প্রবা প্রতিবেদন
প্রকাশ : ২৩ নভেম্বর ২০২২ ১৮:৫৮ পিএম
প্রশান্ত কুমার হালদার। ফাইল ছবি
অর্থপাচার
ও অবৈধ
সম্পদ অর্জনের
অভিযোগে করা
মামলায় গ্লোবাল
ইসলামী ব্যাংকের
(সাবেক
এনআরবি গ্লোবাল
ব্যাংক) সাবেক
ব্যবস্থাপনা পরিচালক
প্রশান্ত কুমার
(পিকে)
হালদারসহ
১৪ জনের
বিরুদ্ধে আদালতে
সাক্ষ্য দিয়েছেন
১০ ব্যাংক
কর্মকর্তা।
বুধবার
(২৩
নভেম্বর) তারা
ঢাকার বিশেষ জজ
আদালত-১০
এর বিচারক
মোহাম্মদ নজরুল
ইসলামের আদালতে
এ সাক্ষ্য
দেন।
প্রতিদিনের
বাংলাদেশকে বিষয়টি নিশ্চিত
করেছে সংশ্লিষ্ট
আদালতের
একটি সূত্র।
সাক্ষীরা
হলেন ব্যাংক
এশিয়ার এভিপি
নাসির উদ্দিন,
সিনিয়র
এক্সিকিউটিভ অফিসার
মনজুরুল হক,
এভিপি নাইমুর
রহমান, এফএভিপি
আসিফুজ্জামান খান,
এফভিপি
মাসুদুর রহমান,
সিনিয়র
অফিসার সালমান,
এফএভিপি
গোলাম রাব্বানী,
এফভিপি সৈয়দ
আসাদ আহমেদ,
এভিপি সুজায়েত
খান মাহতাব
ও ভিপি
শেখ মুনীরুল
হাকিম।
এদিন
কারাগারে আটক
চার আসামিকে
আদালতে হাজির
করা হয়।
তাদের উপস্থিতিতে
সাক্ষ্য গ্রহণ শুরু
হয়। জবানবন্দি
শেষ হলে
আসামিপক্ষের
আইনজীবীরা সাক্ষীদের
জেরা করেন।
জেরা শেষ
হলে আদালত
পরবর্তী সাক্ষ্যগ্রহণের
জন্য আগামী
৩০ নভেম্বর
দিন ঠিক
করেন।
এ
মামলার আসামিরা
হলেন পিকে হালদারের
মা লীলাবতী
হালদার, পূর্ণিমা
রানী হালদার,
উত্তম কুমার
মিস্ত্রি, অমিতাভ
অধিকারী, প্রিতিশ
কুমার হালদার,
রাজিব সোম,
সুব্রত দাস,
অনঙ্গ মোহন
রায় স্বপন
কুমার মিস্ত্রি,
অবন্তিকা
বড়াল, শংখ
বেপারী, সুকুমার
মৃধা ও
অনিন্দিতা মৃধা।
এদের
মধ্যে আসামি
অবন্তিকা বড়াল,
শংখ বেপারী,
সুকুমার
মৃধা এবং
অনিন্দিতা মৃধা
কারাগারে আটক
রয়েছেন।
মামলার ১০
আসামি পলাতক
রয়েছেন।
২০২০
সালের ৮
জানুয়ারি পি
কে হালদারের
বিরুদ্ধে প্রায়
২৭৫ কোটি
টাকা অবৈধ
সম্পদ অর্জন
ও অর্থ
পাচারের অভিযোগে
মামলা করে
দুদক। এরপর
তদন্ত করে
দুদক পিকে
হালদারসহ ১৪
জনের বিরুদ্ধে
অভিযোগপত্র
দেয়।
দুদকের
অভিযোগপত্রে বলা
হয়, পি
কে হালদার
নামে-বেনামে
ঢাকা, নারায়ণগঞ্জ,
নরসিংদীসহ
দেশের বিভিন্ন
স্থানে ৬
হাজার ৭৯০
শতাংশ জমি
কিনেছেন। এ
সম্পদের বাজারমূল্য
দেখানো হয়েছে
৩৯১ কোটি
৭৫ লাখ
৮১ হাজার
১২ টাকা।
বর্তমান বাজারদর
অনুযায়ী এ
সম্পদের মূল্য
প্রায় ৯৩৩
কোটি টাকা।
এর মধ্যে
নিজের নামে
তিনি জমি
কিনেছেন ৪
হাজার ১৭৪
শতাংশ। এর
দাম দলিলে
দেখানো হয়েছে
৬৭ কোটি
৯৪ লাখ
২০ হাজার
৯৩০ টাকা।
অথচ এ
সম্পদের বর্তমান
মূল্য ২২৮
কোটি টাকা।
এছাড়া ধানমন্ডিতে
পি কের
নামে দুটি
ফ্ল্যাট রয়েছে।
অভিযোগপত্রে
আরও বলা
হয়, প্রশান্ত
তার নিকটাত্মীয়
পূর্ণিমা রানী
হালদারের নামে
উত্তরায় একটি
ভবন করেছেন,
যার দাম
১২ কোটি
টাকা। আর
পূর্ণিমার ভাই
উত্তম কুমার
মিস্ত্রির নামে
তেজগাঁও, তেজতুরী
বাজার ও
গ্রিন রোডে
১০৯ শতাংশ
জমি কেনেন,
যার
বাজারমূল্য ২০০
কোটি টাকা।
প্রশান্ত তার
কাগুজে কোম্পানি
ক্লিউইস্টোন ফুডসের
নামে কক্সবাজারে
দুই একর
জমির ওপর
আটতলা হোটেল
তৈরি করেছেন,
যার আর্থিক
মূল্য এখন
২৪০ কোটি
টাকা।
এ
ছাড়া পি
কে হালদারের
খালাতো ভাই
অমিতাভ অধিকারী
এবং অনঙ্গ
মোহন রায়ের
নামে ঢাকা
ও নারায়ণগঞ্জে
৪০৪ শতাংশ
জমি কিনেছেন,
এর দাম
১৬৭ কোটি
টাকা।
বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (বিএফআইইউ) ও কানাডার ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিটের তথ্যের বরাত দিয়ে দুদক প্রতিবেদনে বলেছে, পি কে হালদার ২০১২ থেকে ২০২০ সালের মধ্যে তার ভাই প্রীতিশ হালদারের কাছে ১ কোটি ১৭ লাখ ১১ হাজার ১৬৪ কানাডার ডলার পাচার করেন।