বিপিএল
প্রবা প্রতিবেদক
প্রকাশ : ১৬ জানুয়ারি ২০২৪ ১৭:২১ পিএম
আপডেট : ১৬ জানুয়ারি ২০২৪ ১৯:৩০ পিএম
নুরুলের ব্যাটে চড়ে বড় পুঁজি পায় রংপুর— সংগৃহীত ছবি
বিপিএলের মাঠের লড়াই শুরু হতে বাকি আর দুই দিন। এর আগে নিজেদের শক্তিমত্তা যাচাই করে দেখতে প্রস্তুতি ম্যাচে মাঠে নেমেছিল দুই ফ্র্যাঞ্চাইজি রংপুর রাইডার্স ও দুর্দান্ত ঢাকা। রুদ্ধশ্বাস এই ম্যাচে ১৪ রানে জয় তুলে নিয়েছে রংপুর। অবশ্য এই ম্যাচে দলটির সাথে ছিলেন না টাইগার বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার সাকিব।
মঙ্গলবার (১৬ জানুয়ারি) বসুন্ধরা স্পোর্টস কমপ্লেক্সে অনুষ্ঠিত প্রস্তুতি ম্যাচে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে নুরুল হাসান সোহানের ৬৯ ও শামিম পাটওয়ারির ৩২ রানে ভর করে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৪ উইকেট হারিয়ে ১৭৬ রান করে রংপুর। জবাবে লক্ষ্য তাড়ায় নির্ধারিত ২০ ওভারে ৬ উইকেট হারিয়ে ঢাকা তুলতে পারে ১৬২ রান। উইকেটকিপার ব্যাটার ইরফান শুক্কুর ৪৩ বলে ৫৯ রানের অপরাজিত ইনিংস খেলেও দলকে জেতাতে পারেননি।
এদিন প্রথমে ব্যাট করতে নেমে রংপুর রাইডার্সকে দুর্দান্ত শুরু এনে দেন রনি তালুকদার। ৩ ওভার দুই বলে ২৬ রান করে রংপুর। এরপর ২০ বলে ১০ রান করে আউট হয়ে যান ডানহাতি এই ব্যাটার। আরেক ওপেনার ফজলে মাহমুদও সাজঘরে ফেরেন ১৩ বলে ৭ রান করে।
এরপর দলের হাল ধরেন নুরুল হাসান সোহান ও ইফতি। দারুণ করেন অধিনায়ক হিসেবে এই ম্যাচে খেলতে নামা সোহান। এই উইকেটরক্ষক ব্যাটার ৪ ছক্কা ও ৬ চারে ৪৩ বলে ৬৯ রান করে রিটায়ার্ড হার্ড হন। ২৫ বলে ২৫ রান করেন ইফতিও। তিনিও রিটায়ার্ড হার্ট হন।
শেষদিকে নেমে ৩ চার ও ১ ছক্কায় ২৪ বলে ৩২ রান করেন শামীম পাটোয়ারী। দুর্দান্ত ঢাকার হয়ে ৪ ওভারে ৩৬ রান দিয়ে দুই উইকেট নেন তাসকিন। এছাড়া একটি করে উইকেট পান শরিফুল ইসলাম ও আরাফাত সানি।
১৭৭ রান তাড়া করতে নেমে শুরুটা ভালোই করেছিল দুর্দান্ত ঢাকা। প্রথম ব্যাটার হিসেবে আউট হওয়ার আগে ১৫ বলে ২৩ রান আসে নাঈম শেখের ব্যাট থেকে। রিপন মন্ডলের বলে উইকেটরক্ষক নুরুল হাসানকে ক্যাচ দেন তিনি। ১৯ বলে ২২ রান করেন আরেক ওপেনার সাইফ হাসান।
তবে এই দুই ব্যাটার বিদায়ের পর ভেঙে পড়ে ঢাকার মিডল অর্ডার। দলের পক্ষে সর্বোচ্চ রান আসে ইরফান শুক্কুরের ব্যাটে। ৩ চার ও ২ ছক্কায় ৪৩ বলে ৫৮ রান করে তিনি শেষ অবধি অপরাজিত থাকেন। এর বাইরে ১৭ বলে ২৮ রান করেন চতুরঙ্গ ডি সিলভা।
রংপুরের হয়ে দুর্দান্ত বল করেন রিপন মণ্ডল। ৪ ওভারে ৩২ রান দেন তিনি, নেন তিন উইকেট। এছাড়া এক উইকেট করে পেয়েছেন হাসান মাহমুদ ও আশিকুজ্জামান।