বাংলাদেশ ব্যাংকের লোগো। ছবি: ফাইল ছবি
বিশেষায়িত অঞ্চলে পরিচালিত রপ্তানিকারকদের জন্য বৈদেশিক মুদ্রা–টাকা (এফসি–টাক) সোয়াপ বা অদলবদল সুবিধার পরিধি বাড়িয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।
এর ফলে রপ্তানিকারকেরা তাদের বৈদেশিক মুদ্রা হিসাবের অবমুক্ত অর্থের বিপরীতে ব্যাংক থেকে স্বল্পমেয়াদে টাকার তারল্য সংগ্রহের সুযোগ পাবেন, যা তাদের দৈনন্দিন ব্যবসায়িক কার্যক্রম পরিচালনায় সহায়ক হবে।
এ বিষয়ে সোমবার একটি সার্কুলার জারি করে দেশের সব অনুমোদিত বৈদেশিক মুদ্রা লেনদেনকারী ব্যাংকের (এডি) প্রধান কার্যালয় ও প্রধান শাখাগুলোকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের বৈদেশিক মুদ্রানীতি বিভাগ থেকে জারি করা এই নির্দেশনা অনুযায়ী, বিশেষায়িত অঞ্চলে পরিচালিত রপ্তানিকারকদের বৈদেশিক মুদ্রা হিসাবে থাকা অবমুক্ত অর্থের বিপরীতে ব্যাংকগুলো এখন বৈদেশিক মুদ্রা–টাকা সোয়াপ চুক্তি করতে পারবে।
নির্দেশনায় বলা হয়েছে, রপ্তানিকারকদের জন্য বিদ্যমান সোয়াপ সুবিধার পরিধি আরও সম্প্রসারণের লক্ষ্যেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে বিশেষায়িত অঞ্চলে পরিচালিত রপ্তানিকারকদের স্বল্পমেয়াদি টাকার তারল্য নিশ্চিত করাও এর অন্যতম উদ্দেশ্য। এই সুবিধা রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চল (ইপিজেড), বেসরকারি রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চল (পিইপিজেড), অর্থনৈতিক অঞ্চল (ইজেড) এবং হাইটেক পার্কে পরিচালিত শিল্পপ্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে।
এর আগে ২০২৫ সালের ৩ নভেম্বর জারি করা একটি সার্কুলারের মাধ্যমে রপ্তানিকারকদের ৩০ দিনের পুল হিসাব এবং এক্সপোর্ট রিটেনশন কোটার (ইআরকিউ) হিসাবে থাকা অর্থের বিপরীতে বৈদেশিক মুদ্রা–টাকা সোয়াপ সুবিধা চালু করা হয়েছিল। সর্বশেষ নির্দেশনার মাধ্যমে সেই সুবিধার আওতা আরও বাড়িয়ে বিশেষায়িত অঞ্চলের শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলোর বৈদেশিক মুদ্রা হিসাবে থাকা অবমুক্ত অর্থও এতে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
বাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়েছে, ২০২৫ সালের ১ জুলাই জারি করা বৈদেশিক মুদ্রা সংক্রান্ত সার্কুলারের যে বিধানের আওতায় বিশেষায়িত অঞ্চলের শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলো বৈদেশিক মুদ্রা হিসাব পরিচালনার অনুমতি পেয়েছে, নতুন সিদ্ধান্ত সেই কাঠামোর সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখেই কার্যকর হবে।