× ই-পেপার প্রচ্ছদ বাংলাদেশ রাজনীতি দেশজুড়ে বিশ্বজুড়ে বাণিজ্য খেলা বিনোদন মতামত চাকরি ফিচার চট্টগ্রাম ভিডিও সকল বিভাগ ছবি ভিডিও লেখক আর্কাইভ কনভার্টার

কাউন্টডাউন : টি-২০ বিশ্বকাপ

ফাইনালে রাজত্ব বোলারদের

প্রবা প্রতিবেদক

প্রকাশ : ১৮ মে ২০২৪ ১৬:৪৪ পিএম

আপডেট : ১৮ মে ২০২৪ ১৭:১২ পিএম

২০২২ সালে সর্বশেষ বিশ্বকাপ ফাইনালে পাকিস্তানি ব্যাটারদের নিয়ে কার্যত ছেলেখেলা করেন ইংলিশ পেসার স্যাম কারান। ৪ ওভারে মাত্র ১২ রান খরচায় শিকার করেন ৩ উইকেট। ছবি : ক্রিকইনফো

২০২২ সালে সর্বশেষ বিশ্বকাপ ফাইনালে পাকিস্তানি ব্যাটারদের নিয়ে কার্যত ছেলেখেলা করেন ইংলিশ পেসার স্যাম কারান। ৪ ওভারে মাত্র ১২ রান খরচায় শিকার করেন ৩ উইকেট। ছবি : ক্রিকইনফো

টি-টোয়েন্টি ক্রিকেট মানেই বাহারি সব স্ট্রোকের প্রদর্শনী। ছক্কা আর চার ছোট ফরম্যাটের এই ক্রিকেটের মূল সুর। স্বভাবতই ব্যাটাররাই থাকেন আকর্ষণের কেন্দ্রে। তবে বিশ্বকাপ ফাইনালে কিন্তু ধারাবাহিকভাবেই আলো ছড়াচ্ছেন বোলাররা। ছোট সংস্করণের এই বিশ্বকাপে আট ফাইনালে একবারের জন্যও দুইশ তো অনেক দূরের ব্যাপার পৌনে দুইশ রানেরও নাগাল পায়নি কোনো দল। মনে রাখতে হবে, শুধু বিশ্বকাপেই দুইশ ঊর্ধ্ব রানের ইনিংস আছে ১৪টি। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে সেরা আশি স্কোরেও নেই ফাইনালের কোনো ইনিংস। সর্বোচ্চ রান ১৭৩/২। সর্বোচ্চ স্কোরের দিক থেকে এটির অবস্থান ৮৩তম। 

আগের আট ফাইনালে দেড়শ পেরিয়েছে মোটে তিনবার। প্রথম আসরের ফাইনালে দেড়শ ঊর্ধ্ব রান হলেও পরের চার ফাইনালেই দেড়শ রান করতে পারেনি কোনো দল। ২০১৬ সালে ষষ্ঠ আসরের ফাইনালে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে আগে ব্যাট করতে নেমে ৯ উইকেট হারিয়ে ১৫৫ রান সংগ্রহ করে ইংল্যান্ড। দুই বল হাতে রেখেই এই রান টপকে যায় ক্যারিবীয়রা। অস্ট্রেলিয়ার সামনে ৪ উইকেট হারিয়ে ১৭২ রানের চ্যালেঞ্জিং স্কোর দাঁড় করায় নিউজিল্যান্ড। তবে ৭ বল হাতে রেখেই কিউইদের গড়া সৌধ গুঁড়িয়ে দেয় অজিরা। 

টি-টোয়েন্টিতে সময়ের সঙ্গে ব্যাটারদের রাজত্ব বাড়তেই থাকবে, ধারণা করা হয়েছিল এমনটাই। কিন্তু ২০২২ সালে সর্বশেষ বিশ্বকাপ ফাইনালে বোলারদের ওপর ছড়ি ঘোরান বোলাররা। ঐতিহ্যবহুল মেলবোর্নের ওই ফাইনালে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে ‍৮ উইকেট হারিয়ে মাত্র ১৩৭ রানেই থামে পাকিস্তান। জয়ের জন্য ১৩৮ রানের সহজ টার্গেটে পৌঁছাতে ‍১৯ ওভার পর্যন্ত খেলতে হয় ইংলিশদের। ম্যাচে পাকিস্তানি ব্যাটারদের নিয়ে কার্যত ছেলেখেলা করেন ইংলিশ পেসার স্যাম কারান। ৪ ওভারে মাত্র ১২ রান খরচায় শিকার করেন ৩ উইকেট। 

২০০৭ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ফাইনালে  ভারতীয় পেসার যোগিন্দর শর্মা নায়ক বনে যান শেষ ওভারে। আর ম্যাচসেরার পুরস্কার পান ভারতীয় পেসার ইরফান পাঠান। ‍

২০০৭ সালের প্রথম টুর্নামেন্টে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী পাকিস্তানের বিপক্ষে আগে ব্যাট করতে নেমে ৫ উইকেট হারিয়ে ১৫৭ রান সংগ্রহ করে ভারত। জবাবে শেষ ওভারের নাটকীয়তায় ভারত জেতে ৫ রানে। অচেনা ভারতীয় পেসার যোগিন্দর শর্মা নায়ক বনে যান শেষ ওভারে। আর ম্যাচসেরার পুরস্কার পান ভারতীয় পেসার ইরফান পাঠান। ‍৪ ওভারে মাত্র ১৬ রান খরচায় ৩ উইকেট পান ইরফান। 

দ্বিতীয় আসরের ফাইনালে লঙ্কান ইনিংস গুঁড়িয়ে দেন পাকিস্তানি পেসার আব্দুর রাজ্জাক। ‍৪ ওভারে ২০ রান দিয়ে পান ৩ উইকেট। ৬ উইকেট হারিয়ে ১৩৮ রানে থামে লঙ্কানরা। অলরাউন্ড নৈপুণ্য দেখিয়ে ম্যাচ সেরার পুরস্কার জেতেন শহীদ আফ্রিদি। ২০১০ সালে তৃতীয় আসরে ইংলিশ বোলিংয়ের সামনে ২০ ওভারে ১৪৭ রান নিয়ে সন্তুষ্ট থাকতে হয় অস্ট্রেলিয়াকে। ৪ ওভারে ২৬ রান খরচায় ২ উইকেট শিকার করেন ইংলিশ পেসার রায়ান সাইডবটম। আর স্পিনার গ্রায়েম সোয়ান ৪ ওভারে ১ উইকেট পেলেও রান দেন মোটে ১৭।

ফাইনালে বোলারদের রাজত্ব বজায় থাকে ২০১৪ সালে বাংলাদেশে আয়োজিত আসরেও। শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ফাইনালে আগে ব্যাট করা ভারত পুঁজি পায় মোটে ১৩০ রান। ১৩ বল হাতে রেখেই শিরোপা জিতে নেয় শ্রীলঙ্কা। পরের দুটি (ষষ্ঠ ও সপ্তম) আসরে দেড়শ পেরুতে পারে আগে ব্যাট করা দল। এই দুবারই অবশ্য ম্যাচ জেতে পরে ব্যাট করা দল। তবে প্রথম ইনিংসে ব্যাটারদের ‍জন্য কাজটাকে অনেকটায় সহজ করে দেন বোলাররা। 

ফাইনালে ব্যাটারদের সব সময় বড় পরীক্ষা নিয়ে আসছেন বোলাররা। আর তাতে লো স্কোরিং ফাইনাল যেন হয়ে উঠেছে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের অনিবার্য নিয়তি। 

শেয়ার করুন-

মন্তব্য করুন

Protidiner Bangladesh

সম্পাদক : মুস্তাফিজ শফি

প্রকাশক : কাউসার আহমেদ অপু

রংধনু কর্পোরেট, ক- ২৭১ (১০ম তলা) ব্লক-সি, প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড) ঢাকা -১২২৯

যোগাযোগ

প্রধান কার্যালয়: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৬৯৬ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (প্রিন্ট): +৮৮০১৯১১০৩০৫৫৭, +৮৮০১৯১৫৬০৮৮১২ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (অনলাইন): +৮৮০১৭৯৯৪৪৯৫৫৯ । ই-মেইল: [email protected]

সার্কুলেশন: +৮৮০১৭১২০৩৩৭১৫ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন মূল্য তালিকা