প্রবা প্রতিবেদক
প্রকাশ : ০৩ মার্চ ২০২৪ ২১:০৫ পিএম
আপডেট : ০৩ মার্চ ২০২৪ ২১:৪৮ পিএম
শ্রীলঙ্কা সিরিজে ঘোষিত স্কোয়াডে
ছিলেন না। নির্বাচকদের ভাবনায় জাকের আলী ছিলেন কি না, জানা যায়নি। জাকের ওসবে দৃষ্টিপাতও
করেননি। যা দরকার, রয়েসয়ে করে গেছেন। নিজেকে প্রমাণের চেষ্টাগুলো বিপিএলে উপস্থাপন
করেছেন। ফলও পেয়েছেন হাতেনাতে। আলিস আল ইসলামের ইনজুরিতে শেষ মুহূর্তে বাংলাদেশ দলে
জায়গা পেয়েছেন এই উইকেটরক্ষক ব্যাটার।
ডাক পাওয়ার পর রবিবার (৩ মার্চ) সিলেটে
সতীর্থদের সঙ্গে অনুশীলন করেছেন জাকের। তাসকিন আহমেদের নেতৃত্বে জাতীয় দলের সতীর্থরা
তাকে ড্রেসিংরুমে গ্রহণ করে নেন। এমন আয়োজনে তৃপ্ত জাকের। শুকরিয়া জ্ঞাপন করেছেন।
বলেছেন, ‘আলহামদুলিল্লাহ, ভালো লাগছে। সবার একটাই স্বপ্ন থাকে, জাতীয় দলের ড্রেসিংরুমে
প্রবেশ করা।’
ইলেভেনথ আওয়ারে সুযোগ। হঠাৎ
পাওয়া সুযোগ কাজে লাগাতে মরিয়া জাকের। লোয়ার অর্ডারে দলের প্রয়োজনে সর্বোচ্চটুকু দিয়েছেন।
১৪ ম্যাচের ১০ ইনিংসে ৯৯.৫০ গড়ে করেছেন
১৯৯ রান, ১৪১ ছাড়ানো স্ট্রাইক রেট তার। ছক্কা মেরেছেন ১৪টি। সিলেটের এই তরুণ
মনে করেন, বিপিএলের পারফর্ম তাকে এমন সুযোগ এনে দিয়েছে। সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে
২৬-বর্ষী উইকেটরক্ষক ব্যাটার বলেছেন, ‘ছোটবেলা থেকেই জাতীয় দলে খেলার ইচ্ছা। সব সময়
চেয়েছি নিজেকে পরিপূর্ণ করেই জাতীয় দলে আসতে। বিপিএলে ভালো পারফরম্যান্সের কারণে সুযোগ
মিলেছে। চেষ্টা করব সেরাটা দেওয়ার। শ্রীলঙ্কা সিরিজে দলের পরিকল্পনা অনুযায়ী খেলার
লক্ষ্য থাকবে।’
নিজের আবেগ সব সময় নিয়ন্ত্রণে রাখতে চান জাকের। গড্ডলিকা প্রবাহে গা না ভাসিয়ে বরং স্বাভাবিক থাকতে চান এমন মুহূর্তে। বলেছেন, ‘ডাক পাওয়ার খবরে একদম স্বাভাবিক ছিলাম। আমি আগেও বলেছি, ইমোশন কন্ট্রোল করে চলি সবকিছুতে। সত্যিই একদম স্বাভাবিক ছিলাম। আসলে খুশি হওয়ার কোনো কিছু নেই, আমি সব সময় চিন্তা করি যে ভালো কিছু করতে হবে। খারাপ করলে একদম হতাশ হই না, ভালো করলে একদম খুশি হই না। স্বাভাবিক থাকার চেষ্টা করি। আবেগ ধরে রাখার চেষ্টা করি।’