প্রবা প্রতিবেদন
প্রকাশ : ১৮ মে ২০২৪ ২৩:৪৫ পিএম
শাহিন শাহ আফ্রিদি আর বাবর আজমের উল্লাস
শিরোপার দুয়ারে পৌঁছে গিয়েছিল পাকিস্তান। তা আবার টানা দুই বিশ্বকাপে। কিন্তু শিরোপা থেকে হাত ছোঁয়া দূরত্বে থেকেও এশিয়ান ক্রিকেট পরাশক্তিটি ফেরে রাজ্যের হতাশাকে সঙ্গী করে। অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে ২০২২ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের শিরোপা নির্ধারণী ম্যাচে কপাল পোড়ে ইংল্যান্ডের কাছে ৫ উইকেটের হারে। তার আগে সংযুক্ত আরব আমিরাতে ২০২১ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে পাকিস্তানের শিরোপা স্বপ্ন ভাঙে সেমিফাইনালে। শেষ চারে অস্ট্রেলিয়ার কাছে আত্মসমর্পণ করেন বাবর আজমরা। তবে এবার দুর্ভাগ্যটা বিদায় নিতে যাচ্ছে তাদের। পাকিস্তান বিশ্বকাপ শিরোপা জয়ের খুব কাছেই আছে বলে বিশ্বাস করেন দেশটির তারকা পেসার শাহিন শাহ আফ্রিদি।
পাকিস্তানের ঘরোয়া টি-টোয়েন্টি টুর্নামেন্ট পিএসএলে ২০২২ ও ২০২৩ সালের টানা চ্যাম্পিয়ন নিজের ফ্র্যাঞ্চাইজি লাহোর কালান্দার্সের উদাহরণ টেনে শাহিন শাহ আফ্রিদি বলেন, 'আপনি কঠোর পরিশ্রম করে ফল পাবেন না এটা সম্ভব না। যেমন পিএসএলে লাহোর কালান্দার্স ছয় বছর পরিশ্রম করেছে। আগের বছরগুলোতে নিচের দিকে শেষ করলেও খেলোয়াড়দের উন্নতির ধারাবাহিক প্রক্রিয়ার সুফল পেয়ে টানা চ্যাম্পিয়ন হয়েছে। পাকিস্তানও সেরকম অবস্থায় আছে। আমরা বিশ্বকাপ জেতার খুবই কাছে।'
টানা দুই বিশ্বকাপে খুব কাছে গিয়েও শিরোপা হাতছাড়া করে ব্যর্থতার গল্প লিখেছে পাকিস্তান। হৃদয় ভাঙার সেই দুঃসহ স্মৃতি রোমন্থন করেন শাহিন, 'এটা হতাশাজনক যদি আপনি খুব কাছে গিয়েও জিততে না পারেন। দুটি ইভেন্টই বেদনাদায়ক ছিল। প্রথমবার আমরা কষ্ট পেয়েছিলাম, দ্বিতীয়বার আমি মাঠে আসতে চাইলেও চোটের কারণে পারিনি।'
টানা দুই বৈশ্বিক আসরের পর ভারতের মাটিতে ২০২৩ ওয়ানডে বিশ্বকাপেও সাফল্য ধরা দেয়নি পাকিস্তানের। আইসিসির এ ফ্লাগশিপ টুর্নামেন্টে ভরাডুবির পর নেতৃত্ব হারিয়ে ছিলেন বাবর আজম। তার বদলে নেতৃত্বের গুরুভার বর্তেছিল শাহিনের কাঁধে। তবে অধিনায়কত্ব দলবদল হয়েছে দুজনের মধ্যে। শাহিনকে হটিয়ে ফের পাকিস্তানের নেতৃত্ব বাবরের কাঁধে তুলে দিয়েছে পিসিবি। বিশ্বকাপ সামনে রেখে অবসরকে না বলে স্টার পেসার মোহাম্মদ আমিরের সঙ্গে দলে ফিরেছেন অলরাউন্ডার ইমাদ ওয়াসিম। নেতৃত্ব হারানোর পর বাবরের সঙ্গে সম্পর্ক নিয়ে নানা গুঞ্জন ডানা মেলেছে গণমাধ্যমের আকাশে। সে সব তুড়ি মেরে উড়িয়ে শাহিন জোর দিয়েই জানিয়েছেন, দলীয় ঐক্য এখন ঠিক আগের মতোই অটুট, 'ঐক্য বজায় রেখে খেলাটা আমাদের লক্ষ্য। এই সময়টাও বিরোধ কিংবা তর্ক করার নয়। এখন সবার একই রাস্তায় চলার সময়।'