প্রবা প্রতিবেদন
প্রকাশ : ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৩ ১৫:১৮ পিএম
আপডেট : ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৩ ১৫:৫১ পিএম
ওপেনএআই-এর প্রধান টেকনোলজি অফিসার মিরা মুরতি। ছবি : সংগৃহী
প্রযুক্তিবিশ্বে এখনকার চমক চ্যাটজিপিটি। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তানির্ভর চ্যাটবটটির ওপর মানুষের আগ্রহ দিন দিন বেড়েই চলেছে। এই অ্যাপলিকেশন যেকোনো প্রশ্নের উত্তর এক নিমিষেই দিতে পারে। আশ্চর্যের বিষয় হলো, অ্যাপলিকেশনের বাইরে গিয়ে নিজের বুদ্ধিমত্তা বা মানবিকতার মাধ্যমেও উত্তর দিতে পারে এটি।
গত বছরের নভেম্বরে তৈরি হয় চ্যাটজিপিটি। কেবল জানুয়ারি মাসেই বিশ্বব্যাপী প্রায় ১০ কোটি মানুষ এটি ব্যবহার করেছে।
চ্যাটজিপিটির পেছনের কোম্পানি ওপেনএআই। এই প্রতিষ্ঠানের প্রধান টেকনোলজি অফিসার একজন নারী, যার প্রযুক্তিতে এক দশকেরও বেশি সময়ের অভিজ্ঞতা রয়েছে।
তার নাম মিরা মুরতি। ৩৫ বছর বয়সি এই নারী চার বছর ধরে ওপেনএআইতে কাজ করছেন। লিঙ্কডইন-এ দেওয়া তার জীবনবৃত্তান্ত অনুসারে, তিনি ২২ সালের মে মাসে সিটিও হিসেবে যোগ দেন। টেসলার সিনিয়র প্রোডাক্ট ম্যানেজার হিসেবেও তার কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে।
সংবাদমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, মিরা ১৯৮৮ সালে যুক্তরাষ্ট্রে আলবেনীয়ান পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। সেখানেই বেড়ে ওঠেন তিনি।
মিরা আইভি লিগ স্কুল ডার্টমাউথ কলেজ থেকে ইঞ্জিনিয়ারিং ডিগ্রি নিয়ে স্নাতক হন।
এক সাক্ষাৎকারে চ্যাটজিপিটির প্রধান মিরা স্বীকার করেন যে, তিনি ও তার দল চ্যাটবটটিকে বিশ্বে ছড়িয়ে দেওয়ার জন্য ‘ভীত’ ছিলেন। এটি যে এভাবে মানুষকে আকৃষ্ট করবে তার কোনো ধারণাও ছিল না।
তিনি এও স্বীকার করেন যে, এআই অপব্যবহার হতে পারে।
আপনি কীভাবে বিশ্বব্যাপী এই প্রযুক্তির ব্যবহার পরিচালনা করেন সে সম্পর্কে প্রশ্ন রয়েছে। মানবিক মূল্যবোধের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে আপনি কীভাবে এআই ব্যবহার পরিচালনা করবেন?
উত্তরে মিরা জানান, তাদের সংস্থাটি নিয়ন্ত্রক ও সরকার থেকে তথ্যের জোগানকে স্বাগত জানিয়েছে।
তবে নিয়ন্ত্রকদের জড়িত হওয়ার বিষয়টি খুব দ্রুতই হচ্ছে না’ বলেন তিনি।
সূত্র : খালিজ টাইমস