যাপিত জীবন ডেস্ক
প্রকাশ : ০৮ জানুয়ারি ২০২৩ ১২:৩১ পিএম
আপডেট : ০৯ জানুয়ারি ২০২৩ ১৪:২৩ পিএম
সংগৃহীত
আমাদের মুখের বেশিরভাগ পেশিই থাকে অব্যবহৃত। তাই বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে পেশি ক্রমশ শিথিল হয়ে পড়ে। ফলে ত্বকের টানটান ভাব হারিয়ে যায়। এর থেকেই দেখা দেয় বলিরেখা, ডাবল চিন কিংবা আই ব্যাগের মতো সমস্যা। চেহারায় বয়সের ছাপের জন্য মুখের পেশি ব্যবহার না হওয়া অনেকটাই দায়ী। তবে নিয়মিত ফেসিয়াল ওয়ার্কআউট করলে বয়স হলেও চেহারার তারুণ্য ধরে রাখা সম্ভব।
অনেকেই অ্যান্টি এজিং ট্রিটমেন্টের জন্য আজকাল সার্জারির দিকে ঝোঁকেন। এমন সহজ, সুরক্ষিত এবং প্রাকৃতিক উপায় থাকতে সার্জারির কি দরকার আছে! চলুন জেনে নিই কীভাবে করবেন ফেসিয়াল এক্সারসাইজ।

আইব্রো প্রেস
ভুরুর ঠিক নিচে তর্জনী রাখুন। এবার আঙুল দিয়ে ভুরুকে প্রথমে উপরের দিকে (কপালের হেয়ার লাইনের দিকে) এবং বাইরের দিকে ঠেলে দিন। এই পজিশনে চোখ বন্ধ করার চেষ্টা করুন। এভাবে ৫ সেকেন্ড থাকুন। ধীরে ধীরে রিল্যাক্স করুন। নিয়মিত এই এক্সারসাইজ প্র্যাকটিস করলে আই লিডের পেশিকে শক্তিশালী করে এবং চোখের চারপাশের চামড়াকে টানটান রাখে।
আইব্রো লিফ্ট
আইব্রো প্রেসের মতোই তর্জনীর সাহায্যে ভুরুকে ওপরের দিকে ঠেলে দিন। এবার ধীরে ধীরে ১, ২, ৩... এভাবে ৫ পর্যন্ত গুনুন। এক একটা সংখ্যা বলার পর চোখগুলো ধীরে ধীরে বড় করতে থাকুন। ৫ বলার পর চোখ সবচেয়ে বেশি বড় করুন। এই এক্সারসাইজ কপালের ভাঁজ এবং দুই ভুরুর মাঝের ভাঁজ কমাতে সাহায্য করে।
ডাবল চিন লিফ্ট
মাথা পিছন দিকে যতটা সম্ভব হেলিয়ে দিন। ওপরের ঠোঁট মুখের ভেতর ঢুকিয়ে নিচের ঠোঁট দিয়ে ওপরে ঠোঁট ঢেকে রাখুন। জিভ গুটিয়ে মুখের ওপরের তালুতে চাপ দিন। এই অবস্থায় হাসার চেষ্টা করুন। এতে ডাবল চিনের সমস্যা অনেকটাই কমবে। যাদের গাল ভারী তারাও এই এক্সারসাইজে উপকার পাবেন।
ঠোঁটের চারপাশের পেশির এক্সারসাইজ
অ্যাডভান্স ফেসিয়াল এক্সারসাইজ মুখের ভেতর থেকে কাজ করে। হাইজিন বজায় রাখার জন্য হাতে গ্লাভস পরে নিন। এবার দুই হাতের বুড়ো আঙুল মুখের ভেতর এমনভাবে ঢুকিয়ে দিন যাতে বুড়ো আঙুল দুটি মাড়ি বরাবর আড়াআড়িভাবে ওপরের দাঁত এবং ওপরের ঠোঁটের মাঝের অংশে থাকে। এবার ওপরের ঠোঁট দিয়ে ভেতরের দিকে চাপ দেওয়ার চেষ্টা করুন যাতে বুড়ো আঙুলে চাপ পড়ে। এতে ঠোঁটের চারপাশের মাসল টোনড হবে।
প্রতিটি এক্সারসাইজ দুবার করে রিপিট করুন। সপ্তাহে ৩-৪ বার এক্সারসাইজগুলো অনুশীলন করার অভ্যাস করুন। ভালো ফল পেতে ফেসিয়াল এক্সারসাইজের প্রত্যেকটা সময় ধরে নিয়ম অনুসারে করতে হবে। মনে রাখবেন যে কোনো ফেসিয়াল এক্সারসাইজের পজিশন অন্তত ৫ সেকেন্ড ধরে রাখা দরকার। একটা পজিশন থেকে অন্য পজিশনে যাওয়ার সময় ধীরে ধীরে পেশিকে রিল্যাক্স করতে হবে। ফেসিয়াল এক্সারসাইজ চলাকালীন শ্বাসপ্রশ্বাস স্বাভাবিক রাখুন।