সাভার (ঢাকা) সংবাদদাতা
প্রকাশ : ০৯ মে ২০২৪ ২০:৪৫ পিএম
আপডেট : ০৯ মে ২০২৪ ২০:৫১ পিএম
যুব ও ক্রীড়ামন্ত্রী এবং বিসিবি সভাপতি নাজমুল হাসান পাপন ছবি : সংগৃহীত
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে লাল-সবুজের
প্রতিনিধি কারা, এখন পর্যন্ত অজানা ভক্তদের। ২০ দলের আসরে বেশিরভাগের স্কোয়াড চূড়ান্ত।
ব্যতিক্রম বাংলাদেশ। ধারণা করা হচ্ছে, জিম্বাবুয়ে সিরিজে খেলা ক্রিকেটারদের নিয়ে গঠিত
হতে পারে স্কোয়াড! এক্ষেত্রে দুয়েকটা জায়গায় পরিবর্তন হতে পারে বলে মনে করছেন যুব ও
ক্রীড়ামন্ত্রী এবং বিসিবি সভাপতি নাজমুল হাসান পাপন।
বৃহস্পতিবার সাভারের
শেখ হাসিনা জাতীয় যুব উন্নয়ন ইনস্টিটিউটে এক মতবিনিময় সভায় আসন্ন বিশ্বকাপ এবং জাতীয়
দলের স্কোয়াড নিয়ে কথা বলেছেন পাপন। সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেছেন, ‘স্কোয়াড
নিয়ে এখনই কিছু বলা যাচ্ছে না। তবে আন্দাজ করা যায় দুয়েকটা জায়গা এদিক-সেদিক হবে।’
এই মুহূর্তে ঘরের মাঠে টি-টোয়েন্টি
সিরিজ খেলছে বাংলাদেশ। দুই ম্যাচ হাতে রেখে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ইতোমধ্যে সিরিজ নিশ্চিত
করেছে নাজমুল ব্রিগেড। স্বাগতিক দলের লক্ষ্য হোয়াইটওয়াশ। সে লক্ষ্যে শেষ দুই ম্যাচে
ভেড়ানো হয়েছে সাকিব আল হাসান, মুস্তাফিজুর রহমান ও সৌম্য সরকারকে। এ বিষয়ে পাপন বলেছেন,
‘আমাদের বোলাররা ভালো করছে। সে তুলনায় টপ অর্ডারের ব্যাটাররা সুবিধা করতে পারছে না।
তৌহিদ হৃদয় বেশ ধারাবাহিক। বিষয়টি ভালো লেগেছে। তানজিদ তামিম খারাপ না। তাকে আরও আগ্রাসী
হতে হবে। প্রথম থেকেই একটু মেরে খেলতে হবে। মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ তো অসাধারণ। সাকিব ও
মুস্তাফিজ জয়েন করেছে। আশা করি সিরিজে আরও ভালো কিছু হবে এবং একটি ব্যালান্সড টিম নিয়েই
বিশ্বকাপে যাব আমরা।’
এতকাল ক্রিকেট নিয়েই ব্যস্ততা
ছিল পাপনের। মন্ত্রিত্ব পাওয়ার পর ফুটবল-হকি-টেনিসসহ অর্ধশতেরও বেশি ফেডারেশনের দিকে
নজর দিতে হচ্ছে তাকে। এ নিয়ে ক্রীড়ামন্ত্রীর ভাষ্য, ‘সব ফেডারেশন বা সব খেলায় আমাদের
গোল্ড মেডেল আনতে হবে, এমন চিন্তা করাটা ঠিক হবে না। সব ফেডারেশন নিয়ে আমার আগে জানতে
হবে। ফেডারেশন আছে ৫৮টা, এর মধ্যে ৫৪টার সঙ্গে আমার বসতেই হবে। কিছু আছে যাদের নিয়ে
ওয়ার্ল্ড কাপ চিন্তা করা যায়, কিছু আছে এসএ গেমস, কিছু এশিয়ান গেমস, কিছু আছে যাদের
দিয়ে অলিম্পিকে বা কমনওয়েলথে পদক আনতে চাই। এই ভাগটা করতে হবে। এ জন্যই সবার সঙ্গে
আগে বসাটা নিশ্চিত করতে হবে।’
ক্রীড়ামন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের
রিসোর্স সীমিত। সবাইকে যদি আমরা একভাবে দেখতে যাই, তাহলে কোনোটাই ঠিকভাবে সাহায্য-সহযোগিতা
পাবে না। আগে তাদের সঙ্গে বসতে চাই, আলোচনা করতে চাই। তারা কী ভাবছে, তাদের চিন্তাভাবনা
কী, তারা কোথায় যেতে পারে। এই ব্যাপারগুলোই আলোচনা করছি। তারপর এখান থেকে শর্টলিস্ট
করব।’