প্রবা প্রতিবেদন
প্রকাশ : ২৭ জুন ২০২৩ ১৩:৩১ পিএম
আপডেট : ২৭ জুন ২০২৩ ১৪:৩২ পিএম
ইনস্টাগ্রাম হাইলাইটের মতো টেলিগ্রাম ব্যবহারকারীর প্রোফাইলেও স্টোরিগুলো স্থায়ীভাবে প্রদর্শনের জন্য রাখা যাবে। ছবি : সংগৃহীত
অবশেষে টেলিগ্রাম অ্যাপ্লিকেশনের গ্রাহকদের অপেক্ষার অবসান হলো। হোয়াটসঅ্যাপ,
মেসেঞ্জারের মতো এবার এ অ্যাপটিতেও স্টোরি ফিচার যুক্ত করার ঘোষণা দিয়েছেন কোম্পানিটির
প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা পাভেল দুরভ।
এক বিবৃতিতে পাভেল বলেছেন, ব্যবহারকারীদের অনুরোধের পরিপ্রেক্ষিতে এ
ফিচার যুক্ত করা হয়েছে।
জুলাইয়ের শুরুতে যুক্ত হতে যাওয়া নতুন এ ফিচারে নিজের মূল্যবান মুহূর্তগুলো
বন্ধুদের সঙ্গে ছবি ও ভিডিও দিয়ে ভাগ করে নিতে পারবেন টেলিগ্রাম ব্যবহারকারীরা, একই
সুবিধা থাকবে – যে বা যারা টেলিগ্রামে চ্যানেল পরিচালনা করছেন।
ব্যক্তিবিশেষের ক্ষেত্রে কারা এ স্টোরিগুলো দেখতে পারবেন বা কারা দেখতে পারবে না,
তা অ্যাপ ব্যবহারকারীই ঠিক করে নিতে পারবেন।
এ ছাড়া ৬, ১২, ২৪ ও ৪৮ ঘণ্টা অনুযায়ী স্টোরি টাইম নির্ধারণ করা যাবে।
যেখানে মেসেঞ্জারে কেবল ২৪ ঘণ্টার বাইরে আর কোনো সময়সীমা নেই।
ইনস্টাগ্রাম হাইলাইটের মতো টেলিগ্রাম ব্যবহারকারীর প্রোফাইলেও স্টোরিগুলো স্থায়ীভাবে প্রদর্শনের জন্য রাখা যাবে। দুরভ বলেছেন, প্রোফাইল পেজে আপনার স্টোরিগুলো সংরক্ষণ করার ক্ষমতা টেলিগ্রাম প্রোফাইলগুলোকে আরও তথ্যপূর্ণ ও রঙিন করে তুলবে।
দুরভের মতে, এর ফলে টেলিগ্রাম চ্যানেল যারা চালাচ্ছেন তারা বেশ উপকৃত হবেন। বিশেষ করে চ্যানেল থেকে স্টোরিগুলো পুনরায় পোস্ট করার অপশনও থাকবে। ফলে আগের থেকেও টেলিগ্রামে ভাইরাল হওয়া আরও সহজ হয়ে যাবে। এ ছাড়া লিঙ্ক শেয়ারের মাধ্যমে অন্য প্ল্যাটফর্মের লিঙ্কও যুক্ত করা যাবে।
প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা বিশ্বাস করেন, এ ফিচার টেলিগ্রামে এক
নতুন যুগের সূচনা করবে। এরই মধ্যে অভ্যন্তরীণভাবে এটি পরীক্ষানিরীক্ষা করে দেখা হয়েছে।
টেলিগ্রাম কর্মীরা ফিচারটি পছন্দ করেছেন বলে এক ব্লগপোস্টে দাবি করেছে কোম্পানিটি।
ব্যবহারকারীরা তাদের সামনের ও পেছনের ক্যামেরা থেকে তোলা ছবি বা ভিডিওতে
ক্যাপশন বা লিঙ্ক ট্যাগ করতে পারবেন। ক্যাপশন লেখার ক্ষেত্রেও ফন্ট কালার, ফন্ট সাইজ
ঠিক করার ফিচারও যুক্ত করা হবে।
অন্যান্য অ্যাপের মতো নতুন এ স্টোরি ফিচার চ্যাট তালিকার ওপরে স্থাপন
করা হবে।
সাধারণত যোগাযোগের অ্যাপ হিসেবে টেলিগ্রামের উত্থানের কারণ হলো এর
এনক্রিপশন ফিচার; যা অন্যান্য অ্যাপের তুলনায় এটিকে করেছে আরও নিরাপদ। গ্রাহকের গোপনীয়তা
রক্ষার প্রতিশ্রুতি দিয়েই এ অ্যাপ্লিকেশন যাত্রা করে।
এতে ভয়েস ও ভিডিওকলেও এনক্রিপশন ফিচার যুক্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া ইউটিউবের মতো অ্যাপটিতে নিজস্ব চ্যানেল খোলার ব্যবস্থাও রয়েছে। শুধু আইওএস বা অ্যান্ড্রয়েড প্ল্যাটফর্মেই নয়, এটি ব্যবহার করা যায় ম্যাকওস, উইন্ডোজ এমনকি ওয়েব প্ল্যাটফর্মেও। শুধু অ্যান্ড্রয়েড প্ল্যাটফর্মেই এ অ্যাপটি ১০০ কোটির বেশিবার ডাউনলোড হয়েছে।
সূত্র : এক্সপ্রেস ট্রিবিউন