× ই-পেপার প্রচ্ছদ সর্বশেষ বাংলাদেশ রাজনীতি দেশজুড়ে বিশ্বজুড়ে বাণিজ্য খেলা বিনোদন মতামত চাকরি শিক্ষা আজকের কার্টুন ফিচার সকল বিভাগ ছবি ভিডিও লেখক আর্কাইভ কনভার্টার

নেশা থেকে পেশাদার ফটোগ্রাফার সজল

প্রবা প্রতিবেদন

প্রকাশ : ০৬ মে ২০২৩ ১২:৩০ পিএম

আপডেট : ০৬ মে ২০২৩ ১৩:২৭ পিএম

ফটোগ্রাফার মির্জা সজল রায়হানের তোলা এক বিয়ের ছবি। ছবি : সংগৃহীত

ফটোগ্রাফার মির্জা সজল রায়হানের তোলা এক বিয়ের ছবি। ছবি : সংগৃহীত

পড়াশোনা শেষ করে অনেক তরুণ এখন গতানুগতিক পেশার পেছনে না ছুটে সৃজনশীল পেশা বেছে নিচ্ছেন। এসব পেশায় নিজের দক্ষতার পাশাপাশি শৈল্পিক জ্ঞান থাকা অপরিহার্য। এ রকমই একটি পেশা ফটোগ্রাফি। বর্তমানে এ পেশার যথেষ্ট চাহিদা রয়েছে।

সময়ের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে প্রিন্ট ও অনলাইন পত্রিকা। নিউজ এজেন্সি, বহুজাতিক প্রতিষ্ঠান, বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোতেও (এনজিও) রয়েছে আলোকচিত্রীদের (ফটোগ্রাফার) চাহিদা। ফলে তৈরি হচ্ছে আলোকচিত্রীদের কর্মসংস্থান। তা ছাড়া তথ্যচিত্র বানানো কিংবা ফ্রিল্যান্সার হিসেবেও কাজ করার সুযোগ রয়েছে।

ফটোগ্রাফির নেশা থেকে ধীরে ধীরে পুরোদস্তুর পেশাদার ফটোগ্রাফার হয়ে উঠেছেন তরুণ মির্জা সজল রায়হান। আর এখন কাজ করছেন ফটোগ্রাফি নিয়েই।

সজল রায়হান বলেন, ‘২০০৩ থেকে নেশার মতো ছবি তুলতাম, যা পেতাম তার ছবি তুলতাম। আমার এ আগ্রহ দেখে মা এসএসসি পরীক্ষার পর একটা ইয়াশিকা ফিল্ম ক্যামেরা কিনে দেন। পরিবার আমাকে সব সময় সমর্থন দিয়েছে। আম্মু, আব্বু, বন্ধু, বড় ভাই, ভাবি, কলেজের স্যার-ম্যাম সবাই প্রতিনিয়ত সাপোর্ট দিয়েছেন। মায়ের কাছেই মূলত ফটোগ্রাফির হাতেখড়ি। ২০১১ সালে পেশাদার ফটোগ্রাফি শুরু করি। সে সময় প্রবাসী বন্ধু রাফাত রহমান বিদেশ থেকে একটি ডিএসএলআর ক্যামেরা আমার জন্য নিয়ে আসে। তখন থেকে আর পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি।’

ফিল্মের ক্যামেরার ৩০টি গুনে গুনে ছবি তোলা থেকে ডিজিটাল ক্যামেরার ১.২ মেগাপিক্সেল ৮ মেগাবাইটের কার্ড আসতে আসতে ছবি তোলার আগ্রহটা নেশায় পরিণত হয়। যদিও বরাবর স্ট্রিট ফটোগ্রাফিতেই আগ্রহ ছিল। কিন্তু স্কুলের বন্ধু তামিম হায়দারের কারণে ওয়েডিং ফটোগ্রাফিতে প্রবেশ। আমার জীবনের প্রথম বিয়ের কাজটা আমার ছোট বোন তানিয়ার কাছ থেকে পাই। তখন থেকে খুব আগ্রহী হই ওয়েডিং ফটোগ্রাফির কাজে। তা ছাড়া আমার বড় ভাই মির্জা সজীব রায়হান ও ভাবি নওরীন রহমানের সাপোর্ট ছাড়া সম্ভব ছিল না কাজ করার।

বর্তমানে ওয়েডিং ফটোগ্রাফির পাশাপাশি অনেক বড় বড় ন্যাশনাল ইভেন্টের ফটোগ্রাফির কাজও করছেন মির্জা সজল রায়হান। কাজ করেছেন মুজিববর্ষ সাইক্লিং এক্সপেডিশন্স, মুজিববর্ষ বাংলাদেশ গেমস ২০২০ ও মাল্টিন্যাশনাল করপোরেট ইভেন্টে।

মির্জা সজল রায়হান বলেন, বন্ধুদের সহযোগিতায় ফটোগ্রাফিতে ক্যারিয়ার গড়া। তারা আমাকে শুরু থেকে সব ধরনের সাপোর্ট দিয়ে আসছে। এখন আমার প্রতিষ্ঠান ওয়েডিং ডিভাইনে অনেকের কর্মসংস্থান হয়েছে।

তিনি বলেন, যেকোনো বয়সের লোকজন ফটোগ্রাফিকে পেশা হিসেবে নিতে পারেন। এখানে ক্যারিয়ার গড়ার সুযোগ রয়েছে। কেউ প্রতিষ্ঠানে কাজ করছেন, কেউ ফ্রিল্যান্সার হিসেবে কাজ করছেন।

ওয়েডিং ডিভাইনের আয়ের ৬০ শতাংশ খরচ হয় সুবিধাবঞ্চিত শিশু ও এতিমদের জন্য।

শেয়ার করুন-

মন্তব্য করুন

Protidiner Bangladesh

সম্পাদক : মারুফ কামাল খান

প্রকাশক : কাউসার আহমেদ অপু

রংধনু কর্পোরেট, ক- ২৭১ (১০ম তলা) ব্লক-সি, প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড) ঢাকা -১২২৯

যোগাযোগ

প্রধান কার্যালয়: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৬৯৬ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (প্রিন্ট): +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮১০, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০ | ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (অনলাইন): +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০, +৮৮০১৭৯৯৪৪৯৫৫৯ । ই-মেইল: [email protected]

সার্কুলেশন: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮০৭, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৩৩২ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন মূল্য তালিকা