অবৈধ অর্থ অর্জন
প্রবা প্রতিবেদক
প্রকাশ : ১৮ অক্টোবর ২০২৩ ১৬:২৭ পিএম
আপডেট : ১৮ অক্টোবর ২০২৩ ১৭:৫১ পিএম
দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) কার্যালয়। ফাইল ফটো
হুন্ডির মাধ্যমে সোয়া দুই কোটি টাকা অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে উত্তরা ট্রেডার্স প্রাইভেট লিমিটেডের মালিক গিরিধারী লাল মোদী ওরফে হুন্ডি মোদীসহ পাঁচ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
বুধবার (১৮ অক্টোবর) দুপুরে দুদকের সমন্বিত জেলা কার্যালয় ঢাকা-১ এ মামলাটি করা হয়। দুদকের উপপরিচালক মু. আরিফ সাদেক মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেন। কমিশনের উপপরিচালক (মানি লন্ডারিং) মো. আব্দুল মাজেদ বাদী হয়ে মামলা করেন।
উত্তরা ট্রেডার্সের ব্যবস্থাপনা পরিচালক গিরিধারী লাল মোদী ছাড়াও মামলার অন্য আসামিরা হলেন, উত্তরা উইভিং ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক গণেশ লাল মোদী, উত্তরা ট্রেডার্স প্রাইভেট লিমিটেডের সেলস্ ম্যানেজার অজয় চক্রবর্তী, প্রতিষ্ঠানটির কর্মচারী মো. লিয়াকত আলী খান ও গাড়ি চালক আলী হোসেন।
এজাহারে উল্লেখ করা হয়, উত্তরা ট্রেডার্সের মালিক গিরিধারী লাল মোদী একজন হুন্ডি ব্যবসায়ী। ২০০৫ সালের ৮ অক্টোবর তিনি অপরাধলব্ধ ২ কোটি ৩৩ লাখ টাকা অবৈধ ভাবে দখলে রাখেন। পরে ওই টাকা হস্তান্তর, স্থানান্তর ও রূপান্তর করার উদ্দেশ্যে তার ভাই গণেশ লাল মোদীর জিপ গাড়িতে যশোরের নওয়াপাড়া থেকে ঢাকায় উদ্দেশ্য রওনা হন। পথে সাভারের আশুলিয়া টোল প্লাজা ও আগুলিয়া পুলিশ ফাঁড়ি এলাকা থেকে পুলিশ গণেশকে আটক ও টাকা জব্দ করেন। জব্দ করা টাকা যশোরের নওয়াপাড়ায় অবস্থিত তাদের সেল সেন্টার থেকে ম্যানেজার অজয় চক্রবর্তী বাহক লিয়াকত আলী খানের মাধ্যমে ঢাকায় পাঠান।
এজাহারে আরও বলা হয়, আসামি গণেশ লাল মোদী পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে আটক ও জব্দ করা টাকা অর্জনের কোনো বৈধ সোর্স ও রেকর্ডপত্র দেখাতে পারেননি। পুলিশ আদালতের আদেশে জব্দ করা টাকা গিরিধারী লাল মোদীর হেফাজতে জিম্মায় দেন। টাকা জিম্মায় দিলেও তিনি ওই টাকা ব্যয় করার কোনো সন্তোষজনক জবাব দিতে পারেননি। এমনকি এ সংক্রান্ত কোনো কাগজপত্র দেখাতে পারেননি। পুলিশের রেকর্ডে গিরিধারী লাল মোদীর নাম হুন্ডি ব্যবসায়ী ও ডন হিসেবে নথিভুক্ত করা রয়েছে।
আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে অবৈধভাবে দুর্নীতির মাধ্যমে লব্ধ অর্জিত টাকা নিজেদের ভোগদখলে রেখে স্থানান্তর, হস্তান্তর, রূপান্তর ঘটিয়ে মানি লন্ডারিং করায় তাদের বিরুদ্ধে মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন ২০১২ এর ৪ (২) ও ৪(৩) ধারা এবং দণ্ডবিধির ১০৯ ধারায় একটি মামলা করা হয়।