প্রবা ডেস্ক
প্রকাশ : ২২ আগস্ট ২০২২ ১৭:৪৮ পিএম
অলঙ্করণ শিল্পী ফাহমিদা আজিম
ইনসাইডার ওয়েবসাইটে প্রকাশিত ‘হাউ আই এসকেপড আ চায়নিজ ইন্টারমেন্ট ক্যাম্প’ শিরোনামের ইলাস্ট্রেটেড রিপোর্টে অলঙ্করণের জন্য ফাহমিদা এ পুরস্কার জয় করেন
সাংবাদিকতা ও প্রকাশনার বিভিন্ন ক্ষেত্রে সম্মানজনক সম্মাননা হিসেবে বিবেচিত পুলিৎজার পুরস্কার। এবার সেই সম্মানজনক পুরস্কার পেয়েছেন বাংলাদেশি-আমেরিকান চিত্র এবং অলঙ্করণ শিল্পী ফাহমিদা আজিম। প্রথম কোনও বাংলাদেশি-আমেরিকান হিসেবে তিনি পুলিৎজার পেলেন।
ইনসাইডার ওয়েবসাইটে প্রকাশিত ‘হাউ আই এসকেপড আ চায়নিজ ইন্টারমেন্ট ক্যাম্প’(যেভাবে একটি চীনা বন্দিশিবির থেকে পালিয়ে এসেছি) শিরোনামের ইলাস্ট্রেটেড রিপোর্টে অলঙ্করণের জন্য তিনি এ পুরস্কার জয় করেন। ছয় বছর বয়সে পরিবারের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়ায় থিতু হন ফাহমিদা। শৈশবেই স্বপ্ন ছিল খ্যাতনামা একজন চিত্রশিল্পী হওয়ার। সেভাবেই বেড়ে উঠেছেন উচ্চতর ডিগ্রি গ্রহণের মধ্য দিয়ে। ফাহমিদা লেখাপড়া করেছেন কম্যুনিকেশন্স আর্টে এবং বর্তমানে তিনি ওয়াশিংটন স্টেটের সিয়াটলে একটি কোম্পানিতে গ্রাফিক ডিজাইনার হিসেবে চাকরি করছেন।
বাস্তব জীবনে মানুষের বৈচিত্র্যময় জীবন-যাপন নিয়ে তার আগ্রহ। সেই প্রতিপাদ্যকে কাজে লাগিয়েই ফাহমিদা আঁকেন এবং লিখেন। এমনকি সে সব বৈশিষ্ট্যের মানুষদের খাদ্যাভাসকেও তিনি তার কাজের মাধ্যমে তুলে ধরেন। তার চেতনায় উজ্জীবিত থাকে মুসলিম নারীদের অধিকার ও মর্যাদা। ইতিপূর্বে তার ইলাস্ট্রেশন ছাপা হয় নিউ ইয়র্ক টাইমস, দ্য নিউ ইয়র্কার, সায়েন্টিফিক আমেরিকান, দ্য ইন্টারসেপ্ট, এন্টারটেইনমেন্ট উইকলিতে। ফাহমিদা আজিম এর আগে ‘সামিরা সার্ফ’শিরোনামের বইয়ে অলঙ্করণের জন্যে এ বছর ‘গোল্ডেন কাইট’পুরস্কার পান। এছাড়াও ২০২০ সালে ‘মুসলিম উইমেন আর এভরিথিংস, ২০২১ সালে ‘আমিরার পিকশ্চার ডে’গ্রন্থের প্রচ্ছদ করার জন্যও তিনি পুরস্কার পেয়েছিলেন।
ফাহমিদার আগে বাংলাদেশি আলোকচিত্রী পনির হোসেন ২০১৮ সালে রয়টার্সের পাঁচ ফটো-সাংবাদিকদের সঙ্গে পুলিৎজার জিতেন। ১৯১৭ সাল থেকে পুলিৎজার পুরস্কার দেওয়া হচ্ছে। ১৯১১ সালে যুক্তরাষ্ট্রের সংবাদপত্র প্রকাশক জোসেফ পুলিৎজারের মৃত্যুর পর তার উইল অনুসারে এবং দান করা সম্পদ দিয়ে কলাম্বিয়া ইউনিভার্সিটিতে সাংবাদিকতার স্কুল চালু করা হয় এবং এই পুরস্কার প্রবর্তন করা হয়।
প্রবা/জিকে