প্রবা প্রতিবেদন
প্রকাশ : ২০ আগস্ট ২০২৪ ১২:২০ পিএম
আপডেট : ২০ আগস্ট ২০২৪ ১৩:০৪ পিএম
দেশি পর্যটনের উন্নয়নে বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ডকে ১০ দফা প্রস্তাব দিয়েছে তরুণদের ভ্রমণ সংগঠন ই-ট্যুরিজম অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ইটাব)।
সোমবার (১৯ আগস্ট) বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ডের ভারপ্রাপ্ত প্রধান নির্বাহীর সঙ্গে দেখা করে সংগঠনের পক্ষ থেকে ওই প্রস্তাব তুলে দেন ইটাব সভাপতি ইমরানুল আলম। পরে ট্যুরিজম বোর্ডের ভারপ্রাপ্ত প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আবু তাহের মুহাম্মদ জাবেরের সঙ্গে বৈঠক করেন তারা। এ সময় ইটাবেরর কার্যনির্বাহী সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

ইটাবের পক্ষ থেকে যে প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে তা হলো :
১. বিদেশি পর্যটকদের ভ্রমণে উৎসাহিত করতে তাদের জন্য নীতিমালা সহজ করা, সুন্দরবনসহ অন্যান্য স্পটে বিদেশিদের অতিরিক্ত ফি বন্ধ কিংবা সংস্কার করা। একই সঙ্গে ভ্রমণ ভিসা সহজ করার পাশাপাশি সম্ভব হলে অ্যারাইভাল ভিসার ব্যবস্থা করা।
২. বিভিন্ন পর্যটন অঞ্চলে স্থানীয় এবং প্রশাসনিক চাঁদাবাজি বন্ধ করে নিরাপত্তা জোরদার এবং জবাবদিহির ব্যবস্থা রাখা। রিসোর্ট/হাউসবোট/শিপ রিকুইজিশনের নামে পর্যটক এবং ট্যুর অপারেটর উভয়ের হয়রানি বন্ধ করা।
৩. ট্যুর অপারেটরদের জন্য ভ্যাট মওকুফ করা। সরকার কর্তৃক ট্যুরিজম লাইসেন্স সহজ এবং তরুণ পর্যটন উদ্যোক্তাবান্ধব করা।
৪. প্রতিটি ট্যুরিজম স্পটে সরকারি তথ্যকেন্দ্র থাকতে হবে যেখানে যেকোনো বিষয়ে অভিযোগ জানানো কিংবা তথ্য সরবরাহ করা যাবে। অঞ্চলভিত্তিক ট্যুর গাইড এবং ট্যুর অপারেটরদের জন্য সরকারিভাবে ট্রেনিং, সেমিনার এবং মুক্ত আলোচনার ব্যবস্থা করতে হবে।
৫. সরকারি ফান্ডিং বৃদ্ধি এবং সঠিক খাতে ব্যয় নিশ্চিত করতে হবে। পর্যটনভাবনা নিয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পরিকল্পনা প্রকাশ করতে হবে এবং সে অনুযায়ী বাস্তবায়ন নিশ্চিত করতে হবে। সর্বোপরি জবাবদিহি নিশ্চিত করতে হবে।
৬. ইকো ট্যুরিজম উদ্যোক্তাদের উৎসাহিত করতে হবে প্রণোদনা এবং স্বীকৃতির মাধ্যমে। সেই সঙ্গে পর্যটন স্থানগুলোয় স্থাপনা (হোটেল/রিসোর্ট/হাউসবোট/জাহাজ) তৈরির ক্ষেত্রে তরুণ উদ্যোক্তাদের জন্য সংশ্লিষ্ট সব অনুমতিপত্র সহজ করতে হবে।
৭. পার্বত্য অঞ্চলের বন্ধ হয়ে যাওয়া পর্যটন স্পটগুলো পুনরায় চালু করতে হবে। উদাহরণ, বান্দরবানের ট্রেকিং স্পট (থানচি, রুমা), সাজেকে যাওয়ার পথে হাজাছরা ঝর্ণা।
৮. ট্যুরিস্ট স্পটগুলোয় যাতায়াতব্যবস্থা উন্নত করতে হবে, প্রয়োজনে বিশেষ সার্ভিস চালু করা। এ ছাড়া অবকাঠামো উন্নয়ন করতে হবে। যেমন সেন্ট মার্টিনের জেটি সংস্কার এবং টেকনাফ/কক্সবাজার থেকে জাহাজ চলাচলের ব্যাপারে সরকারি উদ্যোগে জেটিঘাট নিশ্চিতকরণ করতে হবে। অভ্যন্তরীণ রাস্তা সংস্কার করতে হবে।
৯. পর্যটন স্পটের বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় সরকারি উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে।
১০. বহির্বিশ্বের কাছে বাংলাদেশের পর্যটন আরও আকর্ষণীয় করে তুলতে সুপরিকল্পিত প্রচার-প্রসার করতে হবে।