ভ্রমণ ডেস্ক
প্রকাশ : ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২২ ১২:২২ পিএম
আপডেট : ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২২ ১২:৪৫ পিএম
ছবি : কক্সবাজার সৈকতে পর্যটকদের নিরাপত্তায় নিয়োজিত ‘সি সেফ লাইফ গার্ড’ সদস্যদের ফোল্ডেবল স্ট্রেচার হস্তান্তর অনুষ্ঠান
কক্সবাজারকে পর্যটকবান্ধব নগরী হিসেবে গড়ে তুলতে ১০টি পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে ট্যুরিস্ট পুলিশ।
কক্সবাজার ট্যুরিস্ট পুলিশের এসপি মো. জিল্লুর রহমান বলেন, পর্যটনের উন্নয়নে সবার পজিটিভ মানসিকতা লালন করা উচিত। পর্যটনের ক্ষতি মানে সবার ক্ষতি। ট্যুরিস্ট পুলিশ ও ট্যুরিজম খাতে জড়িত সবার সঙ্গে সমন্বয় করে আমরা কাজ করছি। আইনগত কঠোরতার বিধি ও নিজেদের সক্ষমতার কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, ট্যুরিস্ট পুলিশ বাংলাদেশ পুলিশের একটি ইউনিট। ট্যুরিস্ট পুলিশের সব সদস্য বাংলাদেশ পুলিশ কর্তৃক নিয়োগকৃত। বাংলাদেশ পুলিশ যেসব কাজ করে, ট্যুরিস্ট পুলিশ সদস্যরাও সেসব কাজ করতে পারবে। কেউ অপরাধ করে পার পাবে না।
গত ১ সেপ্টেম্বর দুপুরে কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতে পর্যটকদের নিরাপত্তায় নিয়োজিত ‘সি সেফ লাইফ গার্ড’ সদস্যদের ফোল্ডেবল স্ট্রেচার হস্তান্তর অনুষ্ঠানে এ কথা জানানো হয়।
কক্সবাজার টুরিস্ট পুলিশের নেওয়া পরিকল্পনা হলো-
১. পর্যটন সম্পর্কিত সব সেবা একই ওয়েব পোর্টালে প্রকাশ করা
২. অটোরিকশা চালকদের আলাদা পোশাক, আইডিকার্ড ও ভাড়া নির্ধারণ করে পর্যটকবান্ধব করা
৩. হোটেল-মোটেল জোনে স্থানীয় কিশোরদের প্রবেশ সীমিত করা
৪. পর্যটন সম্পর্কিত সব স্টেকহোল্ডারের আইডিকার্ড ব্যবহার নিশ্চিত করা
৫. বাসসহ সব পরিবহনে পর্যটক সচেতনতায় স্টিকার লাগানো
৬. সব স্টেকহোল্ডারকে ডাটাবেজের আওতায় আনা
৭. আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় কিশোর গ্যাং ও ছিনতাই চক্রের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা
৮. বিচে হারানো ও দলছুট শিশু পরিচর্যা কেন্দ্র স্থাপন
৯. ব্রেস্ট ফিডিং সেন্টার স্থাপন
১০. ফটোগ্রাফার/অটোচালকদের নিয়মিত প্রশিক্ষণ দেওয়া।
ধীরে ধীরে এসব পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হবে বলে জানিয়েছেন ট্যুরিস্ট পুলিশ কক্সবাজার রিজিয়নের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. রেজাউল করিম।
প্রবা/জিকে/ এসআর