মনির হোসেন রনি
প্রকাশ : ২৬ এপ্রিল ২০২৫ ১৯:০০ পিএম
ছবি : সংগৃহীত
বাংলাদেশ সম্প্রতি মহাকাশ গবেষণা ও আন্তর্জাতিক সহযোগিতার বৈশ্বিক নীতিমালা ‘আর্টেমিস অ্যাকর্ডসে’ স্বাক্ষর করার পরই দেশের তরুণদের প্রশংসা জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা।
নাসার পক্ষ থেকে পাঠানো শুভেচ্ছা বার্তায় বলা হয়েছে, ‘বাংলাদেশের তরুণ সমাজ মহাকাশবিষয়ক উদ্ভাবনী চিন্তায় বিশ্বকে মুগ্ধ করেছে। গত ছয় বছরে চারবার নাসা স্পেস অ্যাপস চ্যালেঞ্জে বাংলাদেশের দলগুলো গ্লোবাল চ্যাম্পিয়ন হয়েছে।’
নাসার স্পেস অ্যাপস চ্যালেঞ্জের গ্লোবাল কমিউনিটি ম্যানেজার অ্যালিসন জেমস বার্তায় আরও বলেন, ‘আমি নিশ্চিত, এখান থেকেই ভবিষ্যতের বিজ্ঞানী, প্রকৌশলী, এমনকি নভোচারীও উঠে আসবে।’
চারবারের গ্লোবাল চ্যাম্পিয়ন বাংলাদেশ
নাসা স্পেস অ্যাপস চ্যালেঞ্জে নিয়মিত অংশ নিচ্ছে বাংলাদেশ। দেশের সফটওয়্যার ও তথ্যপ্রযুক্তি খাতের শীর্ষ সংগঠন বেসিস ২০১৪ সাল থেকে এ প্রতিযোগিতার বাংলাদেশ চ্যাপ্টারের আয়োজন করছে।
বিগত বছরগুলোর সাফল্য
বেসিসের সহায়ক কমিটির চেয়ারম্যান রাফেল কবির বলেন, ‘এ প্রতিযোগিতা তরুণদের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিতে স্বাধীনভাবে চিন্তা করার সুযোগ করে দিচ্ছে। এখান থেকেই তৈরি হচ্ছে ভবিষ্যতের বিজ্ঞানী।’
আর্টেমিস অ্যাকর্ডস
আর্টেমিস অ্যাকর্ডস হলো নাসার নেতৃত্বাধীন একটি বৈশ্বিক উদ্যোগ, যার লক্ষ্য চাঁদ, মঙ্গল, গ্রহাণু ও মহাকাশবস্তুর শান্তিপূর্ণ অনুসন্ধান ও ব্যবহারে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা জোরদার করা।
২০২০ সালে শুরু হওয়া এ উদ্যোগে ইতোমধ্যে যুক্ত হয়েছে ৫০টিরও বেশি দেশ। ২০২৫ সালের ৮ এপ্রিল বাংলাদেশ ৫৪তম দেশ হিসেবে এ চুক্তিতে স্বাক্ষর করে।
এ চুক্তি মহাকাশে স্বচ্ছতা, তথ্য ভাগাভাগি এবং অসামরিক উদ্দেশ্যে গবেষণার ওপর গুরুত্ব দেয়।
বাংলাদেশের তরুণদের সৃজনশীলতা, উদ্ভাবনী শক্তি এবং মহাকাশ গবেষণায় আগ্রহ এবার আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি পেয়েছে। আর্টেমিস অ্যাকর্ডসে যুক্ত হওয়া এবং নাসার প্রশংসা দুই মিলে মহাকাশে বাংলাদেশের সম্ভাবনার দিগন্ত যেন আরও বিস্তৃত হলো।