প্রবা প্রতিবেদন
প্রকাশ : ০৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৪ ২০:০৪ পিএম
আপডেট : ০৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৪ ২০:৪৫ পিএম
‘টাইমড আউট’,
‘মানকাড’ কিংবা ‘অবস্ট্রাকটিং দ্য ফিল্ড’ কারও কাছে সমীচীন, বিতর্কিত হিসেবেও অনেকে
দেখেন। কারও মতে এসব নিয়মের মধ্যেই। থোড়াই কেয়ার কারও দৃষ্টিতে। ‘স্পিরিট অব ক্রিকেট’ কথাটা বহুল চর্চিত, মাঝেমধ্যে প্রশ্নবিদ্ধও। তবে অস্ট্রেলীয় কিংবদন্তি ও সাবেক অধিনায়ক
ইয়ান চ্যাপেলের কাছে ক্রিকেটীয় চেতনা একদমই ‘ফালতু’ ব্যাপার।
ভারত বিশ্বকাপে
‘টাইমড আউট’ হয়েছিলেন অ্যাঞ্জেলো ম্যাথুস। শ্রীলঙ্কান অলরাউন্ডারের আউট নিয়ে দুভাগে
বিভক্ত হয় ক্রিকেটবিশ্ব। পক্ষে-বিপক্ষে মত পড়ে। দুয়োধ্বনি দেওয়া হয় বাংলাদেশের অধিনায়ক
সাকিব আল হাসানকে। চ্যাপেল বিষয়গুলো নিয়ে কথা বলেছেন।
অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপে
জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ‘অবস্ট্রাকটিং দ্য ফিল্ড’ আউট হন ইংল্যান্ডের ব্যাটার হামজা শেখ।
এ নিয়ে তর্ক-বিতর্ক অনেক হয়েছে। অস্ট্রেলিয়ার চ্যানেল নাইনকে চ্যাপেল বলেছেন, ‘স্পিরিট
অব ক্রিকেট নিয়ে লোকে যা বলে, সেসব আমি পাত্তা দিই না। ক্রিকেটীয় চেতনা ফালতু ব্যাপার।
খেলার আইন নিয়ে কী সমস্যা? খেলার আইনের মধ্যে থাকলে অন্য সব আজেবাজে ব্যাপার পাত্তা
দেওয়ার প্রয়োজন নেই। এই নামের বদলে অন্যকিছু ব্যবহার করা উচিত। এর কোনো অর্থ হয় না।’
অস্ট্রেলিয়ার
সাবেক অধিনায়ক স্টিভ ওয়াহর উদাহরণ টেনে চ্যাপেল বলেছেন, ‘স্টিভ ওয়াহ স্পিরিট অব ক্রিকেটের
পক্ষে কথা বলে, এর চেয়ে বড় ভণ্ডামি আর হয় না।’
৮০ বর্ষী এই কিংবদন্তি
জানিয়েছেন, অবস্ট্রাকটিং দ্য ফিল্ডের প্রথম ঘটনা তিনি দেখেছেন শৈশবে, ‘তখন সম্ভবত ১০
বছর বয়স। বাবার (মার্টিন চ্যাপেল) দলের হয়ে রান করছিলাম সেটা সম্ভবত অ্যাডিলেডে
সি গ্রেড ক্রিকেটে। ব্যাটার বলটা নিচে খেলার পর তা গড়িয়ে স্টাম্পের দিকে যাচ্ছিল। সে
হাত দিয়ে বলটি থামায়। বাবা আবেদন করার পর তাকে আউট দেওয়া হয়।’
ওই দিনের ঘটনা নিয়ে তিনি বলেছেন, ‘বাড়ি ফেরার পথে মার্টিন বলল সিদ্ধান্তটি নিয়ে কী মনে হয়? বললাম, ব্যাটার আউট। ব্যাটিংয়ের সময় হাত দিয়ে বল ধরা যাবে না। মার্টিন এরপর যা বলেছিল, সেটা কখনও ভুলব না আমি তোমাকে কখনও এভাবে আউট হতে দেখতে চাই না, আমিও কখনও হইনি।’