সেরা পাঁচ
দেবাশীষ বিশ্বাস
প্রকাশ : ১০ আগস্ট ২০২২ ১৬:২৩ পিএম
আপডেট : ১০ আগস্ট ২০২২ ১৭:৩৯ পিএম
পড়াশোনার মাধ্যমে কারিগরি দক্ষতার অর্জন সম্ভব, তবে এর বাইরে বেশ কিছু দক্ষতা আছে যা নিজ থেকেই আয়ত্ত করতে হয়। বর্তমান সময়ে সফট স্কিল গড়ে তোলার ব্যাপারে জোর দেওয়া হচ্ছে। যা আপনার ক্যারিয়ারে যোগ করতে পারে বাড়তি পালক।
এমন ৫ টি বিষয়ে জ্ঞান বা দক্ষতা সম্পর্কে বলবো আজ।
(১) ব্লকচেইন ডেভেলপমেন্ট
(২) ভিডিও এডিটিং, গ্রাফিক্স ডিজাইন এবং অ্যানিমেশন
(৩) প্রোগ্রামিং
(৪) ডিজিটাল মার্কেটিং
(৫) মেটাভার্স টেকনোলজি
ব্লকচেইন ডেভেলপমেন্ট
ব্লকচেইনকে আমরা অনেকেই ক্রিপ্টোকারেন্সির সঙ্গে গুলিয়ে ফেলি। এটি মুলত ডাটা স্টোর বা সংরক্ষন করার একটি মাধ্যম। যা ভবিষ্যতে তথ্য নিরাপত্তার অন্যতম প্রযুক্তি হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। ব্লকচেইন ডেভেলপমেন্টের জন্য আমাদের তিনটে স্কিল সম্পর্কে ভালো করে জানতে হবে- Programming, Data Structure এবং Cryptography।
ভিডিও এডিটিং, গ্রাফিক্স ডিজাইন এবং অ্যানিমেশন
বর্তমান সময়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের সংখ্যা বেড়েছে। যে কারনে এদের প্রায় সবারই কাজের প্রয়োজনে ভিডিও এডিটিং, গ্রাফিক্স ডিজাইন এবং অ্যানিমেশন স্কিল সম্পর্কে ধারনা থাকা আবশ্যক। এই তিনটে বিষয়ে দক্ষ হলে কনটেন্ট ক্রিয়েটারদের প্রয়োজনীয়তা সম্পূর্ন হয়।
প্রোগ্রামিং
প্রোগ্রামিং বলতে সফটওয়্যার, ওয়েবসাইট বা কোনো কাজের জন্য কোডিং করাকে বোঝানো হয়। কোনো কাজের প্রোগ্রাম করতে অবশ্যই বেসিক কোডিং নলেজ থাকা আবশ্যক।
বর্তমান সময়ের চাহিদাবহুল প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজগুলো হলো- HTML, Python, Java, Ruby, CSS, Perl ইত্যাদি।
ডিজিটাল মার্কেটিং
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের এই সময়ে ডিজিটাল মার্কেটিংয়ের গুরুত্ব বেড়েছে। স্টার্টআপ থেকে শুরু করে ব্যবসায়ী- সকলেই এখন তাদের পণ্যের পরিষেবা দিতে ও বিক্রি বাড়াতে ডিজিটাল মার্কেটিংয়ের দ্বারস্থ হচ্ছে। ব্র্যান্ড প্রমোশন থেকে শুরু করে গ্রাহকদের কাছে পণ্যের খোঁজখবর জানানোসহ পৌঁছে দেয়া পর্যন্ত প্রতিটি ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হচ্ছে ডিজিটাল মার্কেটিং।
মেটাভার্স টেকনোলজি
মেটাভার্স মূলত ত্রিমাত্রিক ভার্চ্যুয়াল দুনিয়া। যেখানে আভাটার বা অবতারের মাধ্যমে ভার্চ্যুয়ালি পারস্পরিক যোগাযোগ হয়ে থাকে। আগামী দিনগুলোতে এই টেকনোলজি দারুন উন্নতি লাভ করবে। তবে মূল মাধ্যমে আসতে এখনো আরো সময় লাগতে পারে। আগামীতে মেটাভার্স নিয়ে কাজ করতে Blockchain, AR/VR, Artificial Intelligence, 3D Reconstruction, Internet of Things এর মতো কিছু স্কিল শিখে রাখলে ক্ষতি নেই।
এই ৫ টি স্কিলের মধ্যে আপনার পছন্দের একটি নিয়ে কাজ শুরু করতে পারেন। আপনি চাইলে ফ্রিতে অনলাইন থেকেই বেসিক সম্পর্কে জানতে পারবেন। তবে অ্যাডভান্স লেভেলের জ্ঞান অর্জন করতে আপনাকে অবশ্যই পেইড কোর্স করতে হবে।
প্রবা/দেবি