প্রবা প্রতিবেদক
প্রকাশ : ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৪ ২২:২৬ পিএম
বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) প্রধান নির্বাচকের দায়িত্ব থেকে সরে যাচ্ছেন মিনহাজুল আবেদীন নান্নু। এর মাধ্যমে প্রায় এক যুগেরও বেশি সময় পর নির্বাচক প্যানেল থেকে অব্যাহতি পাচ্ছেন জাতীয় দলের সাবেক এই অধিনায়ক। তার পরিবর্তে গাজী আশরাফ হোসেন লিপুকে প্রধান নির্বাচক করা হচ্ছে। এ ছাড়া নির্বাচক হাবিবুল বাশার সুমনের জায়গায় স্থলাভিষিক্ত হচ্ছেন যুব দলের নির্বাচক হান্নান সরকার।
অবশ্য বিসিবিপ্রধান নাজমুল হাসান পাপন আগেই জানিয়েছিলেন, নির্বাচকের দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়া নান্নু ও সুমনকে বিসিবিতেই রাখা হবে। এরপর কিছুদিন আগে নারী উইংয়ের প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পান সুমন। আর এবার বিসিবির চিফ কো অর্ডিনেটর অব প্রোগ্রাম হিসেবে দায়িত্ব নিচ্ছেন নান্নু।
বিসিবির হেড অব প্রোগ্রাম অস্ট্রেলিয়ান ডেভিড মুরসের সঙ্গে এ বিভাগে কাজ করবেন নান্নু। বিসিবির বিভিন্ন প্রোগ্রাম আয়োজন, গেম ডেভেলপমেন্ট, টুর্নামেন্ট এসব নিয়ে কাজ করবেন তিনি।
এর আগে প্রায় এক যুগ বিসিবির প্রধান নির্বাচক ছিলেন নান্নু। এরপর নানা আলোচনা-সমালোচনার পর গত ১২ ফেব্রুয়ারি বোর্ডসভায় তার সঙ্গে চুক্তির মেয়াদ না বাড়ানোর সিদ্ধান্ত হয়। ওই দায়িত্বের মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই বিসিবিতে নতুন ঠিকানা খুঁজে পেলেন সাবেক এই ক্রিকেটার।
নান্নুকে দেশের প্রথম শ্রেণির ক্রিকেট উন্নয়নে সম্পৃক্ত করতে চেয়েছিল বিসিবি। দেশের ঘরোয়া ক্রিকেটের জাতীয় লিগ ও বিসিএলের মান উন্নয়নে একটি পদ তৈরি করে তাতে নান্নুকে সেই পদে বসানোর চিন্তা ছিল বোর্ডের।
পরে দুই পক্ষের আলোচনার ভিত্তিতে তাকে ডেভিড মুরসের সহযোদ্ধা হিসেবে চিফ কো অর্ডিনেটর অব প্রোগ্রাম পদে নিয়োগ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বোর্ড আনুষ্ঠানিকভাবে তা প্রকাশ করেনি এখনও। তবে খুব শিগগিরই বিসিবি থেকে সংবাদ বিজ্ঞপ্তি আকারে সে ঘোষণা দেওয়া হবে।
নির্বাচক প্যানেলের কাজ বরাবরই চ্যালেঞ্জিং। সম্ভবত বাংলাদেশ ক্রিকেটের সবচেয়ে সমালোচিত চরিত্র মিনহাজুল আবেদীন। সাফল্যের ভাগটাও তার প্রাপ্য। নিজেকে কীভাবে মূল্যায়ন করবেন? এমন প্রশ্নে বিদায়ি প্রধান নির্বাচক আরও বলেছিলেন, গত ১০ বছরের র্যাঙ্কিংগুলো দেখেন। সবকিছু মিলে আত্মতুষ্টি তো আছেই কাজের মধ্যে। সমালোচনা হবেই। এটা দেখাটা জরুরি না।