× ই-পেপার প্রচ্ছদ বাংলাদেশ রাজনীতি দেশজুড়ে বিশ্বজুড়ে বাণিজ্য খেলা বিনোদন মতামত চাকরি ফিচার চট্টগ্রাম ভিডিও সকল বিভাগ ছবি ভিডিও লেখক আর্কাইভ কনভার্টার

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ

লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড

প্রবা প্রতিবেদক

প্রকাশ : ২০ মে ২০২৪ ১১:১৩ এএম

আপডেট : ২০ মে ২০২৪ ১৬:২২ পিএম

নয়টি বিশ্বকাপের মাঝে একটি জিততে পারে পরাক্রমশালী অস্ট্রেলিয়া— পুরোনো ছবি

নয়টি বিশ্বকাপের মাঝে একটি জিততে পারে পরাক্রমশালী অস্ট্রেলিয়া— পুরোনো ছবি

লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড— কথাটি বাংলাদেশের রাজনীতিতে বহুল ব্যবহৃত। নির্বাচন প্রক্রিয়ায় সব দলের সমান সুযোগ দাবি করে ব্যবহৃত হয় কথাটি। রাজনীতি বিশেষত নির্বাচনে ‘লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড’ কতটা কার্যকর হয়, সেটা অন্য প্রসঙ্গ। তবে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ কিন্তু সবার জন্যই এনে দিয়েছে সমান সুযোগ। ক্রিকেটের এই সংক্ষিপ্ত সংস্করণের বিশ্বকাপে এককভাবে ফেবারিট কেউ নাই। গত আট আসরের মধ্যে প্রবল পরাক্রমশালী অস্ট্রেলিয়া শিরোপা জিতেছে মোটে একবার।

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ শুরু হয় ২০০৭ সালে। ওই সময় ক্রিকেটে অস্ট্রেলিয়ার অবস্থান কেবল তুলনীয় ‘সূর্য অস্ত না যাওয়া’ ব্রিটিশ রাজত্বের সঙ্গে। ক্রিকেটের একক পরাশক্তি মানে অজিরা ক্রিকেট অপ্রতিদ্বন্দ্বী। কিন্তু ছোট ফরম্যাটের এই বিশ্বকাপের অভিষেক আসরেই মুদ্রার উল্টো পিঠ দেখল অস্ট্রেলিয়া। সেমিফাইনালেই থামল রিকি পন্টিংদের স্বপ্নযাত্রা।

এটাকে আকস্মিক হোঁচট বলারও কোনো সুযোগ নাই। ২০০৭ থেকে এখন পর্যন্ত পাঁচ ওয়ানডে বিশ্বকাপে পাঁচবারের মধ্যে তিনবার চ্যাম্পিয়ন অস্ট্রেলিয়া। আর এই সময়ে আটটি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের মধ্যে অজিরা শিরোপা জিতেছে মোটে একবার। ২০২১ সালের আরব আমিরাত ও ওমান আসরে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ধাঁধা থেকে বেরোতে সমর্থ হয় বিশ্ব ক্রিকেট ইতিহাসের সবচেয়ে সফল দলটি। 

সর্বশেষ ২০২২ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ঘরের মাঠেও নিজেদের চেনাতে পারেনি ক্রিকেট পেশাদারত্বের ‍চূড়ায় থাকা অজিরা। ওই আসরে সেমিফাইনালেরই নাগাল পায়নি ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়নরা। সব কথার এক কথা, ঘরের মাঠে খেলা কিংবা আগের আসরের চ্যাম্পিয়ন হওয়া— এগুলো সর্বোচ্চ ফলের কোনো নিশ্চয়তা নয়। ২৪০ বলের খেলায় পরিসংখ্যান, ইতিহাস, এসব যেন শুধু সংখ্যা। নির্দিষ্ট দিনে যারা ভালো খেলবে তারাই উড়বে, এটাই যেন টি-টোযেন্টির বিশেষত্ব। ক্রিকেটের যে সর্বজনীন বিশেষণ, ‘গৌরব সময় অনিশ্চয়তা’ সেটাই যেন নতুন করে ফিরিয়ে এনেছে ছোট ফরম্যাটের এই বিশ্বকাপ। 

টি-টোয়েন্টি কতটা আনপ্রেডিক্টেবল, সেটা অনুধাবন করার জন্য একটি তথ্যই যথেষ্ট। ক্যারিবীয়রা সর্বশেষ ওয়ানডে বিশ্বকাপ জিতেছে ১৯৭৯ সালে। ৫০ ওভারের বিশ্বকাপে তারা সর্বশেষ ফাইনাল খেলেছে ১৯৮৩ সালে। সর্বশেষ সেমিফাইনাল খেলেছে ১৯৯৬ সালে। এর পরের পাঁচ আসরে একবারের জন্যও ক্যারিবীয়রা জায়গা করে নিতে পারেনি সেমির মঞ্চে। 

সর্বশেষ ২০২৩ বিশ্বকাপে পৌঁছাতে পারেনি মূলপর্বেই। আর সেখানে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে সর্বশেষ পাঁচ আসরের মধ্যে দু-দুবার শিরোপা জিতেছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। এই ফরম্যাটের বিশ্বকাপে দুবার চ্যাম্পিয়ন হওয়ার প্রথম দলও তারাই। পরবর্তী সময়ে দ্বিতীয় দল হিসেবে এই কৃতিত্ব দেখিয়েছে ইংল্যান্ড। 

কুড়ি কুড়ির উৎসবে কাউকেই একক পরাশক্তি হয়ে ওঠার সুযোগ দেননি ক্রিকেট দেবী। ছোট ফরম্যাটের এই বিশ্বকাপ এখন পর্যন্ত সবার জন্য উন্মুক্ত। ঢাল-তলোয়ার থাকলেও এখানে নিধিরামদের সর্দারি চলে না। আরও সহজ করে বললে, এই আসরে কেউ বড় বা ছোট নয়, পরিসংখ্যান তথৈবচ!

শেয়ার করুন-

মন্তব্য করুন

Protidiner Bangladesh

সম্পাদক : মুস্তাফিজ শফি

প্রকাশক : কাউসার আহমেদ অপু

রংধনু কর্পোরেট, ক- ২৭১ (১০ম তলা) ব্লক-সি, প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড) ঢাকা -১২২৯

যোগাযোগ

প্রধান কার্যালয়: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৬৯৬ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (প্রিন্ট): +৮৮০১৯১১০৩০৫৫৭, +৮৮০১৯১৫৬০৮৮১২ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (অনলাইন): +৮৮০১৭৯৯৪৪৯৫৫৯ । ই-মেইল: [email protected]

সার্কুলেশন: +৮৮০১৭১২০৩৩৭১৫ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন মূল্য তালিকা