প্রবা প্রতিবেদন
প্রকাশ : ২৩ মে ২০২৪ ১২:২১ পিএম
আমিনুল ইসলাম বুলবুল
বহুসাংস্কৃতিক কর্মপরিকল্পনা হাতে নিয়েছে ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া (সিএ)। যার মাধ্যমে সমাজের বিভিন্ন স্তরে যারা নেতৃত্বে রয়েছেন তাদের একত্র করবে সংস্থাটি। যাতে খেলাধুলা ও বৃহত্তর সম্প্রদায়ের ইতিবাচক পরিবর্তন আনা যায়। এ জন্য বহুসাংস্কৃতিক দূত কার্যক্রম শুরু করেছে সিএ। সমাজের উন্নতির জন্য সরকারি প্রতিষ্ঠান, বাণিজ্য, খেলাধুলা, গণমাধ্যম ও বিভিন্ন সম্প্রদায়ের নানা পটভূমির ৫৪ জন অভিজ্ঞ ব্যক্তিত্বকে দূত হিসেবে নিয়োগ দিয়েছে অস্ট্রেলিয়ার ক্রিকেট অভিভাবক সংস্থাটি।
ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়ার বহুসাংস্কৃতিক দূত হিসেবে যুক্ত হয়েছেন আমিনুল ইসলাম বুলবুল। বাংলাদেশের জাতীয় ক্রিকেট দলের সাবেক এ অধিনায়কের সঙ্গে বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত রয়েছেন আরও তিনজন। শুভেচ্ছাদূত হিসেবে তার সঙ্গী হয়েছেন রিয়েলিটি শো মাস্টারশেফ অস্ট্রেলিয়ার রানারআপ কিশোয়ার চৌধুরী, কিশোয়ারের বাবা ও সমাজসেবী কামরুল চৌধুরী ও অস্ট্রেলিয়ার ন্যাশনাল অ্যাওয়ার্ড প্রাপ্ত ফার্মাসিস্ট স্বরূপ আফসার।
শুভেচ্ছাদূতের লিস্টে আমিনুল ছাড়াও রয়েছেন বিভিন্ন দেশের আরও বেশ কয়েক জন সাবেক ক্রিকেটার। এ তালিকা সমৃদ্ধ করেছেন পাকিস্তানের কিংবদন্তি ক্রিকেটার ওয়াসিম আকরাম, ভারতের রবি শাস্ত্রী, শ্রীলঙ্কার রাসেল আর্নল্ড, ওয়েস্ট ইন্ডিজের সাবেক অধিনায়ক ড্যারেন গঙ্গা ও অস্ট্রেলিয়ার নারী দলের সাবেক অলরাউন্ডার লিসা স্টালেকার। সক্রিয় ক্রিকেটারদের মধ্যে দূত হয়ে আলো ছড়াচ্ছেন উসমান খাজা, অ্যাশটন অ্যাগার, স্কট বোল্যান্ড, গুরিন্দার সান্ধু ও তানভীর সাংহা।
ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়ার প্রত্যাশা, দূত হয়ে সাবেক ও বর্তমান ক্রিকেটার, শিল্প ও বিভিন্ন সম্প্রদায়ের কর্তা-ব্যক্তিরা বহুসাংস্কৃতিক কর্মপরিকল্পনায় বৈচিত্র্য নিয়ে আসবেন এবং এ কর্মপরিকল্পনার লক্ষ্য অর্জনে সহায়তার হাত বাড়িয়ে দেবেন। এ নিয়ে সিএ’র প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা নিক হকলি বলেন, ‘আমরা বহুসংস্কৃতির দূতদের মতো গতিশীল ও বৈচিত্র্যময় গোষ্ঠীকে স্বাগত জানাতে পেরে রোমাঞ্চিত। তাদের সম্মিলিত নেতৃত্ব, দক্ষতা ও কর্মোদ্যম অর্থপূর্ণ পরিবর্তন আনবে এবং আরও অন্তর্ভুক্তিমূলক ক্রিকেট সম্প্রদায়কে উৎসাহিত করতে সহায়ক হবে।’
অস্ট্রেলিয়ার বহুসাংস্কৃতিক দূত কার্যক্রম নিয়ে অস্ট্রেলিয়ার তারকা টেস্ট ওপেনার উসমান খাজা বলেন, ‘আমি ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়ার বহুসাংস্কৃতিক দূত কার্যক্রমের একজন হতে পেরে গর্বিত। আমি খেলাটিকে একটি সেতু হিসেবে দেখি, যা বিভিন্ন সম্প্রদায়কে সংযুক্ত করে এবং সবাইকে স্বাগত জানায়। সেই সঙ্গে সবার মধ্যে বোঝাপড়া, সম্মানবোধ ও একতা বাড়ায়।’