রায়পুর প্রতিবেদক
প্রকাশ : ২ ঘণ্টা আগে
তিন মেয়ে ও এক ছেলেকে নিয়ে এই বাসায় ভাড়া থাকতেন শাহিনুর বেগম। ছবি: প্রতিদিনের বাংলাদেশ
লক্ষ্মীপুরের রায়পুর পৌর শহরে ভাড়া বাসায় দুই মেয়েসহ মাকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে। এ ঘটনায় পরিবারের আরও এক মেয়ের অবস্থা আশঙ্কাজনক।
রায়পুর পৌর শহরের গোডাউন এলাকার পেছনে একটি ভাড়া বাসায় বৃহস্পতিবার সকাল ১০টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন শাহিনুর বেগম (৩৮), সাইমা (২০) ও শিফা (১০)। গুরুতর আহত ইকরা (১৭)কে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়েছে।
এদিকে ঘটনার পর হামলাকারী অন্তর মজুমদারকে আটক করে মারধর করে স্থানীয় লোকজন। আহত অবস্থায় তাকে হাসপাতালে নিয়ে গেলে সেখানে তার মৃত্যু হয়।
সে নোয়াখালীর সুবর্ণচর উপজেলার কার্তিক মজুমদারের ছেলে। তবে কী কারণে হামলা করা হয়েছে তা জানা যায়নি।
জেলার সহকারী পুলিশ সুপার (সার্কেল রায়পুর–রামগঞ্জ) মো. আবদুর রাশেদ এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
পরিবারের বরাতে তিনি জানান, সাইমা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী এবং ইকরা লক্ষ্মীপুর সরকারি কলেজের একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী। তাদের বাড়ি কুমিল্লার বরুড়া উপজেলায়।
হামলাকারী রায়পুরে ফল বিক্রির কাজ করতেন এবং প্রায় আট মাস আগে একই বাসায় ভাড়াটিয়া হিসেবে বসবাস করতেন।
অভিযোগ রয়েছে, বৃহস্পতিবার সকালে তিনি ওই বাসায় প্রবেশ করে ধারালো অস্ত্র দিয়ে হামলা চালান। এতে ঘটনাস্থলে তিনজন নিহত হন এবং গুরুতর আহত হন একজন।
ঘটনার পর স্থানীয় লোকজন তাকে আটক করে গণপিটুনি দেয় এবং পরে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করে। আহত অবস্থায় তাকে লক্ষ্মীপুর সদর হাসপাতালে পাঠানো হলে সেখানে চিকিৎসাধীন মারা যায় সে।
নিহত ও আহতদের কোনো আত্মীয়-স্বজন তাৎক্ষণিকভাবে ঘটনাস্থলে উপস্থিত না থাকায় বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহে জটিলতা তৈরি হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
সহকারী পুলিশ সুপার মো. আবদুর রাশেদ বলেন, ৩ জন নিহত হয়েছেন। গুরুতর আহত একজনকে ঢাকায় পাঠানো হয়েছে। আর যিনি হামলার ঘটনায় আটক হয়েছেন, তাকে লক্ষ্মীপুর সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছিল, সেখানে চিকিৎসাধীন সে মারা গেছে বিস্তারিত পরে তদন্ত করে বলতে পারবো”।