প্রবা প্রতিবেদন
প্রকাশ : ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৪ ০১:০৬ এএম
আপডেট : ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৪ ০১:২০ এএম
অনেকে ক্রিকেটের সংক্ষিপ্ততম সংস্করণকে অপছন্দ করেন। টি-টোয়েন্টিকে তারা মনে করেন টেস্টের হন্তারক হিসেবে। আবার অনেকে কুড়ি ওভারের ক্রিকেটে দেখতে পান ইতিবাচক কিছু। যেমনটা ধরা পড়েছে রমিজ রাজার চোখে। টেস্ট ও ওয়ানডের সমৃদ্ধকরণে টি-টোয়েন্টির সহায়ক ভূমিকা দেখতে পেয়েছেন পাকিস্তানের এ জনপ্রিয় ধারাভাষ্যকার।
বিপিএলে ধারাভাষ্য দিতে এসে চট্টগ্রামে রমিজ বলেছেন, টি-টোয়েন্টি ডিএনএ বদলে দিয়ে যাচ্ছে লাল বলের ক্রিকেটের। ছোট ফরম্যাটের ক্রিকেটের দক্ষতা ক্রিকেটের এলিট ফরম্যাটকে সমৃদ্ধ করছে।
এ নিয়ে রমিজের ভাষ্য, ‘আমি মনে করি, এটা টেস্ট ক্রিকেটকে সাহায্য করবে। ইংল্যান্ড ও ভারত কী গতিতে খেলছে, দেখছেন তো। আমরা গতবার চমকে গেছি যখন ইংল্যান্ড পাকিস্তানে এক দিনে ৪০০ রান করেছে। টেস্ট ক্রিকেটের ডিএনএ একটু একটু করে বদলে যাচ্ছে টি-টোয়েন্টির কারণে। আপনি টেস্ট ক্রিকেটে বিরক্তির জন্ম দিতে পারবেন না। আপনাকে রোমাঞ্চের জন্ম দিতে হবে। সে জন্য টি-টোয়েন্টির চরিত্রটা টেস্টে আনতে হবে।’
টি-টোয়েন্টিতে ব্যাটাররা হাত খুলে খেলতে পারেন। বোলারকে করতে পারেন কচুকাটা। ব্যাটারদের মেরে খেলার এই স্বাধীনতা থাকায় টি-টোয়েন্টি দারুণ পছন্দ রমিজের। ক্রিকেটের এই সংস্করণের জন্ম এমন আক্রমণাত্মক মানসিকতা থেকে।
ক্রিকেটের সৌন্দর্যটা তার দৃষ্টিতে ধরা দিয়েছে ঠিক এভাবে- ‘দারুণ। খেলার গতিটা আমার কাছে দুর্দান্ত লাগে। এতে ফিল্ডিংয়ের মান অনেক উন্নত হয়েছে। ফিটনেস ভালো হয়েছে। শট খেলার সামর্থ্য বেড়েছে। স্লোয়ার বল খেলার গুরুত্বপূর্ণ অংশ। আমরা যখন খেলেছি, তখন হয়তো স্টিভ ওয়াহ স্লোয়ার বল করতেন। এখন খেলাটা অনেক ঘটনাবহুল হয়েছে। আর মাঠের দর্শকই প্রমাণ করে যে, এই লিগগুলো থাকতে এসেছে।’
ইংল্যান্ড যে বাজবল খেলে যাচ্ছে। বিশ্বের বাকিদেরও সেই পথ অনুসরণ করতে হবে একদিন।
তেমন ভবিষ্যদ্বাণীই করলেন রমিজ, ‘দুটি জিনিস দরকার। আপনাকে টেস্ট জিততে হবে। পাশাপাশি এমন ধাঁচের টেস্ট ক্রিকেট খেলতে হবে, যেন তরুণ দর্শক আকৃষ্ট হয়। ওই ঝুঁকিটা নিতে হবে। ইংল্যান্ড সেটা করেছে। অন্য দলগুলোকেও তা করতে হবে। না হলে আপনি পিছিয়ে পড়বেন। কেউই টেস্ট ক্রিকেটে মন্থর শতক দেখতে চাইবে না। সবাই বলের সমান রান দেখতে চাইবে।’