× ই-পেপার প্রচ্ছদ সর্বশেষ বাংলাদেশ রাজনীতি দেশজুড়ে বিশ্বজুড়ে বাণিজ্য খেলা বিনোদন মতামত চাকরি শিক্ষা আজকের কার্টুন ফিচার সকল বিভাগ ছবি ভিডিও লেখক আর্কাইভ কনভার্টার

বিদেশে সম্পদ ও অর্থপাচার: সাবেক ভূমিমন্ত্রীর ২৩ বস্তা আলামত উদ্ধার

প্রবা প্রতিবেদক

প্রকাশ : ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৫ ১১:১৯ এএম

ছবি: সংগৃহীত।

ছবি: সংগৃহীত।

সাবেক ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী জাবেদের বিদেশে সম্পদ অর্জন ও অর্থপাচার নিয়ে তদন্তে চাঞ্চল্যকর অগ্রগতি জানিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। জাবেদের দুই ঘনিষ্ঠ সহযোগী উৎপল পাল ও আব্দুল আজিজের রিমান্ডে পাওয়া তথ্যে চট্টগ্রামের কর্ণফুলী উপজেলার শিকলবাহা এলাকার একটি বাড়ি থেকে ২৩ বস্তা আলামত জব্দ করেছে দুদক।

রবিবার (১ সেপ্টেম্বর) ভোরে পরিচালিত এ অভিযানে বিদেশে সম্পদ ক্রয়ের নথি, বাড়ি ভাড়া আদায়ের তথ্য, বিভিন্ন বিল পরিশোধের রসিদ ও আদালতের আদেশসংক্রান্ত ডকুমেন্টস উদ্ধার করা হয়।

দুদকের উপ-পরিচালক মশিউর রহমান গণমাধ্যমকে বলেন, গ্রেপ্তারকৃত দুই সহযোগীর রিমান্ডে আমরা জানতে পারি, জাবেদের গুরুত্বপূর্ণ নথিপত্র সরিয়ে ফেলা হয়েছিল। সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, আমাদের অভিযানের আধা ঘণ্টা আগে বস্তাগুলো অন্যত্র নিয়ে যাওয়া হয়। পরে আমরা একটি ছোট বাসা থেকে ২৩ বস্তা আলামত উদ্ধার করি।

১৭ সেপ্টেম্বর দুদক উৎপল পাল ও আব্দুল আজিজকে গ্রেপ্তার করে। আদালত তাদের ৫ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

উৎপল পাল: আরামিট গ্রুপের এজিএম হলেও দীর্ঘদিন জাবেদের ব্যক্তিগত কর্মকর্তা হিসেবে বিদেশে সম্পদ কেনা ও অর্থ পাচারের মূল হোতা হিসেবে কাজ করেছেন। তার কাছ থেকে জব্দ ল্যাপটপ ও মোবাইল ফোনে বিপুল তথ্য পাওয়া গেছে, যা ফরেনসিক পরীক্ষার জন্য আদালতে আবেদন করা হয়েছে।

আব্দুল আজিজ: আরামিট থাই অ্যালুমিনিয়াম লিমিটেডের এজিএম। তিনি জাবেদের সম্পত্তি কেনাবেচা, ভাড়া আদায় ও রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্বে ছিলেন।

দুদক জানায়, গত ২৪ জুলাই দুদক জাবেদসহ ৩১ জনের বিরুদ্ধে মামলা করে। মামলায় তার স্ত্রী ও ইউসিবিএল ব্যাংকের সাবেক চেয়ারম্যান রুকমিলা জামান, ভাই আসিফুজ্জামান চৌধুরী, বোন রোকসানা জামান চৌধুরী ও ব্যাংকের সাবেক পরিচালক বশির আহমেদসহ বেশ কয়েকজনকে আসামি করা হয়।

অভিযোগপত্রে বলা হয়েছে, জাবেদের মালিকানাধীন আরামিট গ্রুপের কর্মচারীদের নামে পাঁচটি নামসর্বস্ব প্রতিষ্ঠান খোলা হয়। ইউসিবিএল ব্যাংকের চট্টগ্রাম বন্দর শাখা থেকে এসব প্রতিষ্ঠানের নামে গম, ছোলা, হলুদ ও মটর আমদানির নামে ২৫ কোটি টাকার টাইম লোন অনুমোদন করা হয়। ব্যাংকের ক্রেডিট কমিটির ১৭টি নেতিবাচক পর্যবেক্ষণ উপেক্ষা করেই এ অনুমোদন দেওয়া হয়। পরে টাকা চারটি প্রতিষ্ঠানের হিসাবে স্থানান্তর করা হয় এবং নগদ উত্তোলন শেষে আরামিট গ্রুপের হিসাবে ফের জমা দেওয়া হয়। অভিযোগ অনুযায়ী, ব্যাংক পরিচালক থেকে শুরু করে ঋণগ্রহীতা ও অনুমোদনকারী সবাই ঘনিষ্ঠ সম্পর্কের কারণে সমন্বিতভাবে এ অর্থপাচার ঘটান।

দুদক জানিয়েছে, আসামিদের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ৪০৬, ৪০৯, ৪২০, ৪৭১ ও ১০৯ ধারা, দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন এবং মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইনে মামলা করা হয়েছে।

শেয়ার করুন-

মন্তব্য করুন

Protidiner Bangladesh

সম্পাদক : মারুফ কামাল খান

প্রকাশক : কাউসার আহমেদ অপু

রংধনু কর্পোরেট, ক- ২৭১ (১০ম তলা) ব্লক-সি, প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড) ঢাকা -১২২৯

যোগাযোগ

প্রধান কার্যালয়: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৬৯৬ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (প্রিন্ট): +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮১০, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০ | ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (অনলাইন): +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০, +৮৮০১৭৯৯৪৪৯৫৫৯ । ই-মেইল: [email protected]

সার্কুলেশন: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮০৭, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৩৩২ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন মূল্য তালিকা