প্রবা প্রতিবেদক
প্রকাশ : ০৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৪ ১৯:৫৫ পিএম
আগেই ফাইনাল নিশ্চিত হওয়াতে রাউন্ড রবিন লিগের শেষ ম্যাচটিতে চাপ ছিল না বাংলাদেশের জন্য। যে কারণে বেঞ্চে থাকা খেলোয়াড়দের ঝালাই করে নিয়েছেন কোচ সাইফুল বারী টিটু। আগের একাদশ থেকে আজ কেবল দুজনকে রেখেছেন। তবে প্রথমার্ধের ফলাফলে খুশিই হবেন সাইফুল বারী। সাফ অনূর্ধ্ব-১৯ চ্যাম্পিয়নশিপে ভুটানরে বিপক্ষে প্রথমার্ধ শেষে ২-০ গোলে এগিয়ে বাংলাদেশ। গোল দুটি করেছেন নুসরাত জাহান মিতু ও মোসাম্মৎ ঐশি খাতুন।
১৮ মিনিট বা প্রান্ত দিয়ে আক্রমণে ওঠেন মোসাম্মৎ সুলতানা আক্তার। বক্সে ঢুকে অবশ্য জটলার মধ্যে পড়ে যান তিনি। ভুটানের গোলপোস্টের সামনে বেশ কয়েকবার বল ঘুরাঘুরি করল একে অপরের পায়ে। শেষ পর্যন্ত পেছনে থাকা নুসরাত জাহান মিতু ডান পায়ের জোড়ালো শটে লক্ষ্যভেদ করেন। ম্যাচে প্রথম লিড নেয় বাংলাদেশ।
তিন মিনিট পর মিতু বাড়ানো পাস ধরে ডানপ্রান্ত দিয়ে আক্রমণে ওঠেন উমেহ্লা মারমা। তবে কর্নারের বিনিময়ে বল ক্লিয়ার করেন ভুটানের ডিফেন্ডার কেলজাং শেরিং ওয়াং। কর্নার নিতে আসেন মিতু্। তার শটটি বক্সের মধ্যে এবারও জটলার সৃষ্টি করে। যদিও প্রতিপক্ষ ডিফেন্ডারদের দৃড়তায় এবার গোল পায়নি বাংলাদেশ।
এ যাত্রায় না পেলেও আক্ষেপ মেটে খেলার ৩০ মিনিটের মাথায়। সেই কর্নার থেকেই লিড বাড়িয়ে নেয় বাংলাদেশ। মিতুর নেওয়া কর্নার কিক থেকে মোসাম্মৎ ঐশি খাতুনের সরাসরি হেডে গোল পায় বাংলাদেশ। তাতে ২-০ গোলে এগিয়ে যায় জুনিয়র বাঘিনীরা।
গোলের দারুণ সুযোগ আসে প্রথমার্ধের যোগ করা সময়ে। মাঝ মাঠের নিচে থেকে লং পাসে ঐশিকে বল বাড়িয়ে দেন রিতু আক্তার। দারুণভাবে বল রিসিভ করে পোষ্টে শট নেওয়ার আগে গোলরক্ষককে কাটান তিনি। এরপর প্রতিপক্ষের দুজন ডিফেন্ডারের বাধার মুখে পড়লেও তাকে আটকে রাখা যায়নি। কিন্তু ততক্ষণে গোলের সামনে থেকে অনেকটা ডান পাশে চলে যান তিনি। কোনাকুনি শট নিয়েছেন বটে, তবে উঠে এসে তার দুর্বল শটটি সহজেই আটকে দেন গোলরক্ষক দিশা রাই।
শুরুর একাদশে এদিন নয়টি পরিবর্তন নিয়ে মাঠে নামে বাংলাদেশ। ভারতের বিপক্ষে ১-০ গোলে জেতা ম্যাচ খেলেছিলেন গোলরক্ষক স্বর্ণা রানী মন্ডল এবং উমেহ্লা মারমা ভুটানের বিপক্ষে শুরুর একাদশে নেমেছেন।
বাংলাদেশ শুরুর একাদশ: স্বর্ণা রানী মন্ডল (গোলরক্ষক), মোসাম্মৎ রুমা আক্তার, মোসাম্মৎ ঐশি খাতুন, নুসরাত জাহান মিতু, উমেহ্লা মারমা, নাদিয়া আক্তার জ্যোতি, শ্রীমতি তৃষ্ণা রানী, কানন রানী বাহাদুর, মোসাম্মৎ লুতফরনা আক্তার লিমা, রিতু আক্তার ও মোসাম্মৎ সুলতানা আক্তার।