প্রবা প্রতিবেদক
প্রকাশ : ০৯ জুন ২০২৩ ১৬:৩২ পিএম
আপডেট : ০৯ জুন ২০২৩ ১৬:৫৯ পিএম
সিরাজুল আলম খান ও জিএম কাদের। সংগৃহীত ফটো
মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক, স্বাধীনতার নিউক্লিয়াসের প্রতিষ্ঠাতা ও তাত্ত্বিক রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব সিরাজুল আলম খানের মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন জাতীয় পার্টি চেয়ারম্যান ও বিরোধীদলীয় উপনেতা জিএম কাদের।
শোকবার্তায় তিনি বলেন, ’স্বাধীনতা-সংগ্রামে সিরাজুল আলম খানের অবদান অনস্বীকার্য। তিনি আজীবন দেশ ও মানুষের কল্যাণে কাজ করেছেন।’
শুক্রবার (৯ জুন) দুপুর আড়াইটায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের (ঢামেক) নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে লাইফ সাপোর্টে থাকা অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
ঢামেক হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল নাজমুল হক বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
৮২ বছর বয়সি সিরাজুল আলম খান উচ্চ রক্তচাপ, শ্বাসকষ্ট, ফুসফুসে সংক্রমণসহ নানা শারীরিক জটিলতায় ভুগছিলেন।
আরও পড়ুন : মায়ের শাড়ি মুড়িয়ে চিরনিদ্রায় শায়িত হবেন সিরাজুল আলম খান
সিরাজুল আলম খানের জন্ম ১৯৪১ সালের ৬ জানুয়ারি নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ উপজেলার আলীপুর গ্রামে। ১৯৫৬ সালে খুলনা জিলা স্কুল থেকে প্রথম বিভাগে এসএসসি পাস করেন। তারপর ঢাকা কলেজ থেকে ১৯৫৮ সালে এইচএসসি পাস করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে গণিত বিভাগে সম্মান শ্রেণিতে ভর্তি হন। গণিতে স্নাতক ডিগ্রি নেওয়ার পর ‘কনভোকেশন মুভমেন্টে’ অংশগ্রহণের কারণে তাকে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বহিষ্কার করা হয়। ১৯৬১ সালে তিনি ছাত্রলীগের সহসাধারণ সম্পাদক হন। ১৯৬৩ সালে ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন। ১৯৬৩-৬৪ এবং ১৯৬৪-৬৫ এ দুই সেশনে তিনি ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। ১৯৬২-৭১ পর্যন্ত ছাত্র আন্দোলন, ছয় দফা আন্দোলন, আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা প্রত্যাহার আন্দোলন, ১১ দফা আন্দোলন পরিকল্পনা ও কৌশল প্রণয়নের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন তিনি। মার্কসবাদে বিশ্বাসী সিরাজুল আলম খান ১৯৯৬-৯৭ সালে যুক্তরাষ্ট্রের উইসকনসিন রাজ্যের অসকস বিশ্ববিদ্যালয়ে রাষ্ট্রবিজ্ঞানের অধ্যাপক হিসেবে নিযুক্ত হন।