পেকুয়া (কক্সবাজার) প্রতিবেদক
প্রকাশ : ২ ঘণ্টা আগে
আপডেট : ১ ঘণ্টা আগে
কুতু্বদিয়া কৃষি অফিসারের কার্যালয়। ছবি: প্রতিদিনের বাংলাদেশ
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের আওতায় কক্সবাজারের পেকুয়া ও কুতুবদিয়া উপজেলায় কৃষকদের দক্ষতা বৃদ্ধি, আধুনিক কৃষি প্রযুক্তির সম্প্রসারণ এবং উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে।
উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, ২০২৫-২৬ অর্থবছরে পার্টনার ফিল্ড কংগ্রেস কর্মসূচির আওতায় দুই উপজেলায় ২ লাখ টাকা করে মোট ৪ লাখ টাকা ব্যয় করা হয়েছে।
এ ছাড়া পার্টিসিপেটরি ফার্মার স্কুল (পিএফএস) কার্যক্রমের আওতায় ছয়টি স্কুল পরিচালনার জন্য মোট ৬ লাখ টাকা বরাদ্দ ও ব্যয় করা হয়েছে। কৃষকদের আধুনিক কৃষি প্রযুক্তি বিষয়ে দক্ষ করে তুলতে প্রশিক্ষণ কর্মসূচির আওতায় আরও ৬ লাখ টাকা ব্যয় করা হয়েছে।
কৃষি অফিস জানায়, সরকার নির্ধারিত নীতিমালা ও আর্থিক বিধিবিধান অনুসরণ করে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের তত্ত্বাবধানে সব কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হয়েছে। প্রশিক্ষণে অংশ নেওয়া কৃষকদের নির্ধারিত হারে প্রশিক্ষণ ভাতা, প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ উপকরণ এবং আপ্যায়নের ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হয়। পাশাপাশি নিরাপদ খাদ্য উৎপাদন, আধুনিক কৃষি প্রযুক্তি, ফসল ব্যবস্থাপনা ও টেকসই কৃষি উন্নয়ন বিষয়ে ব্যবহারিক প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে।
মিয়াপাড়া পার্টনার ফিল্ড স্কুলের (পুষ্টি) সভাপতি রেহেনা বেগম বলেন, “আমাদের পার্টনার স্কুলটি সুষ্ঠুভাবে পরিচালিত হয়েছে। প্রয়োজনীয় সব উপকরণ আমরা যথাযথভাবে পেয়েছি”।
বারবাকিয়া ইউনিয়নের কৃষক মো. মুজিবুর হক বলেন, “প্রশিক্ষণটি আমাদের বাস্তব চাহিদার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ ছিল। কৃষি কর্মকর্তারা হাতে-কলমে আধুনিক প্রযুক্তি ও চাষাবাদ পদ্ধতি সম্পর্কে প্রশিক্ষণ দিয়েছেন। এতে নতুন অনেক বিষয় শিখেছি, যা মাঠপর্যায়ে প্রয়োগ করে ভালো ফলন পাওয়া সম্ভব হবে। সরকারি নিয়ম অনুযায়ী সব সুবিধাও সময়মতো পেয়েছি”।
কুতুবদিয়া উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা অসীম কুমার দাশ বলেন, “সরকারি নির্দেশনা ও আর্থিক বিধিমালা অনুসরণ করে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার সঙ্গে সব কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হয়েছে। প্রকল্পের আওতাভুক্ত কৃষকদের জন্য নির্ধারিত সব সুবিধা নিশ্চিত করা হয়েছে। কৃষকদের জ্ঞান ও দক্ষতা বৃদ্ধি এবং উৎপাদনশীল কৃষি ব্যবস্থা গড়ে তোলাই এসব কার্যক্রমের মূল লক্ষ্য”।
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা জানান, কৃষকের আয় বৃদ্ধি, আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার এবং টেকসই কৃষি উন্নয়নের লক্ষ্যে ভবিষ্যতেও এ ধরনের কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।