প্রবা প্রতিবেদক
প্রকাশ : ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৪ ১২:১৬ পিএম
আপডেট : ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৪ ১২:২৯ পিএম
নিবন্ধন ফি পুনর্নির্ধারণের দাবিতে বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ডের কাছে স্মারকলিপি দিয়েছে ইটাব
ট্যুর অপারেটর ও ট্যুর গাইড নিবন্ধন ফি পুনর্নির্ধারণের দাবিতে বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ডের কাছে স্মারকলিপি দিয়েছে ই-ট্যুরিজম অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ইটাব)।
মঙ্গলবার (১৭ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে পর্যটন ভবনে বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ডের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) আবু তাহের মুহাম্মদ জাবেরের কাছে এ স্মারকলিপি দেন ইটাব নেতারা। এ সময় উপস্থিত ছিলেন ইটাবের সাধারণ সম্পাদক মো. ফয়সাল মাহমুদ, সহসাধারণ সম্পাদক আসলাম হোসেন, নাইমুল হাসান, কোষাধ্যক্ষ মাইনুদ্দিন ফারুক, সদস্য মো. শোয়েব সুমনসহ অন্য সদস্যরা।
স্মারকলিপিতে বলা হয়, তরুণ পর্যটন উদ্যোক্তাদের সংগঠন হিসেবে ইটাব বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ পর্যটন শিল্পের বিকাশ ও সম্প্রসারণে কাজ করে আসছে। সম্প্রতি পর্যটন মন্ত্রণালয় প্রকাশিত ট্যুর অপারেটরদের নিবন্ধনসংক্রান্ত নতুন গেজেটে কিছু নিয়ম ও শর্ত প্রকাশিত হয়েছে, যা মেনে চলা নতুন উদ্যোক্তাদের জন্য অত্যন্ত কঠিন। গেজেটে উল্লিখিত বিধিনিষেধ ও নীতিমালা বাস্তবায়ন হলে উদ্যোক্তাদের পক্ষে দেশি পর্যটন শিল্প নিয়ে কাজ করা দুষ্কর হয়ে যাবে এবং অদূর ভবিষ্যতে বাংলাদেশের পর্যটন শিল্প এগিয়ে নিতে তরুণ উদ্যোক্তারা নিরুৎসাহ হবেন।
এ অবস্থায় দেশের ট্যুরিজম শিল্প বাঁচাতে প্রকাশিত নিয়মগুলোর মধ্যে কিছু বিধি এবং শর্ত পুনর্বিবেচনা করা অত্যন্ত প্রয়োজন। যার মধ্যে অন্যতম ট্যুর অপারেটর ও ট্যুর গাইড (নিবন্ধন ও পরিচালনা) লাইসেন্স আবেদনের ক্ষেত্রে ৫০ হাজার টাকা, নিবন্ধনের ক্ষেত্রে ১০ লাখ টাকা, ব্যাংক স্থিতির সার্টিফিকেট ৩ লাখ টাকা জামানত রেখে তারপর ট্যুর অপারেট করতে হবে। যা কি না একজন তরুণ উদ্যোক্তার জন্য অসম্ভব।
স্মারকলিপিতে ইটাব নেতারা বলেন, যদি গেজেটের সংশ্লিষ্ট ধারাগুলো সামঞ্জস্যপূর্ণভাবে সংশোধন করা যায়, তবে এটি আমাদের দেশের পর্যটন শিল্পের সঙ্গে যুক্ত সব নতুন উদ্যোক্তার জন্য সহায়ক হবে। এ বিষয়ে পর্যটন বোর্ডের সিইওর কাছে গেজেটের নীতিমালাগুলো পুনর্বিবেচনা এবং সংশোধনের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের অনুরোধ জানানো হয়।