কয়রা (খুলনা) প্রতিবেদক
প্রকাশ : ২ ঘণ্টা আগে
আপডেট : ৪২ মিনিট আগে
চিংড়ি প্রজনন মৌসুম চলায় বিশ্ব ঐতিহ্য সুন্দরবনে পর্যটক প্রবেশসহ সব ধরনের পাস-পারমিট বন্ধ রয়েছে। এ সুযোগকে কাজে লাগিয়ে শত শত কেজি চিংড়িমাছ উজাড় করছে এক শ্রেণির অসাধু জেলে ও বিষদস্যু চক্র। প্রবা ফটো
সুন্দরবনে নদীগুলোতে বর্তমানে চিংড়ি প্রজনন মৌসুম চলায় বিশ্ব ঐতিহ্য এই বনে পর্যটক প্রবেশসহ সব ধরনের পাস-পারমিট বন্ধ রয়েছে।
বনের পরিবেশ
শান্ত রাখতে যেখানে সাধারণ মানুষের প্রবেশ সম্পূর্ণ নিষেধ, ঠিক তখনই এই সুযোগকে কাজে
লাগিয়ে শত শত কেজি মাছ উজাড় করছে এক শ্রেণির অসাধু জেলে ও বিষদস্যু চক্র। তবে সুন্দরবনের
জীববৈচিত্র্য রক্ষায় কঠোর অবস্থানে রয়েছে বন বিভাগ।
এরই ধারাবাহিকতায় পশ্চিম সুন্দরবন বিভাগে বিষ দিয়ে মাছ শিকারী চক্রের
বিরুদ্ধে গভীর রাতে এক দুঃসাহসিক ও ঝুঁকিপূর্ণ যৌথ অভিযান পরিচালিত হয়েছে শনিবার (১১
জুলাই) রাত আনুমানিক ১২টার দিকে। অভিযানে বিষ দিয়ে শিকার করা আনুমানিক ১৫০ কেজি চিংড়ি
মাছ ও একটি নৌকা জব্দ করেছে বন বিভাগ। জব্দকৃত মালামালের সম্ভাব্য বাজারমূল্য প্রায়
এক লাখ টাকা।
'স্মার্ট খুলনা-১' টিমের টিম লিডার ও বজবজা ক্যাম্পের ওসি শাহিনুর
রহমান শাহিনের নেতৃত্বে এই সফল অভিযানটি চালানো হয়। অভিযানে যৌথভাবে অংশ নেন কাশিয়াবাদ
ফরেস্ট স্টেশন কর্মকর্তা নাসির উদ্দীন এবং বজবজা টহল ফাঁড়ির একদল চৌকস স্টাফ।
বন বিভাগ জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে যৌথবাহিনী পশ্চিম সুন্দরবন
বিভাগের আওতাধীন জোড়শিং পল্টন সংলগ্ন হারেজখালি গ্রামের পাড় নদীতে এই অভিযান পরিচালনা
করা হয়। সেখান থেকেই বিষযুক্ত চিংড়ি ও নৌকা উদ্ধার করা হয়। অন্ধকারের সুযোগ নিয়ে বিষপ্রয়োগকারী
চক্রের সদস্যরা লোকালয়ে পালিয়ে যাওয়ায় ঘটনাস্থল থেকে তাৎক্ষণিকভাবে কাউকে আটক করা সম্ভব
হয়নি।
বন বিভাগ জানিয়েছে, উদ্ধারকৃত বিষযুক্ত চিংড়ি মাছগুলো জনস্বাস্থ্যের
জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর ও মারাত্মক ঝুঁকিপূর্ণ। জব্দকৃত এই চিংড়ি মাছ বিজ্ঞ আদালতের নির্দেশনানুযায়ী
দ্রুত মাটির নিচে পুঁতে সম্পূর্ণভাবে নষ্ট (ধ্বংস) করে দেওয়া হবে।