অস্ট্রেলিয়ান ওপেন
প্রবা প্রতিবেদন
প্রকাশ : ১৭ জানুয়ারি ২০২৪ ১৩:৪৯ পিএম
২০০০ সালের পর থেকে ১৭ বছরের কম বয়সী হিসেবে তিনটি গ্রান্ডস্ল্যাম ইভেন্টে অংশগ্রহণ করা মাত্র চতুর্থ খেলোয়াড় মিরা আন্দ্রিভা। ছবি : এক্স
বুধবার তরুণ রাশিয়ান মারিয়া টিমোফিভার কাছে হেরে অস্ট্রেলিয়ান ওপেন থেকে বিদায় নিয়েছেন ২০১৮ সালের গ্রান্ডস্ল্যাম বিজয়ী ক্যারোলিন ওজনিয়াকি। অথচ বাছাইপর্ব পেরিয়ে এই টুর্নামেন্টে অংশ নিয়েছেন ২০ বছর বয়সী টিমোফিভা। বিপরীতে গ্রান্ডস্ল্যাম জয়ের দাবি নিয়ে অস্ট্রেলিয়ায় পা রেখেছিলেন ওজনিয়াকি।
প্রথম সেটে ওজনিয়াকির কারে স্রেফ উড়ে গিয়েছিলেন টিমোফিভা। কিন্তু নিজের চেয়ে ১৩ বছর বয়সী সিনিয়রকে পরের সেটে দারুণ প্রতিভা এবং শক্তি দেখিয়েছেন রাশিয়ান টেনিসকন্যা। ঘুরে দাঁড়িয়ে ১-৬, ৬-৪, ৬-১ সেটে হারিয়েছেন ওজনিয়াকিকে।

ম্যাচ হেরে ডেনমার্কের সাবেক বিশ্ব টেনিস র্যাঙ্কিংয়ের এক নম্বর খেলোয়াড় ওজনিয়াকি বলেছেন, ‘দারুণ শুরু করেছিলাম, কিন্তু ম্যাচটি হাত থেকে ফসকে গেল।’ এদিকে সাবেক গ্রান্ডস্লাম বিজয়ীকে হারিয়ে উচ্ছ্বসিত মারিয়া টিমোফিভা বলেছেন, তার মুখোমুখি হওয়াটা আমার জন্য অত্যন্ত সম্মারের। দুই সপ্তাহ আমার কাছে স্বপ্নের মতো। কেননা এটাই আমার প্রথম অস্ট্রেলিয়ান ওপেনে অংশগ্রহণ করা। এখন পর্যন্ত সবকিছু ভালোভাবেই এগোচ্ছে। সত্যিই আমার মনে হয়ে আমি স্বপ্নের মধ্যে রয়েছি।

দিনের অন্য ম্যাচে আরেক রাশিয়ান তরুনীর দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের সাক্ষী হয়েছে অস্ট্রেলিয়ান ওপেন। অনস জাবেউরকে হারিয়েছেন ১৬ বছর বয়সী কিশোরী মিরা আন্দ্রিভা। ১৫ বছর বয়স থেকেই টেনিসে আলোচনায় আসেন তিনি। গেল বছর মাদ্রিদ ওপেনে শেস ষোলোয় পৌঁছে বিশ্বকে তাঁক লাগিয়ে দেন। তবে শেষ ষোলোতে কোকো গফের কাছে হেরে টুর্নামেন্ট থেকে বিদায় নিলেও নিজের সাহসী বার্তাটা ঠিকই দিতে পেরেছিলেন।
বুধবার দ্বিতীয় রাউন্ডে জাবেউরকে ৬-০, ৬-২ সেটে হারিয়ে ১৬ বছর বয়সী আন্দ্রিভা ফের জানান দিয়েছেন টেনিস কোর্টে তিনি আসছেন। ম্যাচ শেষে রাশিয়ান সম্ভাবনাময়ী এই তরুণ তারকা বলেন, ‘তার বিরুদ্ধে খেলাটা আমার স্বপ্ন ছিল। সে যেভাবে খেলে আমি সত্যিই সেটি পছন্দ করি। এই ম্যাচ জেতার অর্থ অনেক। সম্ভবত এটি আমার ক্যারিয়ারের সেরা ম্যাচ ছিল। প্রথম সেট, আমি আশা করিনি যে আমি এতটা ভালো খেলব। দ্বিতীয় সেটটাও খারাপ ছিল না। আমার জন্য, এটি একটি আশ্চর্যজনক ম্যাচ ছিল। আমি আজ কোর্টে যে পারফর্ম দেখিয়েছি তাতে আমি খুব খুশি।’