বিদায়ী বার্তায় ক্লপ
প্রবা প্রতিবেদন
প্রকাশ : ১৮ মে ২০২৪ ২০:৫৬ পিএম
ইয়ুর্গেন ক্লপ। ছবি : সংগৃহীত
‘হাল ছেড়ে দেওয়া স্কাউসদের (লিভারপুলে বসবাসরত মানুষদের এই নামেই ডাকা হয়) অভিধানে নেই।’ বিদায়ের আগে আবেগঘন বার্তায় লিভারপুলের স্থানীয় মানুষদের উদ্দেশে এটিই বলেছেন ইয়ুর্গেন ক্লপ। ঐতিহ্যের জীবাশ্মতে পরিণত হওয়া এক ক্লাব, যাদের লিগ শিরোপা জেতার বয়স পেরিয়ে গিয়েছিল ২৫ বছর। এক দশকের বেশি সময় ধরে যারা জিততে পারেনি চ্যাম্পিয়নস লিগ শিরোপা। সেই ক্লাবটিই জেগে ওঠে ক্লপের ছোঁয়ায়। গত প্রায় ৯ বছরে লিভারপুলকে সম্ভাব্য সব শিরোপাই জিতিয়েছেন ক্লপ। তবে সবকিছুরই শেষ আছে। লিভারপুলেও নিজের অধ্যায়ের ইতি টেনেছেন তিনি।

বিদায়বেলায় অবশ্য ক্লপের কোনো আক্ষেপ নেই। অ্যানফিল্ডে যা পেয়েছেন, ক্লপ তাতেই খুশি। লিভারপুলকে বিদায় বলাও কত বেদনাদায়ক, সেটাও জানিয়েছেন তিনি, ‘এটা আমার জীবনের সবচেয়ে উত্তেজনাপূর্ণ একটা সপ্তাহ ছিল। এই সপ্তাহে আমি প্রায়ই ‘বিদায়’ বলেছি। আমাদের এটা দেখানোর প্রয়োজন নেই সপ্তাহটা খুব স্বাভাবিক ছিল; কারণ এটা আসলেই ছিল না। বিদায় বলা আমার মনে হয় না কখনও সুন্দর কিছু। কিন্তু বেদনা বা দুঃখবোধ ছাড়া যখন বিদায় নিতে হয়, তখন এর মানে হলো আমরা একসঙ্গে যে সময় কাটিয়েছি সেটা ভালো ছিল না। কিন্তু এখানে আমরা দারুণ সময়ই কাটিয়েছি। তাই এটা স্পষ্ট যে, বিষয়টা খুবই কঠিন হবে।’

লিভারপুলে সমর্থক এবং ক্লাব থেকে যে সম্মান ক্লপ পেয়েছেন সেজন্য সবাইকে ধন্যবাদ দিয়েছেন, জানিয়েছেন কৃতজ্ঞতার কথাও, ‘লিভারপুল এমন একটি শহর, যেখানে আমরা থাকতাম এবং কাজ করতাম, কিন্তু এটি এমন একটি জায়গা যেটির প্রেমে পড়েছি আমি। এখানকার প্রতি আমি সত্যি কৃতজ্ঞ।’ ক্লাব এবং সমর্থকদের প্রতি নিজের খোলা চিঠিতে ক্লপ বলেছেন, ‘এখান থেকে আমি সবচেয়ে বড় শিক্ষাটি পেয়েছি যে, কখনও হাল ছাড়া যাবে না। আমি দেখেছি স্কাউসদের অভিধানে এটি নেই। এই শহরটিকে আমি অনেক বেশি ভালোবাসতাম, তবে কখনও বলা হয়নি। এটি এমন একটি জায়গা যেখানে আপনাকে এরা সন্তারের মতো স্বাগত জানাবে এবং আপনি কোথা থেকে এসেছেন সেটি বিচার করে না।’