখানে নেই, তাই অন্য কোনো পরিসরে বিষয়গুলো তুলে ধরার ইচ্ছা রইল। 

এখানে বলে রাখা ভালো যে বিকাশ বা নগদের মতো ভার্চুয়াল আর্থিক সেবাপ্রদানকারী প্রতিষ্ঠান পরিচালনা করা হয় দ্রুত অল্প পরিমাণের লেনদেন সম্পন্ন করার উদ্দেশ্যে। এসব প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে বৃহৎ অঙ্কের লেনদেন বা অর্থ প্রেরণের সুযোগ থাকে না। এ ক্ষেত্রে ওয়েস্টার্ন ইউনিয়ন একটি বড় উদাহরণ। এই প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে বিশ্বের যেকোনো প্রান্তরে অর্থ প্রেরণ করা যায়। কিন্তু সেসব লেনদেনের পরিমাণ খুবই সীমিত। কেউ যদি এক লাখ ডলার পাঠাতে চায়, তখন তাকে ব্যাংকের মাধ্যমে পাঠাতে হবে। ওয়েস্টার্ন ইউনিয়ন বা এরকম অন্য কোনো প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে এত বড় অঙ্কের অর্থ প্রেরণ করা সম্ভব নয়। এ কারণেই ভার্চুয়াল আর্থিক সেবাপ্রদানকারী প্রতিষ্ঠানকে অপব্যবহার করে এর মাধ্যমে সংঘটিত অর্থ পাচার এবং মানি লন্ডারিং অপরাধ বন্ধ করতে হলে বিকাশ এবং নগদের মতো প্রতিষ্ঠানকে কঠোর নিয়ন্ত্রণের অধীনে নিয়ে আসা প্রয়োজন। আশা করব, বাংলাদেশ ব্যাংক বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করে এ ব্যাপারে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণ করবে।



নিরঞ্জন রায়

সার্টিফাইড অ্যান্টি-মানি লন্ডারিং স্পেশালিস্ট ও ব্যাংকার, টরন্টো, কানাডা 

শেয়ার করুন-

মন্তব্য করুন

Protidiner Bangladesh

সম্পাদক : মারুফ কামাল খান

প্রকাশক : কাউসার আহমেদ অপু

রংধনু কর্পোরেট, ক- ২৭১ (১০ম তলা) ব্লক-সি, প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড) ঢাকা -১২২৯

যোগাযোগ

প্রধান কার্যালয়: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৬৯৬ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (প্রিন্ট): +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮১০, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০ | ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (অনলাইন): +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০, +৮৮০১৭৯৯৪৪৯৫৫৯ । ই-মেইল: [email protected]

সার্কুলেশন: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮০৭, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৩৩২ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন মূল্য তালিকা